যারা বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করে, তারা কী ফিকির করেছে কার বিরোধিতা করছে?


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি আমাকে মুহব্বত করবে সে আমার সাথেই পবিত্র জান্নাত উনার মধ্যে থাকবে।” (তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ)
অর্থাৎ যে ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতিটি বিষয়কে অন্তর থেকে হাক্বীক্বী মুহব্বত করবে, তাদের জন্য রয়েছে উত্তম প্রতিদান তথা পবিত্র জান্নাত। আর যে চু-চেরা করবে তার জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি তথা জাহান্নাম; যা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে।

এখন যিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সাথে উনার ৬ বছর বয়স মুবারক-এ আক্বদ মুবারক সম্পন্ন করেছিলেন ও ৯ বছর বয়স মুবারক-এ হুজরা শরীফ-এ তুলে নিয়েছিলেন। তাহলে ১৯২৯ সালের ব্রিটিশ প্রণীত বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন অনুযায়ী তিনি দন্ডনীয় হবেন? নাঊযুবিল্লাহ! এটা কেউ চিন্তা করলেও কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে। উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবও বাল্যবিবাহ করেছেন বলে তার জীবনীতে পাওয়া যায়।


পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে ছেলে ও মেয়ের বিয়ের ক্ষেত্রে কোনো বয়সের সীমাবদ্ধ করে দেননি। সে যেমন ১০, ১৫ বছরে বিয়ে করতে পারবে, তেমনি ৪০, ৫০ বছরের পরও বিয়ে করতে পারবে। তাই মহান আল্লাহ পাক ও নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের বিরোধী এ কুফরী আইন তুলে দেয়া বাংলাদেশ সরকারের জন্য ফরয-ওয়াজিব।

 

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+