যে বা যারা কথিত ছোঁয়াচে রোগ নামক শিরকী বিশ্বাসে বিশ্বাসী হয়ে মুসলমানদেরকে মসজিদে যেতে নিরুৎসাহিত করছে, কাতারে ফাঁক ফাঁক করে দাঁড়াতে বলে, মুসল্লি সীমিত করতে বলে তাদের জন্য- পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অর্থ্যাৎ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক রয়েছে অত্যন্ত কঠিন শাস্তি


পবিত্র মসজিদে আসার ব্যাপারে বাধা প্রদান করা, নিষেধ করার বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার অত্যন্ত কঠিন সতর্কবাণী:

পবিত্র মসজিদে আসার ব্যাপারে যারা বাধা প্রদান করে, নিষেধকারীদের প্রসঙ্গে স্বয়ং মহান আল্লাহপাক রাব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ مَنَعَ مَسَاجِدَ اللَّهِ أَنْ يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُهُ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا أُولَئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ أَنْ يَدْخُلُوهَا إِلَّا خَائِفِينَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ وَلَهُمْ فِي الْآخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ
অর্থ: যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারক উচ্চারণ করতে, ইবাদত-বন্দেগী করতে পবিত্র মসজিদসমূহে আসতে বাধা প্রদান করে তথা নিষেধ করে এবং সেই পবিত্রতম মসজিদ সমূহকে উজাড় করতে চেষ্টা করে, তার চাইতে বড় যালেম তথা বড় কাফির আর কে আছে? এদের (পবিত্র মসজিদে আসতে বাধা প্রদানকারীদের) জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থা ব্যতিত পবিত্র মসজিদসমূহে প্রবেশ করার অধিকার নেই। ওদের জন্য রয়েছে দুনিয়াবী কঠিন লাঞ্ছনা তথা মহাগযব এবং পরকালে কঠিন আযাব বা শাস্তি। (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৪)
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে আরও ইরশাদ মুবারক করেন-
فِي بُيُوتٍ أَذِنَ اللَّـهُ أَن تُرْفَعَ وَيُذْكَرَ فِيهَا اسْمُهُ يُسَبِّحُ لَهُ فِيهَا بِالْغُدُوِّ وَالْآصَالِ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র ঘোষণা মুবারক দিয়েছেন যে, উনার পবিত্রতম ঘর তথা মহাপবিত্র মসজিদসমূহ নির্মাণ করার জন্য এবং উত্তমভাবে সকাল সন্ধ্যা তথা সবসময় ঐ সকল পবিত্র মসজিদ সমূহে মহান আল্লাহ পাক উনার নাম মুবারক উনার স্মরণ বা যিকির ফিকির, ইবাদত বন্দেগী এবং তাসবীহ-তাহলীল পাঠ করার জন্য।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা নূর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৬)

মহান আল্লাহ পাক উনার মসজিদসমূহ পবিত্র রহমত, বরকত, নাজাত ও যাবতীয় আযাব গযব থেকে নিরাপত্তা লাভের একমাত্র কেন্দ্রস্থল:

যেমন এ প্রসঙ্গে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَمَن دَخَلَهُ كَانَ آمِنًا
অর্থ: “আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার মহাপবিত্রতম ঘর বা পবিত্রতম মসজিদ উনার ভিতরে প্রবেশ করবে, সে সমস্ত কিছু থেকে নিরাপত্তা লাভ করবে ” (পবিত্র আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৯৭)
পবিত্রতম হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حضرت أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضى الله تعالى عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ابْنُوا الْمَسَاجِدَ .
অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারকসমূহ নির্মাণ করো।” সুবহানাল্লাহ! (মুছান্নাফে আবী শায়বাহ শরীফ ১/২৭৪, আস সুনানুল কুবরাহ লিল-বাইহাক্বী ২/৬১৫)
পবিত্রতম হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حضرت عَائِشَةَ عليها السلام قَالَتْ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِبِنَاءِ الْمَسَاجِدِ فِى الدُّورِ وَأَنْ تُنَظَّفَ وَتُطَيَّبَ.
অর্থ: “উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি (পবিত্রতম ইবাদত-বন্দেগী, যিকির-ফিকির, তাছবীহ-তাহলীল করার জন্য) বাড়িতে বাড়িতে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদ মুবারক নির্মাণ করার জন্য এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদসমূহ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও সুগন্ধিময় করে রাখার জন্য।” (আবূ দাউদ শরীফ, তিরমিযী শরীফ, ইবনে মাযাহ শরীফ, মুসনাদে আহমদ শরীফ ইত্যাদি)

পবিত্রতম হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ ابْنِ أَبِي الدَّرْدَاءِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ” الْمَسَاجِدُ بُيُوتُ اللهِ،
অর্থ: “হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মসজিদসমূহ হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ঘর মুবারক।” (শুয়াইবুল ঈমান শরীফ, ৪/৩৮০, জামিউল হাদীছ ২২/১৫৪, কানজুল উম্মাল ৭/৫৭৯)
পবিত্রতম হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
المسجد بيت الله والمدرسة بيتى
অর্থ: মহাপবিত্র মসজিদ মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্রতম ঘর এবং আর সম্মানিত মাদরাসা আমার মহাপবিত্রতম হুজরা শরীফ । সুবহানাল্লাহ!
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
خير الاماكن مساجدها
অর্থ: সর্বোত্তম মাকান বা স্থান মুবারক হলো মহাপবিত্র মসজিদসমূহ। সুবহানাল্লাহ!

পবিত্র মসজিদ থেকে বিরত থাকা তথা মসজিদে না আসা যদি কুফরী হয়, তাহলে মহাপবিত্র মসজিদে যেতে বাধা দিলে, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে, নিরুৎসাহিত করলে, তা কতবড় কুফরী হবে?

যেমন এ প্রসঙ্গে ‘পবিত্র ছহীহ সুনানে আবূ দাউদ শরীফ’ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-

عَنْ حضرت عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضي الله تعالى عنه قَالَ حَافِظُوا عَلَى هَؤُلاَءِ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسِ حَيْثُ يُنَادَى بِهِنَّ فَإِنَّهُنَّ مِنْ سُنَنِ الْهُدَى وَإِنَّ اللَّهَ شَرَعَ لِنَبِيِّهِ صلى الله عليه وسلم سُنَنَ الْهُدَى وَلَقَدْ رَأَيْتُنَا وَمَا يَتَخَلَّفُ عَنْهَا إِلاَّ مُنَافِقٌ بَيِّنُ النِّفَاقِ وَلَقَدْ رَأَيْتُنَا وَإِنَّ الرَّجُلَ لَيُهَادَى بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ حَتَّى يُقَامَ فِى الصَّفِّ وَمَا مِنْكُمْ مِنْ أَحَدٍ إِلاَّ وَلَهُ مَسْجِدٌ فِى بَيْتِهِ وَلَوْ صَلَّيْتُمْ فِى بُيُوتِكُمْ وَتَرَكْتُمْ مَسَاجِدَكُمْ تَرَكْتُمْ سُنَّةَ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم وَلَوْ تَرَكْتُمْ سُنَّةَ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم لَكَفَرْتُمْ.وفي رواية مسلم لضللتم.

অর্থ: ‘হযরত আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমরা সঠিকভাবে পবিত্র আযানের সাথে পবিত্রতম পাঁচ ওয়াক্ত ছলাতের প্রতি সবিশেষ নযর রাখবে। কেননা এই পবিত্রতম পাঁচ ওয়াক্ত ছলাতই হচ্ছে হিদায়াতের পথ। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য হিদায়াতের এ পথ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আমাদের (সাধারণ) ধারণা, স্পষ্ট মুনাফিক্ব ব্যতীত কেউ জামা’আত থেকে অনুপস্থিত থাকতে পারে না। আমরা তো আমাদের মধ্যে এমন লোকও দেখেছি, যারা (দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে) দু’জনের উপর ভর করে (পবিত্র মসজিদে) যেতেন এবং তাকে (সম্মানিত ছলাত উনার) কাতারে দাঁড় করিয়ে দেয়া হত। তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যার ঘরে তার পবিত্র মসজিদ (সম্মানিত ছলাত উনার স্থান) নেই। এতদ সত্ত্বেও তোমরা যদি পবিত্র মসজিদে আসা বন্ধ করে দিয়ে তোমাদের ঘরেই (পবিত্র ফরয) পবিত্র ছলাত আদায় কর, তাহলে তোমরা তোমাদের মহাসম্মানিত নবী যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সুন্নাত মুবারক উনাকেই বর্জন করলে। আর যদি তোমরা তোমাদের মহাসম্মানিত নবী যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সুন্নাত মুবারক পরিত্যাগ করো, তথা তোমরা যদি মহাপবিত্রতম মসজিদে আসা বন্ধ করো- তাহলে অবশ্যই অবশ্যই তোমরা সুস্পষ্ট কুফরী করলে, নাউজুবিল্লাহ! (আবূ দাউদ শরীফ) ‘ছহীহ মুসলিম শরীফ’ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে, মসজিদে আসা বন্ধ করলে ‘তোমরা অবশ্যই পথভ্রষ্ট হলে’ গোমরাহ হলে, ধ্বংস হলে। নাঊযুবিল্লাহ!

কাজেই যারা মহান আল্লাহ পাক উনার মহাপবিত্রতম ও মহাসম্মানিত ঘর- মসজিদ-মাদরাসা বন্ধ করে, বাধা দেয়, বন্ধের পাঁয়তারা করে, নিরুৎসাহিত করে, আসতে নিষেধ করে, কটূক্তি করে, জামায়াত নিষিদ্ধ করে, পবিত্র আযান পরিবর্তন করে তারা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার পবিত্রতম কালামুল্লাহ শরীফ উনাদের বিরোধিতা করে এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার পবিত্রতম হাদীছ শরীফ উনাদের বিরোধিতা করার কারণেই তারা কখনোই মুসলমানদের অন্তর্ভূক্ত থাকতে পারে না। তাদের ক্ষেত্রে শরীয়ত উনার ফায়সালা অনুযাযী মুরতাদের হুকুম বর্তাবে।

পবিত্রতম কালামুল্লাহ শরীফ ও পবিত্রতম হাদীছ শরীফ বিরোধিতাকারী-বিদ্বেষ পোষণকারীদের জন্য সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী মুরতাদের হুকুম:

সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়সালা হলো, কোন মুসলমান মুরতাদ হয়ে গেলে তার ঈমান বরবাদ হয়ে সে মুরতাদ ও চির জাহান্নামী হয়ে গেছে। সমস্ত আমল তথা নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত, কুরবানী ইত্যাদি সমস্ত নেক আমল বরবাদ হয়ে গেছে। বিবাহ করে থাকলে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে, অর্থাৎ তার স্ত্রী তালাক হয়ে গেছে। এই অবস্থায় ঘর-সংসার করলে তার উপর ব্যভিচারীর হুকুম বর্তাবে এবং এই অবস্থায় সন্তান হলে সেই সন্তান অবৈধ হবে। সে মারা গেলে তার গোসল, কাফন, দাফন, জানাযা সম্মানিত শরীয়ত মোতাবেক কোনটাই করা যাবে না এবং সম্মানিত মুসলমানদের কোন কবরের স্থানে তাকে দাফন করা যাবে না। তাকে কুকুর, শুকুর, শৃগালের মতো মাটিতে পুতে রাখতে হবে। যে বা যারা মুরতাদের গোসল, কাফন, দাফন ও জানাযা সম্মানিত শরীয়ত ভিত্তিক করবে সেও মুরতাদে পরিণত হবে। অর্থাৎ তারও উপর ঠিক অনুরোপ উপরোক্ত মুরতাদের হুকুম বর্তাবে। নাউজুবিল্লাহ!

অতএব, যারা সম্মানিত মুসলমান হিসাবে থাকতে চায়, তাহলে তাদের জন্য ফরযে আইন হচ্ছে ভাইরাসের অজুহাতে পবিত্র ও মহাসম্মানিত আল্লাহ পাক উনার ঘর মসজিদ যা রহমত, বরকত, সাকিনা, মাগফিরাত এবং যাবতীয় বালা মসীবত, রোগ শোক সবকিছু থেকে নিরাপদে থাকার একমাত্র পবিত্রতম স্থান। এই মহাপবিত্র স্থান মসজিদে আসার ব্যাপারে বিধি নিষেধ আরোপ করা থেকে বিরত থাকা। বাধা প্রধান থেকে বিরত থাকা। নিরুৎসাহিত করার যাবতীয় কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা এবং পবিত্র আযান, ইকামাত, পবিত্র জামায়াতে আসার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করা থেকে বিরত থাকা। পক্ষান্তরে প্রত্যেক ঘরে ঘরে পবিত্রতম মীলাদ শরীফ, কিয়াম শরীফ সার্বক্ষণিক জারী রাখা। পবিত্রতম কুরআন শরীফ তেলাওয়াত করা এবং পবিত্রতম মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামায যথারীতি জামায়াতের সাথে আদায় করা, যিকির ফিকির ইবাদত বন্দেগীতে মশগুল থাকা। কান্নাকাটি রোনাজারী করা। অন্যথায় তারাও কাফেরদের উপর আপতিত গযবের ন্যায় মহা গযবে পতিত হবে। নিশ্চিহ্ন হবে। এটা হচ্ছে দুনিয়াবী শাস্তি। আর পরকালে কঠিন শাস্তি অপেক্ষমান। নাউজুবিল্লাহ!

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে