যারা বলে ‘ইসলামী পোশাক’ বলে কিছু নেই…


সেই ছোটবেলা থেকেই প্রায়ই আমি আমার দাদাকে বলতাম- দাদা, হিন্দুরা এভাবে লুঙ্গি (ধুতি) পরে কেন? তাদের লজ্জা লাগে না? দাদা বেশি কিছু না বলে সংক্ষেপে বলতেন- হিন্দু হলে এভাবেই কাপড় পরতে হয়। এতটুকু উত্তরেই তখন ক্ষান্ত হতাম। কিন্তু এখন যদি দাদা বেঁচে থাকতেন- তাহলে বলতাম- মুসলমান হলে কি ধরনের কাপড় পরিধান করতে হয়? জানি না- দাদা এর উত্তর কি দিতেন। তবে এ প্রশ্নটি আমি আমার আশপাশের কিছু মুরুব্বীদের কাছে করেছিলাম। তারা আমাকে বললো- ‘মুসলমানদের কোনো নির্দিষ্ট পোশাক-আশাক নেই। শালীন কোনো পোশাক পরিধান করলেই হবে।’ তাদের এ উত্তর আমাকে রীতিমত বিস্মিত করতো- “আমি তাদের পাল্টা বলতাম- হিন্দুদের আলাদা পোশাক আছে, বৌদ্ধদের আলাদা পোশাক আছে, শিখদের আলাদা পোশাক আছে, খিস্টানদের প্যান্ট, শার্ট, টাই আছে, কিন্তু মুসলমানদের নির্দিষ্ট কোনো পোশাক নেই- এটা কেমন হলো? আমি তো জানি ইসলাম একটি পরিপূর্ণ দ্বীন। এখানে কিভাবে খাবার খেতে হবে সেটাও বর্ণিত আছে, তেমনি কিভাবে ওযু-ইস্তেঞ্জা করতে হবে সেটাও উল্লেখ আছে, কিন্তু পোশাকের কেন বর্ণনা নেই- এটা কি অস্বাভাবিক নয়?” কিন্তু তাদের কাছ থেকে আমি কোনো সন্তোষজনক উত্তর পাইনি।
সেই সন্তোষজনক উত্তর খুঁজে পেয়েছি একমাত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার মাঝে এসে। মুজাদ্দিদে আ’যম মামদুহ আক্বা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক ছোহবতে এসে। এখানে এসেই জেনেছি- একজন মুসলমানের মাথা-থেকে পা পর্যন্ত কি কি ইসলামী পোশাক তথা সুন্নতী পোশাক রয়েছে। আরো জেনেছি কাফির-মুশরিক বিধর্মীদের প্যন্ট, কোট, টাই, শার্ট এসব পরিধান করা নাজায়িজ ও ইসলামী শরীয়ত উনার খিলাফ।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের হীনম্মন্যতা দূর করুন। দায়েমীভাবে সুন্নতী পোশাক পরিধান করে নিজেকে গর্বিত মুসলমান হওয়ার তাওফীক দান করুন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে