রহমত পেতে হলে রহমতপ্রাপ্ত যাঁরা উনাদের নিকট যেতে হবে


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানায় গীবতের দুর্গন্ধ অনুভব করা যেত। কারণ তখন গীবতের অস্তিত্ব ছিল খুবই কম। কিন্তু এখন চারিদিকে এতো গীবতের ছড়াছড়ি যে মানুষ এতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। ফলে আলাদা করে এর দুর্গন্ধ অনুভূত হয় না। যেমন কোনো অনভ্যস্ত ব্যক্তি চামড়ার গুদামে গেলে, দুর্গন্ধের কারণে সেখানে কিছু সময়ও থাকতে পারে না; কিন্তু চামড়া ব্যবসায়ীরা দিব্যি চামড়ার উপরে বসে খাওয়া-দাওয়া করে!

ঠিক একইভাবে এখন, বেপর্দা বেহায়াপনা, ছবি মূর্তির কারণে, চারিদিকে এতোবেশি যহমত যে, মানুষ আলাদা করে তা অনুভব করেনা। লা’নতের মধ্যে থাকতে থাকতে তাতেই অভ্যস্ত হয়ে গেছে। কিন্তু লা’নতের মধ্যে থেকে নেককাজ করা অত্যন্ত কঠিন বিষয়। সুরতান নেককাজ করা হলেও দেখা যায় তা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শরীয়তসম্মত হয়না। ফলে নেককাজের সুফলও পাওয়া যায়না। অশান্তি, ফিতনা ফ্যাসাদ, দুশ্চিন্তা পেরেশানীতে মুসলমানগণ ডুবে থাকে, যা হবার কথা ছিল না।

কোনস্থানে রহমত আছে কি নেই, তা বোঝার উপায় কি? যদি সেখানে গিয়ে মানুষ নেককাজে মশগুল থাকতে পারেন, তাহলে তারা রহমতের মধ্যে আছেন। যেহেতু মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ব্যতীত কেউ নেককাজ করতে পারেনা। সুবহানাল্লাহ! রহমতপূর্ণ স্থান, রহমতপ্রাপ্ত ব্যক্তি সবসময় ইতমিনানের মধ্যে থাকেন। এটা এমন এক প্রশান্তি যার তুলনা অন্য কিছুর সাথে হয়না। যহমতপূর্ণ পরিবেশ থেকে কেউ এই পরিবেশে আসলে তবেই কেবল তা অনুভব করতে পারে।

রহমতপূর্ণ স্থান হল একজন হক্কানী অলীআল্লাহ উনার দরবার। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “নিশ্চয়ই আমার (খাছ) রহমত যারা মুহসীনিন (ওলীআল্লাহ) উনাদের নিকটে রয়েছে।” (সূরা আ’রাফ শরীফ: ৫৬) সুবহানাল্লাহ! কাজেই রহমত পেতে হলে, নেককাজে মশগুল থাকতে হলে একজন হক্কানী অলীআল্লাহ উনার মুবারক ছোহবতে যেতে হবে।

Views All Time
1
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে