মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে কমপক্ষে বয়স ১৮ হতে হবে…!!


মোবাইলফোন এখন ছোট-বড়, ছেলে-মেয়ে সবাই ব্যবহার করে। মোবাইলফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহারও সর্বত্র। ইন্টারনেটের এই অবাধ ব্যবহারে দেশের উঠতি বয়সের শিশু, কিশোর, যুবক থেকে শুরু করে সকলেই যে পর্নো দেখা, অশ্লীল ছবি-ভিডিও দেখাসহ নানা রকম বেহায়াপনায় যুক্ত হচ্ছে সেটা কারোই অজানা নয়। শুধু এসবই নয়, খুন-খারাবি, চুরি-ডাকাতি কিভাবে করা যায় এসবের সিনেমা নাটকও ইন্টারনেটের মাধ্যমে তারা দেখে থাকে। আর এসব কিছু দেখা থেকেই শুরু হয় নারীটিজিং, সম্ভ্রম হরণে, শ্লীলতাহানি। আবার খুন খারাবি, চুরি-ডাকাতির নাটক-সিনেমা দেখে শিশু-কিশোররা প্র্যাকটিক্যালি এসব অপরাধে সরাসরি জড়িয়ে যায়। এরকম ঘটনা আমাদের দেশে অনেকবার ঘটেছে, যা সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে। এক কথায় মোবাইলফোনই এখন হয়ে উঠেছে অশ্লীলতা ও অপরাধ চর্চার মূল হাতিয়ার। কিন্তু এরপরও কি এই মোবাইলফোন ও ইন্টারনেট জন্য কেউ কি কখনো দাবি তুলেছে? কেউই তুলেনি। বরং ইন্টারনেটকে আরো সহজলভ্য করার জন্যই অনেকে আন্দোলন করছে। অথচ অত্যন্ত আশ্চর্যজনক হলেও সত্য-এদেশে এখনো মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহার নিষিদ্ধের দাবি না উঠলেও ঠিকই কিন্তু ইসলামী অনেক নিয়ম-কানুন পালনে ঠিকই নিষেধাজ্ঞা আসছে। নাউযুবিল্লাহ! যেমন সম্প্রতি অনেক প্রতিষ্ঠান বোরকা, হিজাব ইত্যাদি নিষিদ্ধ করেছে। নাউযুবিল্লাহ! এমনকি সরকারও এসব বিতর্কিত বিষয়ের সাথে জড়াচ্ছে। যেমন কিছুদিন আগে সরকার ১৮ বছরের নিচের কাউকে কুরবানীর পশু জবাই করতে দিবে না, বলে ঘোষণা দিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! আমাদের দেশের ছেলে-মেয়েরা কুরবানীর পশু জবাই করলে ও দেখলে নাকি তারা ‘সন্ত্রাসী’ হয়ে যাবে। নাউযুবিল্লাহ! সরকারের এ ধরনের অবিবেচক সিদ্ধান্ত কখনোই শরীয়ত সমর্থন করে না। কারণ দ্বীন ইসলাম কুরবানীর পশু জবাইকারীর ক্ষেত্রে কোনো বয়স নির্ধারণ করে দেয়নি। বরং সরকারের উচিত- দেশে ইন্টারনেটের অবাধ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে অশ্লীল ও সন্ত্রাসীমূলক ছবি-ভিডিও, নাটক সিনেমা বন্ধ করার পদক্ষেপ নিয়ে, নিজের সৎসাহসের প্রমাণ দেয়া।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে