যারা পবিত্র লাইলাতুল বরাত উনার ফযীলত সম্পর্কে চু-চেরা করবে, তারা কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী হয়ে যাবে


‘বরাত’ উনার বরকতময় রাতটির বর্ণনা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ঘোষণা করেছেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি বরকতময় রজনীতে (লাইলাতুল বরাতে) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিশ্চয়ই আমিই সতর্ককারী। উক্ত রাত্রিতে আমার পক্ষ থেকে সমস্ত প্রজ্ঞাসম্পন্ন বিষয়গুলো ফায়ছালা করা হয়। আর নিশ্চয়ই আমিই প্রেরণকারী।” (পবিত্র সূরা দুখান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩-৫)

এ প্রসঙ্গে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত আছে, একদা মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে উম্মুল মু’মিনীন, হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম! আপনি কী জানেন, লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ লাইলাতুল বরাতে কী সংঘটিত হয়? তিনি বললেন, মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারাই ভাল জানেন। এ রাত্রিতে কী সংঘটিত হয়? সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, এ রাতে আগামী এক বৎসরে কতজন সন্তান জন্মগ্রহণ করবে এবং কতজন মৃত্যুবরণ করবে তা লিপিবদ্ধ করা হয়। এ রাতে বান্দা-বান্দীর (এক বৎসরের) আমলসমূহ মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পেশ করা হয় এবং এ রাতে বান্দা-বান্দীর (এক বৎসরের) রিযিক নাযিল করা হয় অর্থাৎ রিযিকের ফায়ছালা করা হয়।’ (বাইহাক্বী শরীফ, ইবনে মাজাহ শরীফ, মিশকাত শরীফ, মিরকাত শরীফ, লুময়াত শরীফ, আশয়াতুল লুময়াত শরীফ)
কাজেই যে বা যারা পবিত্র লাইলাতুল বরাত উনার ফযীলতের ব্যাপারে চু-চেরা করবে তারা নিঃসন্দেহে কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী হয়ে যাবে।

Views All Time
3
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে