‘যে ধর্ম মানে না, দেশটা তারও’; তবে দেশটা তার রামরাজত্ব কায়েম করার ক্ষেত্র নয়।


সাবেক প্রধান বিচারক এবিএম খায়রুল হক বলেছে, “বাংলাদেশ সকলের জন্য। সকলের কথাই আমাদের শুনতে হবে। সকলে যে যার যার ধর্ম পালন করতে পারে। এমনকি যে ধর্ম মানেও না, দেশটি তারও। আল্লাহ কিন্তু তাকেও খাওয়াচ্ছেন, পরাচ্ছেন, প্রতিপালন করছেন- সে কথাগুলো আমাদের মনে রাখতে হবে।” (মানবজমিন, ১৮ অক্টোবর, ২০১৫ ঈসায়ী)
সাবেক প্রধান বিচারকের এ কথাগুলো সরল দৃষ্টিরেখায় ‘সুন্দর কথা’ মনে হলেও তা আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়। কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি কাফির-মুশরিকদের খাওয়াচ্ছেন, পরাচ্ছেন সত্য- কিন্তু তারচেয়েও বড় সত্য হচ্ছে- এসব খাওয়া-পড়ার কোনো মূল্যই সেই মহান প্রতিপালক উনার কাছে নেই। আর তাই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘দুনিয়ার মূল্য যদি একটি মশার পাখার সমানও হতো, তবে কাফিররা এক ঢোক পানিও পান করতে পারতো না।’ কেননা এসব কাফির-মুশরিকরা হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনাকে অস্বীকারকারী, উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারী। নাউযুবিল্লাহ! তারা জাহান্নামের ইন্ধন।
তবে সাবেক প্রধান বিচারকের এসব কথা দেশের ইসলামবিদ্বেষী মহলের ইসলামবিদ্বেষী কর্মকা-ের আস্ফালনের পালে হাওয়া দেবে -এতে কোনো সন্দেহ নেই। বাংলাদেশে মুসলমানদের চেতনায় এমন সরল মনোভাব বদ্ধমূল ছিলো বলেই বিজাতী অপশক্তি এতোটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠার সুযোগ পেয়েছে। বিশেষ করে মুশরিকরা এদেশে সুযোগ পেতে পেতে মুসলমানদের কাঁধে উঠে এখন গর্দান কাটার চেষ্টায় লিপ্ত। তারা দেশটাকে তাদের একার অধিকার মনে করছে, দেশে রামরাজত্ব চালাতে চাইছে। যুগ যুগ ধরে মুসলমানদের উদার দৃষ্টিভঙ্গি, কাফিরদের সাথে বন্ধুত্বতা অর্থাৎ শত্রুদের না চেনার কারণেই আজ মুসলমানরা তাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য সবকিছু হারাতে বসেছে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে