রমাদ্বান শরীফ উনার মর্জাদা সম্পর্কে একটি ঘটনা।


ucapan-menyambut-ramadhan

 

 

রমাদ্বান শরীফ একেবারেই আমাদের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে । তাই রমাদ্বান শরীফ নিয়ে আমার জানা অনেক আগের একটি ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

আরব দেশের এক এলাকায় একজন ইহুদী মহিলা বসবাস করত। সে মারা যাবার পর এক বুজুর্গ ব্যক্তি স্বপ্নে দেখেন যে মহিলাটি বেহেশতে বিচরণ করছে। সে ঈমান এনেছিল কিনা সেটা কেউ জানত না।

এটা দেখে সেই বুজুর্গ ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন, “হে মহিলা! তুমি কি করে জান্নাতে স্থান পেলে? কারণ জান্নাত তো কাফিরদের জন্য হারাম। তুমিতো জাহান্নামে যাওয়ার কথা।”

সে বলল, হুযূর ! একটা ঘটনা ঘটে গেছে, সেটা হয়ত আপনার জানা নেই।

কি ঘটনা? সে বলল, আমার মৃত্যুর পূর্বে যে রমজান মাস অতিবাহিত হয়েছিল, সেই রমজান মাসে আমি একবার বাজারে গেলাম কিছু কেনাকাটা করার জন্য। সাথে একটা বাচ্চা ছিল, তার বয়স ৩ থেকে ৪ বছর। তাকে কোলে করে নিয়ে কিছু রুটি বিস্কুট ক্রয় করে সে বাচ্চার কাছে রাখতে দিলাম। বাচ্চাটা রাস্তার মধ্যে প্রকাশ্যে খাওয়া শুরু করল। আমি তাকে একটা আঘাত বা থাপ্পড় দিয়ে বললাম হে ছেলে, তুমি যদিও বাচ্চা, আর যদিও আমরা মুসলমান নই তবুও এটা মুসলমানদের রমজান মাস, এটাকে সন্মান করতে হবে, তুমি খেওনা। আমি রুটি বিস্কুটগুলো কেড়ে নিলাম তার কাছ থেকে।

মহান আল্লাহ পাক এর বদৌলতে পরবর্তী সময়ে আমাকে মৃত্যুর পূর্বেই ইমান নসিব করেছিলেন। যারফলে আজকে আমি জাহান্নামে না গিয়ে জান্নাতে গিয়েছি। (সুবহানাল্লাহ!)

এখন চিন্তা করুন, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসকে সম্মান করার কারণে যদি একজন ইহুদী মহিলা জান্নাতি হন! তাহলে মুসলমানরা এই সম্মানিত মাসের হক্ব আদায় করলে কত মর্যাদা ও ফযিলত লাভ করতে পারবেন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে