যে কারণে চেয়ার-টেবিলে নামায পড়ার বিপক্ষে বলে না তারা!


যে কারণে চেয়ার-টেবিলে নামায পড়ার বিপক্ষে বলে না তারা!

বর্তমানে মসজিদ কমিটিগুলোতে দেখা যায়, যে যতবেশি মসজিদে টাকা-পয়সা দেয় বা এলাকায় যে যত প্রভাবশালী তাদেরকেই কমিটির সভাপতি-সেক্রেটারী করা হয়। এ কারণে দেখা যায়, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাতো বটেই পাড়ার বড় বড় সন্ত্রাসীদেরকেও অনেক সময় কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়। নাউযুবিল্লাহ! আর এ সকল ফাসিক-ফুজ্জার কমিটি সদস্যদের তোয়াজ করেই মসজিদের ইমামতীর দায়িত্ব নিয়ে থাকে উলামায়ে সূ’রা। আর ওই কমিটিকেই রাজি-খুশি করার প্রতিযোগিতায় থাকে ওই সকল কথিত ইমাম-খতীব উলামায়ে ছুরা। কারণ কমিটিকে যে যত সন্তুষ্ট রাখতে পারবে সে ইমাম-খতীব ততবেশি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে। নাউযুবিল্লাহ!

ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে সূ’ ইমাম-খতীবরা ওইসব ফাসিক-ফুজ্জার মসজিদ কমিটির সদস্যদের তোয়াজ করতে যে কতবেশি পারঙ্গম তা আবারো প্রমাণিত হলো। সম্প্রতি ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক ‘চেয়ার-টেবিলে নামায পড়া বিদয়াত’ বিষয়ক সঠিক ফতওয়া প্রকাশের পর দেখা গেলো সারাদেশের সকল ওহাবী, খারিজী, দেওবন্দী ধর্মব্যবসায়ী ইমাম-খতীবরা একসাথে এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুললো। উলামায়ে সূ’রা চিন্তা করলো এই একটি ফতওয়াই তাদের সকলের জন্য চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার জন্য যথেষ্ট। কারণ তারা যে সকল কমিটির সদস্যদের তোয়াজ করে, রাজি-খুশি করে এতদিন ইমামতীর পদটি দখলে রেখেছে তারাইতো সবাই চেয়ার-টেবিলে নামায পড়ে। এখন যদি তারা এই ফতওয়াটি মেনে নেয় তাহলে তো সেটা কমিটির বিরুদ্ধে চলে যাবে। যে কারণে সারাদেশের সকল উলামায়ে সূ’রা একযোগে ফতওয়ার বিরুদ্ধে হৈ হৈ করে উঠলো। এমনকি খোদ ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন’ও সরকারি আমলাদের চাপের কারণে শেষ পর্যন্ত নিজেদের সঠিক ফতওয়াটি অস্বীকার করেছে। নাউযুবিল্লাহ!

এভাবে শুধু এক চেয়ার-টেবিলে নামায পড়া নয়; আরো অসংখ্য-অগণিত হারাম-বিদয়াত কাজের বিষয়েও উলামায়ে সূ’রা কোনো কথা বলে না শুধুমাত্র মসজিদ কমিটির সদস্যদের খুশি রাখতে। নাউযুবিল্লাহ!

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে