যারা মসজিদ ভাঙ্গছে তাদের জন্য কঠিন লাঞ্ছনা-গঞ্জনা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ مَنَعَ مَسَاجِدَ اللهِ أَنْ يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُهُ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا أُولَئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ أَنْ يَدْخُلُوهَا إِلَّا خَائِفِينَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَلَهُمْ فِي الْآخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ
অর্থ: “ওই ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম কে রয়েছে? যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার মসজিদসমূহে উনার যিকর মুবারক করতে, উনার নাম মুবারক উচ্চারণ করতে বাধা দেয় এবং পবিত্র মসজিদগুলো উজাড় বা বিলীন করতে চেষ্টা করে। এদের জন্য ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় অর্থাৎ খালিছ তাওবা-ইস্তেগফার করা ব্যতীত মসজিদসমূহে প্রবেশ করা জায়িয নেই। তাদের জন্য রয়েছে ইহকাল বা দুনিয়াতে লাঞ্ছনা এবং পরকালে কঠিন শাস্তি”। (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ-১১৪)
উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র মসজিদে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকর করতে বাধা দিলে এবং মসজিদ উজাড় করলে যদি বড় যালিম হয় এবং ইহকালে লাঞ্ছনা ও পরকালে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা হয়, তাহলে যারা মসজিদ ভাঙ্গছে, মসজিদ ভাঙ্গার কাজে সাহায্য করছে এবং সমর্থন করছে তাদের কি পরিণতি? অবশ্যই অবশ্যই তারা সবচেয়ে বড় যালিম, কাট্টা কাফির ও চির জাহান্নামী হবে। নাউযূবিল্লাহ!
অতএব, হে যালিমরা সাবধান! সাবধান! সাবধান! এখনো সময় রয়েছে যে সমস্ত মসজিদগুলো তোমরা ভেঙ্গেছো তা পুনঃনির্মাণ করা এবং সারা দেশব্যাপী আরো অসংখ্য আগণিত নতুন নতুন মসজিদ নির্মাণ করা এবং খালিছভাবে তাওবা-ইস্তেগফার করা তোমাদের জন্য ফরয।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে