যারা মুসলমান হবে তাদেরকে অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মত মুবারক অনুযায়ী মত ও পথ মুবারক অনুযায়ী পথ হতে হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আনুগত্য করো যদি তোমরা মু’মিন হয়ে থাকো।’
যারা মুসলমান হবে তাদেরকে অবশ্যই মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মত মুবারক অনুযায়ী মত ও পথ মুবারক অনুযায়ী পথ হতে হবে।
উনারা যা আদেশ মুবারক করেছেন তা পালন করতে হবে আর উনারা যা নিষেধ মুবারক করেছেন তা পরিহার করতে হবে। সুবহানাল্লাহ! উনাদের আদেশ-নিষেধ মুবারক উনাদের খিলাফ আমল করলে কখনো মুসলমান থাকা যাবে না। বরং পরকালে কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আনুগত্য করো যদি তোমরা মু’মিন হয়ে থাকো।’

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্য করলো প্রকৃতপক্ষে সে খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনারই আনুগত্য করলো। সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, কোনো ব্যক্তি মু’মিন বা মুসলমান হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তার প্রবৃত্তি আমি যা এনেছি (পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ) উনার অনুগত না হবে। (শরহুস সুন্নাহ, মিশকাত শরীফ)

পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বিধান দ্বারা সুস্পষ্টরূপে জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে, যে মু’মিন-মুসলমান হবে তাকে অবশ্যই সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যাবতীয় আদেশ মুবারক এবং নিষেধ মুবারকগুলো পরিপূর্ণরূপে পালন করতে হবে। যারা পালন করবে না, তারা পরকালে কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে। নাঊযুবিল্লাহ! যেমন এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ক্বিয়ামতের দিন যখন জাহান্নামের আগুনে তাদের মুখম-ল ঝলসিয়ে দেয়া হবে তখন তারা বলবে, হায়! আমরা যদি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আনুগত্য করতাম। (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ- ৬৬)
অর্থাৎ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাযিলকৃত বিধান পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আদেশ-নিষেধ মুবারকগুলো মেনে চলতাম, তাহলে আজকে এই কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হতাম না। কিন্তু সেদিন তাদের সেই হায়হুতাশ কোনো কাজে আসবে না।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে- ছবি তোলা, আঁকা, রাখা, দেখা, টিভি দেখা, খেলাধুলা করা, গান-বাজনা করা, শোনা, বেপর্দা হওয়া পহেলা বৈশাখ বা নববর্ষ পালন করা, অমঙ্গল যাত্রায় শরীক হওয়া ইত্যাদি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ তথা হারাম ও কুফরী। কাজেই এসব নিষিদ্ধ বিষয়সহ উনাদের যাবতীয় নিষিদ্ধ বিষয়ের সাথে যারা জড়িত হবে তাদের পক্ষে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব হবে না।

বান্দা-বান্দি ও উম্মতকে তাদের হায়াত থাকতেই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ-নিষেধ মুবারকগুলো মেনে চলতে হবে। তবেই তারা পরকালের কঠিন শাস্তি হতে নাজাত পাবে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে