যাবতীয় বালা-মুছিবত থেকে উদ্ধার পেতে প্রতিটি ঘরে ঘরে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা অপরিহার্য 


মুসলিম বিশ্বে যিনি সবচেয়ে বেশি কিতাব লিখেছেন, যিনি দশম হিজরী শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ও ইমাম, সুলত্বানুল আরিফীন হযরত মাওলানা জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘ওসায়িল ফী শরহি শামায়িল’ নামক কিতাবে উল্লেখ করেছেন, “যখন কোনো মুসলমান নিজ বাড়িতে পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উদযাপন করে, তখন সেই বাড়ির অধিবাসীগণের উপর থেকে মহান আল্লাহ পাক তিনি অবশ্যই খাদ্যাভাব, মহামারি, অগ্নিকা-, ডুবে মরা, বালা-মুছীবত, হিংসা-বিদ্বেষ, কুদৃষ্টি, চুরি ইত্যাদি উঠিয়ে নেন। যখন উক্ত ব্যক্তি মারা যান তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি তার জন্য মুনকার-নকীরের সুওয়াল-জাওয়াব সহজ করে দেন। আর উনার অবস্থান হয় মহান আল্লাহ পাক উনার সন্নিধানে ছিদক্বের (সত্যাবাদী) মাক্বামে।” সুবহানাল্লাহ! (আন নি’য়ামাতুল কুবরা)

কাজেই উপরোল্লিখিত দলীলের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো যে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, খোদায়ী আযাব-গযব ও যাবতীয় বালা-মুছীবত থেকে উদ্ধার পেতে হলে প্রতিটি মুসলমানের ঘরে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা অপরিহার্য।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে