যখন প্রাণী ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয়ে বিধর্মী বা হিন্দুরা থাকে… তখন কি হতে পারে?


জানা থাকার কথা, খ্রিস্টানদের প্রিয় খাবার শূকর আর হিন্দুদের কচ্ছপ-কাকড়া। আবার হিন্দুরা গরুকে দেবতা মনে করে, তারা গরু কুরবানীবিরোধী। তাহলে বাংলাদেশের মতো ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে প্রাণী ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে হিন্দু, খ্রিস্টান তথা বিধর্মীদের নিয়োগ দেয়া কি তাদের নিজস্ব চেতনা বা তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সাথে সাংঘর্ষিক নয়?
নাকি তারা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের খাতিরে নিজস্ব ধর্ম ও বিশ্বাসকে বিসর্জন দিবে?
সাম্প্রতিক কিছু খবরে আমরা দেখেছি, বাংলাদেশের কথিত কিছু অভিজাত হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলো ইদানীং শূকরের গোশত রাখা শুরু করেছে। এদিকে আবার বাংলাদেশ সরকার বাজেটে শূকরের গোশত আমদানিতে ট্যাক্স সরিয়ে নিয়ে আমদানিতে উৎসাহিত করেছে। নাউযুবিল্লাহ!
সবচেয়ে বড় যে ব্যাপার সেটি হলো- বিগত কয়েক বছর থেকে বাংলাদেশে গরু কুরবানিবিরেধী মহলগুলো অনেক বেশি অপতৎপরতা চালাচ্ছে। কুরবানী না দিয়ে টাকা-পয়সা দান করতে বলা হচ্ছে, কুরবানীর পশুর বেচাকেনার হাট শহরের বাইরে দূরদূরান্তে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, হাটের সংখ্যা কমানো হচ্ছে, সিন্ডিকেট করে গরু সঙ্কট তৈরি করা হচ্ছে।
পাঠক! তাহলে দেখা যাচ্ছে, আমাদের দেশের মন্ত্রণালয়গুলোতে নিয়োগপ্রাপ্ত তাহারা (!) তাদের নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাসকে মোটেও বিসর্জন দেয়নি, বরং তারা দেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের উপর তাদের অপধর্ম চাপিয়ে দেয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বলেই প্রমাণিত হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
কিন্তু না, তাদেরকে আর সুযোগ দেয়া ঠিক হবে না। বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরে প্রতিটি খাতে মুসলমানদেরই কর্তৃত্ব-নেতৃত্ব থাকতে হবে। এটা দাবি নয়, এটা বাংলার মুসলমানদের অধিকার।

Views All Time
1
Views Today
5
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে