যুদ্ধাপরাধী বিচার বানচাল করতে বিশেষ অর্থ বরাদ্দ পায় জেএমবি, হুজি, হিযবুত তাহরীর


মওদুদীবাদী ধর্মব্যবসায়ী জামাতের অর্থে ও মদদে পরিচালিত হচ্ছে জেএমবি, হুজি, হিযবুত তাহরীরসহ জঙ্গি সংগঠনগুলো। জামাতের অর্থে ও মদদে সংগঠিত হয়ে নাশকতার অপচেষ্টায় লিপ্ত আছে জঙ্গিরা। ফলে দেশে যে কোন সময়ে বড় ধরনের নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকা- চালানোর আশঙ্কা করা হচ্ছে। জঙ্গিদের জন্য জামাতের পক্ষ হতে মাসিক নির্ধারিত বরাদ্দ প্রায় ২ কোটি টাকা। জামাতের বরাদ্দ করা অর্থ নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি’র ৫০ হাজার সদস্যকে জনপ্রতি ৪শ টাকা করে দেয়া হয়। যুদ্ধাপরাধীর বিচার শুরু হওয়ার পর থেকে জেএমবি’র জন্য বরাদ্দ করা হয় এই অর্থ। গোয়েন্দা সংস্থার কাছে জামাতের সাবেক কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও জেএমবি আমীর মুফতে মাওলানা সাইদুর রহমানের দেয়া জবানবন্দিতে এই ধরনের তথ্যের উল্লেখ করেছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে জামাত সম্পর্কে উল্লেখ আছে, জেএমবি জঙ্গি সংগঠনের দলীয় তহবিল, কর্মী কল্যাণ তহবিল ও জরুরী পরিস্থিতি মোকাবেলা তহবিল নামে তিন স্তরে অর্থ বরাদ্দ দিয়ে থাকে জামাত। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতেও বিশেষ বরাদ্দ তহবিল রয়েছে জামাতের। বর্তমান সরকার ক্ষমতা লাভের পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালে মাঠে থাকার শর্তে সম্প্রতি জেএমবি’র জন্য অর্থ বরাদ্দ বাড়িয়ে ছিল জামাত। জামাতের সাবেক কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও জেএমবি আমীর মুফতে মাওলানা সাইদুর রহমান জবানবন্দিতে বলেছে, বরাদ্দের বিশ লাখ টাকার হিসাব চাইতে গিয়ে এবং জেএমবি’র দলীয় ফান্ডের পুরো টাকা আত্মসাৎ করতেই জেএমবি’র রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বে থাকা আমার আপন ভাগ্নে নাজমুল শহীদ ওরফে ভাগ্নে শহীদই আমাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। জেএমবি’তে দীর্ঘদিন ধরেই অর্থ সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এ জন্য জেএমবি’তে অভ্যন্তরীণ কোন্দল বিরাজ করছে।
গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, জামাতের সমমনা দলগুলোর জন্য জামাতের নির্দিষ্ট ফান্ড আছে। যে দলগুলো দেশে-বিদেশে সবচেয়ে আলোচিত সেসব দলের জন্য বরাদ্দ বেশি থাকে। পাশাপাশি আলোচিত ধর্মব্যবসায়ী দলগুলোর জন্য দলীয় ফান্ড, কর্মী কল্যাণ তহবিল ও জরুরী পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য অর্থ বরাদ্দের প্রথা চালু আছে।

 

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে