যে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও খুব সূক্ষ্ম সেটা হল সম্মানিত ঈমান ।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন-“ঈমানদাররা ঈমান আনো, মু’মিনে কামিল হয়ে যাও তখনই তোমাদের জন্য কামিয়াবী। সময় কিন্তু কারো জন্য অপেক্ষা করে না, মৃত্যু যথাসময় হয়ে যাবে”।প্রত্যেকের জন্য মৃত্যু রয়েছে। যখন মৃত্যু এসে যাবে তখন এক সেকেন্ড আগেও হবে না এক সেকেন্ড পরেও হবে না। কাজেই সময় থাকতে তাওবা করে ইস্তিগফার করে নিজের ঈমান-আমল শুদ্ধ করে নিতে হবে। ঈমান যদি শুদ্ধ থাকে সে একসময় নাজাত পাবে আর মহান আল্লাহ পাক তিনি না করুন, ঈমান যদি শুদ্ধ না থাকে, হালালকে সে হালাল মনে না করে, সে কশ্মিনকালেও কিন্তু নাজাত পাবে না।

যে বিষয়টি  অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও খুব সূক্ষ্ম সেটা হল সম্মানিত ঈমান । এ বিষয় খুব ভাল করে বুঝতে হবে, জানতে হবে, ইলম অর্জন করতে হবে এরপর সে বিষয়ের উপর আমল করতে হবে, এবং আক্বীদা বিশুদ্ধ করতে হবে। যেহেতু মুসলমান উনাদের জন্য এই আক্বীদা বিশুদ্ধ করা ফরয। এর জন্য ইলম অর্জন করাটাও ফরয। কাজেই প্রত্যেক মু’মিন-মুসলমান, নর-নারীর জন্য আক্বীদা সংক্রান্ত ইলম যা রয়েছে সেটা ফরয পরিমাণ অবশ্যই তাকে হাছিল করতে হবে। এই ফরয ইলম অর্জন করার জন্য তাকে যতটুকু কোশেশ করা প্রয়োজন ঠিক ততটুকু কোশেশ করতে হবে। আর আক্বীদা বিশুদ্ধ না হলে জিন্দিগীর সমস্ত আমল ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক সেটা বরবাদ হয়ে যাবে। মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে সেটা কখনও গ্রহনযোগ্য হবে না।

অতএব,  মৃত্যু  আসার  পূর্বেই  আমাদের  আক্বীদা  বিশুদ্ধ  করতে  হবে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে