যার মধ্যে জ্ঞান ও বিবেকের একত্র সমন্বয় ঘটেছে, তার মধ্যে বারটি গুণের সমাবেশ দেখা যায়


হযরত সুফিয়ান সাওরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেছেন। “বিজ্ঞজনের সাথে ঘনিষ্ট যোগাযোগ রক্ষাকারী বাদশাহ শ্রেষ্ঠ গুণের অধিকারী। জ্ঞানের দ্বারা মর্যাদার স্থায়ীত্ব লাভ হয়। বিবেক বুদ্ধির দ্বারা প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পায়। যার মধ্যে জ্ঞান ও বিবেকের একত্র সমন্বয় ঘটেছে, তার মধ্যে বারটি গুণের সমাবেশ দেখা যায়। পবিত্রতা, সৌজন্য, তাকওয়া, আমানতদারী, স্বাস্থ্য, লজ্জাশীলতা, করুনা, সচ্চরিত্রতা, বিশ্বস্থতা, সহিষ্ণুতা, গাম্ভীর্য ও সদ্ব্যবহার। এই গুণাবলী উৎকৃষ্ট রাজকীয় গুণাবলীর অন্তর্ভূক্ত।” নিশ্চিত জেনে রাখা দরকার যে, যুগের বিবর্তন অবধারিত, ক্ষমতার কোন স্থিতিশীলতা নেই। মহান আল্লাহ পাক উনার বিধান গায়েব থেকে আসে এবং তার মোকাবিলা পৃথিবীর সৈন্য-সামন্ত দ্বারা সম্ভব নয়, দুনিয়াদারীর প্রচুর মালামাল, ধন-সম্পদ দিয়েও তা প্রতিরোধ করা যায় না। ইয়াকুব লায়েস ইন্তেকালের পূর্বে কয়েক লাইন কবিতা রচনা করে সেগুলি তার কবরে লিখে দিতে অসিয়ত করেন। সে অনুযায়ী উহা তার কবরগাত্রে খোদাই করে দেয়া হয়। কবিতার বাক্য নিম্নরূপ। “পুরানো কবরবাসীদের প্রতি সালাম বর্ষিত হোক, ভয়াবহ মৃত্যু হতে আমাকে হাজার হাজার সৈন্যবিশিষ্ট বাহিনীও রক্ষা করতে পারবে না। হে কবর জিয়ারতকারী! উপদেশ ও শিক্ষা গ্রহন কর, দুনিয়ার প্রেমে মত্ত হয়োনা। খোরাসান ও ইরাকে আমার রাজত্ব ছিল অথচ মনে হয় যেন ইয়াকুব পৃথিবীতে কখনো আগমনই করেন নাই। দুনিয়াকে সালাম।” (সাহায্যকারী কিতাব। আত্তিবরুল মসবুক)

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে