যুগে যুগে পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্র ও বিভ্রান্তি মুসলমানদেরকেই রুখে দিতে হবে, প্রয়োজনে নিয়োজিত করতে হবে সর্বশক্তি


(১) কতগুলো মুনাফিক, নাস্তিক, কাফিরের গোষ্ঠী পবিত্র কুরবানী উনার সময় এলে পবিত্র কুরবানী বিরোধী প্রচারণায় মেতে উঠে এবং এর বিরুদ্ধে স্লো পয়জনসমৃদ্ধ নানা রঙের নানা ঢঙের বিবৃতি প্রদান করে। নাউযুবিল্লাহ! যেমন-
(ক) পবিত্র কুরবানী না করে পবিত্র কুরবানী উনার পশু বা তার সমপরিমাণ নগদ অর্থ ক্যান্সার হাসপাতালে, দাতব্য প্রতিষ্ঠানে, জনকল্যাণমূলক, জনহিতকর কাজে, বন্যা, টর্নেডো, পানিচ্ছ্বাস, সিডর আক্রান্ত মানুষকে দারিদ্র্য বিমোচনে, গরিব কৃষকদের মাঝে, মহামারি ও ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি দুর্ঘটনায় আক্রান্ত বা দুঃস্থদেরকে টাকা দিয়ে দিলেই তো হয়। নাউযুবিল্লাহ!
(খ) পবিত্র কুরবানী একটি অপচয়। নাঊযুবিল্লাহ!
(গ) পবিত্র কুরবানী উনার দিনে উপমহাদেশে পবিত্র কুরবানী উনার যে দৃশ্য দেখা যায়, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশে তা দেখা যায় না।
(ঘ) কুচক্রী মহল সারা দুনিয়ায় বিশেষত মুসলমান দেশ ও অঞ্চলগুলোতে পবিত্র কুরবানী উনার সময় হালাল গবাদি পশুর অ্যাণথ্রাক্স আতঙ্ক ছড়িয়ে পবিত্র কুরবানী করা থেকে মুসলমানদেরকে বিরত রাখার অপচেষ্টা করে।
(ঙ) মহাসম্মানিত কুরবানী উনার ইতিহাসকে বিকৃত করার জন্য ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণের মধ্যে সন্দেহের বীজ বপন করার জন্য বাংলাদেশের কলঙ্ক নারায়ণ নামক হিন্দু মালউন দাবি করেছিলো যে, হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম, হযরত ইসমাইল আলাইহিস সালাম উনাকে নয়, বরং হযরত ইসহাক আলাইহিস সালাম উনাকে কুরবানী উনার উদ্দেশ্যে যবেহ করতে উদ্যত হয়েছিলেন। নাউযুবিল্লাহ!
(চ) ২০১১ সালে দেওবন্দীরা ফতওয়া দেয় ‘মুসলমানদের গরু কুরবানী দেয়া উচিত নয়; কারণ গরু হিন্দুদের দেবতা। নাউযুবিল্লাহ!
(ছ) ভাগে পবিত্র কুরবানী দেয়া যাবে না। নাউযুবিল্লাহ!
(জ) বিজোড় ভাগ দিতে হবে, জোড় ভাগ দেয়া যাবে না।
(ঝ) পবিত্র কুরবানী উনার সাথে আক্বীকা দেয়া যাবে না। নাউযুবিল্লাহ!
(ঞ) আক্বীকা না দিলে কুরবানী হবে না। নাউযুবিল্লাহ!
মহান আল্লাহ তায়লা আমাদেরকে সকল প্রকার বিভ্রান্তি থেকে হেফাজত করে সঠিকভাবে কুরবানী করার তাওফিক দান করুন। আমীন!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে