সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। ব্লগের উন্নয়নের কাজ চলছে। অতিশীঘ্রই আমরা নতুনভাবে ব্লগকে উপস্থাপন করবো। ইনশাআল্লাহ।

যে আমলে সম্পদ ও হায়াত বৃদ্ধি পায়


এক ব্যক্তির ঘরের পাশে ছিল একটি গাছ। সেই গাছে ছিল একটি পাখি। পাখিটি যখনই ডিম দিত তখনই লোকটি তা নিয়ে খেয়ে ফেলত। লোকটির অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে একদিন পাখিটি হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম উনার কাছে নালিশ করল। হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম লোকটিকে ডেকে নিষেধ করে বললেন, আর কোনো দিন যেন এই পাখির ডিম খায়। এর
পরেরবারও লোকটি পাখির ডিম খেয়ে ফেলল। তাই পাখিটি আবার হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম উনার কাছে নালিশ করল।
.
হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম এক জিনকে নির্দেশ দিলেন- লোকটি আবার যখন গাছে চড়বে, তখন খুব জোরে তাকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেবে, যাতে লোকটি কোনো দিন গাছে চড়তে না পারে। এর পর একদিন লোকটি পাখির ডিমের জন্য গাছে উঠতে যাবে, এমন সময় এক ভিক্ষুক এসে হাঁক দিল বাবা! কিছু ভিক্ষা দিন। তখন লোকটি প্রথমে ভিক্ষুককে এক মুষ্টি খাবার দান করল। তারপর শান্ত মনে গাছে থেকে ডিম নামিয়ে খেয়ে ফেলল। পাখিটি আবার হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম উনার কাছে নালিশ করল। হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম সেই জিনকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি নির্দেশ পালন করলে না কেন?
তখন জিন জবাব দিল, আমি আপনার নির্দেশ পালন করার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। এমন সময় পূর্ব ও পশ্চিম থেকে দুই ফেরেস্তা আলাইহিমুস সালাম এসে আমাকে অনেক দূরে ফেলে দিল। হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম বিস্মিত হয়ে এর কারণ জিজ্ঞেস করলেন,জিনটি বলল, আমি দেখলাম, লোকটি
গাছে ওঠার আগে জনৈক ভিক্ষুককে এক মুষ্টি খাবার দান করল।
সম্ভবত এর বরকতে আল্লাহপাক তাকে আসন্ন বিপদ থেকে উদ্ধার করেছেন। হযরত সুলায়মান আলাইহিস সালাম বললেন, হ্যাঁ সদকা বালা-মুসিবত দূর করে। এ কারণেই সে তখন মহাবিপদ থেকে বেঁচে গেছে।
(সুবহানাল্লাহ্)
উপরোক্ত ঘটনার মাধ্যমে বুঝা গেল, দান ছদকা করার কারণে বালা মুসিবত দূর হয়। মূলত এই দান ছদকা এটা এমন এক ইবাদত যার মাধ্যমে ধন-সম্পদ,হায়াত ইত্যাদি বৃদ্ধি পায় এবং বালা-মুছিবত, বিপদ-আপদ ইত্যাদি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আমাদের সকলকে আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় দান, সদকা করার তৌফিক দান করুন।
(আমিন)
Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে