যারা হক্কানী ওলীআল্লাহ তথা পীর-শায়েখ উনাদের বিরোধিতা করে তাদের ধ্বংস অনিবার্য


ইদানীং ব্লগে দেখা যায় যে, কিছু কম আমল, কম সমঝ, অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী কিছু ব্লগার নিজেদের অহমিকা জাহির করার জন্য পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে সুস্পষ্ট প্রমাণ, দলীল থাকার পরেও ওলীআল্লাহ উনাদের বিরোধিতা করছে।
সর্বশেষ নবী হিসেবে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুনিয়ায় আগমন করার পরেও যদি ভ-নবীর আবির্ভাব হতে পারে তাহলে ভ-পীর হতে পারবে না কেন? এই সাধারণ বিষয়টি না বুঝার কারণে দেখা যায়, মানুষ গণহারে ওলীআল্লাহ উনাদের বিরোধিতা করে। নাঊযুবিল্লাহ!
বাজারে গিয়ে যদি বাছাই করে ভালো জিনিস কিনতে পারে, তাহলে খাঁটি ওলীআল্লাহ বাছাই করে উনাকে মানবে না কেন? কারো বিরোধিতা করার আগে যাচাই করা উচিত- তার পবিত্র ঈমান-আমল শরীয়তসম্মত কিনা? যদি তা না করে কোনো হক্কানী ওলীআল্লাহ উনার বিরুদ্ধে উল্টাপাল্টা কথা বলে- তাহলে তাদের ধ্বংস হওয়া ছাড়া কোনো গতি নেই। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদছী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “যারা আমার ওলী উনার বিরোধিতা করে আমি তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করি।” (পবিত্র বুখারী শরীফ)
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করবেন সে যে আযাব-গযবে নিপতিত হয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই আমাদের ফিকির করে সাবধান হতে হবে, যাতে ভুল করেও কোনো হক্কানী ওলীআল্লাহ উনার বিরোধিতায় পতিত না হই। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে ছহীহ সমঝ দান করুন। আমীন।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে