যাকাত দেওয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান হলো ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার মুহাম্মদিয়া জামীয়া শরীফ (এতিমখানা) মাদ্রাসা


যাকাত ইসলাম উনার পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি স্তম্ভ, অর্থাৎ যাকাত দেওয়া ইসলাম উনার বিধানে ফরয। সুতরাং প্রত্যেক নিসাবে মালিক উনাদের জন্য যাকাত দেওয়া আবশ্যক বা ফরয। কেউ যদি নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও যাকাত না দেয় তাহলে সে ফরয তরক করার কারণে কবীরা গুণাহে গুণাহগার হবে। এখন কথা হলো যাকাত দাতা উনি যাকাত দিবেন কোথায়? কেননা যাকাত যেখানে সেখানে দিলেই তো আর যাকাত কবুল হবেনা,বরং তার দেওয়া যাকাতের টাকা দিয়ে কেউ যদি কোন গুণাহের কাজ করে তাহলে যাকাত দাতাও সেই গুণাহের ভাগিদার হবে। তাই যাকাত দেওয়ার সময় অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে যাকাত গ্রহীতা যেন সে টাকার অপব্যবহার না করে, অর্থাৎ সে টাকা দিয়ে কোন পাপ কাজ না করো। তাহলে কস্মিনকালেও যাকাত দাতার যাকাত কবুল হবে না। উল্টে সে গুণাহের কাজে সহায়তা করায় নিজেই গুণাহগার হবে। যেমন- বর্তমানে উহাবী, খারিজী,দেওবন্দী.কওমীসহ আরও বহু নামে মাত্র প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা রয়েছে , যেখানে যাকাত দিলে কখনও যাকাত কবুল হবে না। কারণ এসব প্রতিষ্ঠানের ছাত্র, শিক্ষক ও কর্মকর্তা সকলেই খেলাধুলা, ছবি তোলা, টিভি দেখা, গান-বাজনা, সুদ-ঘুষ, আত্বসাত,চুরি-লুটপাৎ ইত্যাদি হারাম কাজের সাথে যুক্ত। এছাড়াও এদের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে জঙ্গি-বাদী ও বোমা-বাজি তৈরীর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তাহলে এখন ভাবার বিষয় এসব জায়গায় যাকাত দিলে যাকাত কবুল হবে না গুণাহগার হতে হবে। অবশ্যই গুণাহগার হতে হবে। তাই যাকাত প্রদানের সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান হলো ঢাকা – রাজারবাগ শরীফ উনার মুহম্মদিয়া জামীয়া শরীফ (এতিমখানা) মাদ্রাসা । এখানে কোন প্রকার হারাম কাজ করা হয় না, বরং এখানের প্রত্যেকেরই পা থেকে মাথা পর্যন্ত সুন্নতের রঙে রঞ্জিত। পাঁচ বছরের ছেলে-মেয়েরা খাস পর্দা পালন করে। এয়ারও এখানে প্রত্যেকের জন্য তাহাজ্জুত নামায বাধ্যতামূলক করা হয়েযছে এবং প্রত্যেকেই ইসলামের পরিপূর্ণ দাখিল রয়েছেন। এজন্য মুহম্মদিয়া জামীয়া শরীফ উনার এতিম খানায় যাকাত দিলে ইন্শাআল্লাহ অবশ্যই যাকাত কবুল হবে। তাই সবাইকে আহব্বান জানাচ্ছি ঢাকা-রাজারবাগ শরীফ উনার ইয়াতিম খানায় যাকাত দেওয়ার জন্য।            (মুহম্মদ ছামরিুল ইসলাম )

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+