সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

যিলহাজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন ও ঈদুল আযহা-উনার ফযিলত


وَالْفَجْرِ، وَلَيَالٍ عَشْرٍ

কসম ভোরবেলার। কসম দশ রাতের। (পবিত্র সূরা ফাজর : ১-২)

আল্লাহ পাক তিনি সূরা ফাজর উনার ১ম আয়াত শারীফে ফজরের কসম বলতে যিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখ অর্থাৎ ঈদুল আদ্বহা বা কুরবানির ঈদের ফজরের গুরুত্ব বুঝিয়েছেন।
আর দ্বিতীয় আয়াত শারীফে ১০ রাতের কসম বলতে যিলহাজ্জ মাসের প্রথম ১০ রাত্রির গুরুত্ব বুঝিয়েছেন।
আরো বর্ণিত হয়েছে,
وَيَذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ فِي أَيَّامٍ مَّعْلُومَاتٍ

তারা যেন নির্দিষ্ট দিনসমূহে আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারক স্মরণ করে। (সূরা হজ্জ : ২৮)

এ প্রসঙ্গে হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু থেকে হাদীস শরীফ বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, “যিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিনের ইবাদত মহান আল্লাহ পাক-উনার কাছে এত বেশি পছন্দনীয় যে, অন্য কোন সময়ের ইবাদত এত বেশি পছন্দনীয় নয়। আর প্রতিদিন এর রোজার ফযীলত হচ্ছে অন্য সময়ের এক বছরের রোযার ফযীলতের সমান। আর প্রতি রাত্রির ফযীলত হচ্ছে শবে কদরের ফযীলতের সমান।’’(সুবহানআল্লাহ)

আর হযরত ইবনে আব্বাস রদিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু হতে বর্ণিত, নূরে মুজাসসাম,  হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, “জিলহাজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমাল আল্লাহ পাক-এর নিকত এত পছন্দনীয় যে, অন্য কোন আমলেই এতো পছন্দনীয় নয়। তখন সাহাবায়ে কিরাম রদিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহুমগন জিজ্ঞাসা করলেন, হে হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! জিহাদ ফী সাবীলিল্লাহও না? তখন হুযুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, না, যতক্ষণ পর্যন্ত কোন লোক তার সম্পদসহ শাহাদাত বরণ না করে।’’(সুবহানআল্লাহ)

হাদীস শারীফে আরো বর্ণিত হয়েছে, “আরাফা’র দিনের রোযার ফযীলত হচ্ছে পিছনের এক বছর ও সামনের এক বছরের গুনাহখতা ক্ষমা করে দেয়া হয়।’’(সুবহানআল্লাহ)
অ্যারো বর্ণিত আছে, “ঈদের রাত্রে যে ইবাদত-বন্দিগী করে আল্লাহ পাক তাকে কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম পেরেশানী থেকে হিফাযাত করবেন।’’ (সুবহানআল্লাহ)

এ আয়াত শারীফসমূহ থেকে এই ইবরত নছীহত হাসিল করতে হবে যে, যিলহাজ্জ মাসের প্রথম দশদিন ও দশ রাত্রির এবং আরাফার দিন রাত্রি ও কুরবানির দিন-রাত্রি যথারীতি ইবাদত-বন্দিগী করে, দিনে রোজা রেখে ও রাতে সজাগ থেকে আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব হুযুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনাদের সন্তুষ্টি হাসিল করার কোশেশ করতে হবে।(আমীন)

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে