রাজকীয় সউদী ওহাবী শাসক অবকাশ যাপনের জন্য বৃহত্তম মুসলিম দেশ হিসেবে সুপরিচিত ইন্দোনেশিয়ায় গমন করে।


তার সম্মানে ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ রাজধানী জাকার্তার রাস্তায় রাস্তায় স্থাপিত সকল প্রানীর মুর্তি ভাষ্কর্যগুলো লতাপাতা বিশিষ্ট গাছপালা বা কাপড় দিয়ে ঢেকে দেয়। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এই খবরের মধ্যে এও বলা হয়েছে, যেহেতু সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে সকল প্রকার প্রানীর মুর্তি ভাষ্কর্য বানানো নিষিদ্ধ !! সেজন্যই নাকি এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। কিন্তু খবরের শিরোনাম করেছে- বাদশাহর সম্মানে মুর্তি ঢাকা হয়েছে।

আফসুস দুনিয়াদার মুসলমান নামধারী শাসকগোষ্ঠির জন্য। আফসুস দুনিয়াদার মুসলমান নামধারী আলেম উলামা সমাজের জন্য । তাদের চোখের সামনে রাস্তাঘাটে, বিভিন্ন স্থাপনার সামনে এভাবে প্রানীর হারাম মুর্তি ভাস্কর্য বানানো হলো কিন্তু তারা একবারের জন্যও সেগুলোতে বাধা দেয়নি। প্রতিবাদ জানায়নি। প্রতিরোধ করেনি। তারা যদি সত্যিই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে সম্মান করতো, তারা যদি সত্যিই ইসলামী তাহযিব তামাদ্দুনকে পছন্দ করতো তবে তারা কখনোই দেশের কোথাও প্রানীর মুর্তি ভাস্কর্য স্থাপন করতে দিতো না। এছাড়া যখন দেখা গেলো, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে, উনার বিধি বিধান, আদেশ নিষেধকে সম্মান না দিয়ে মুর্তি ভাস্কর্য বানানো হলো আর দুনিয়াদার বাদশাহকে সম্মান করে সেসব মুর্তিকে ঢেকে রাখার তামাশা করা হলো তখন বিষয়টা কি দাড়ালো? তখন প্রমানিত হলো, এরা মুসলমান নামধারী শাসক হলেও, এদের আলেম উলামারা মুসলমান নামধারী হলেও আসলে এরা দুনিয়াদার বাদশাহকে তোয়াজকারী কাট্টা মুনাফিক বেঈমান। এদের কাছে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম এবং উনার বিধিবিধান এমনকি প্রকৃত দ্বীনদার ধর্মপ্রান মুসলমান উনারা কখনোই নিরাপদ নয়। নাউযুবিল্লাহ মিন জালিক!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে