রহমত, বরকত, সাকীনা এবং মাগফিরাতের খাযিনা নিয়ে আবারো আমাদের মাঝে ফিরে আসছে সাইয়্যিদুশ শুহূর মাহে রবীউল আউওয়াল শরীফ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে, “পবিত্র রমাদ্বান শরীফ আসলে উনার সম্মানার্থে রহমতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয় এবং অবিরত ধারায় রহমত বর্ষিত হতে থাকে।”
যদি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার সম্মানার্থে রহমতের দরজা খুলে দেয়া হয় এবং অবিরত ধারায় রহমত বর্ষিত হতে থাকে, তাহলে স্বয়ং যিনি রহমত, যেই মাসে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দুনিয়ার যমীনে তাশরীফ নিয়েছেন। যাঁর মুবারক শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি আপনাকে সমস্ত আলমের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি।”
সেই মাসের অবস্থা কিরূপ হবে? সেই মাসে কিভাবে রহমত বর্ষিত হবে? মূলত, এটা কোনো মানুষের পক্ষে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব হবে না। এটা জিন-ইনসানের, তামাম কায়িনাতের চিন্তা-ফিকিরের বাইরে। সুবহানাল্লাহ!
তাই আসুন আমরা সবাই এই পবিত্র মাস, সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার যথাযথ তা’যীম করে অশেষ রহমত, বরকত, সাকীনা এবং মাগফিরাত হাছিল করি, মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক রেযামন্দি মুবারক হাছিল করি। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে তাওফীক দান করুন। আমীন!

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে