যেভাবে এলো দ্বীন ইসলাম ব্যতিত অন্যান্য কথিত ধর্ম-বর্ণ!


দাড়বিহীন নৌকা দিক নির্দেশনাহীন, অজানা গন্তব্যের দিকে ধাবিত। আর এরকম দাড়বিহীন নৌকার যাত্রীরা তারাই যারা গন্ডমুর্খ, অথর্ব, বর্বর, অসভ্য, ভবিষ্যত ভাবনাহীন বিকৃত মস্তিকসম্পন্ন, অন্ধকার কালিমাচ্ছন্ন ভগ্ন হৃদয়ের অধিকারী হতভাগ্য কুলাঙ্গার। বোধ-জ্ঞানের বিন্দুমাত্র কারো মধ্যে থেকে থাকলে সে এরকম নৌকার আরোহী হয়না কারণ ঐ নৌকার আরোহীদের শেষ পরিণতিটা কী হতে পারে সেটা সে অনুধাবন করতে সক্ষম। বিশ্বের তাবত কাফির-মুশরিক গোষ্ঠি এই দাড়বিহীন নৌকার আরোহীর মতো। তবে তাদের মধ্যে হিন্দু-বৌদ্ধদের বেলায় এই উপমাটা আরও বেশি প্রযোজ্য। কারণ ইহুদী বা খৃস্টান ধর্মাবলম্বীরা দাবী করতে পারে তাদের ধমীয় ভিত্তিটা কোন এক সময় মহান আল্লাহ পাক উনার প্রেরিত নবী-রসুল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মাধ্যমে একসময় বিকশিত হয়েছিল। যদিও তারা একসময় সেটা বিকৃত করে ফেলে। তবে ঐসব ধর্ম সম্মানিত দ্বীন ইসলাম আসার পর স্বয়ং খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বাতিল বলে ঘোষনা করেছেন এবং ঐ সব ধর্মের অনুসারীদের প্রতি নাযিলকৃত কিতাবসমূহের অস্তিত্বও এখন আর নেই। ইহুদী, খৃস্টানরা এখন যেসব বই-পুস্তক এবং রীতিনীতির অনুসরণ করে থাকে সেগুলো মানব রচিত এবং মানুষের খেয়ালের আতিশয্যে প্রবর্তিত। তারপরও খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইহুদী-খৃষ্টানদের কাফির ঘোষনা করার পরও ইহুদী-খৃষ্টানরা দাবী করতেই পারে যে তাদের অনুসৃত ধর্মের কোন একসময় ভিত্তি ছিল। তবে হিন্দু-বৌদ্ধদের বেলায় স¤পুর্ণ আলাদা। ঐতিহাসিকদের মতে, হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনার যমীনে তাশরীফ আনার পর থেকে যুগে যুগে নবী-রসুল আলাইহিমুস সালাম উনারা এসেছেন, মানুষের মাঝে মহান আল্লাহ পাক উনার তাওহীদ মুবারক প্রচার করেছেন, প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তখন শয়তানের ওয়াসওয়াসায় মানুষদের একটা অংশ সভ্যতার সাথে অভিযোজন করতে অক্ষম হয়ে তাওহীদ মুবারক এবং তখনকার নবী-রসুল উনাদেরকে মেনে নিতে পারেনি। উপরন্তু সভ্যতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তারা এদিকে সরে আসে। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যিন, নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যমীনে তাশরীফ মুবারক আনার পরও যারা দ্বীন ইসলাম কবুল করতে পারেনি এবং পরবর্তীতে উনার ওয়ারিস আওলিয়া কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিমগন উনাদের আহবানেও যারা সারা দিতে পারেনি তারাই শুধু হিন্দু-বৌদ্ধ হিসেবে রয়ে গেছে।
গবেষনালদ্ধ উপাত্ত এবং ইতিহাস এটাই স্বাক্ষী দেয় যে, হিন্দুরা এবং বৌদ্ধদের একটা অংশ জৈন, শিখ ইত্যাদি রুপান্তরিত হয় এবং হিন্দু-বৌদ্ধ, জৈন-শিখরা যে সব রীতিনীতি পালন করে থাকে, তা শুধুমাত্র অসভ্য শ্রেণীর কিছু লোকের উদ্ভট চিন্তার ফসল।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে