রাজাকার।


৭১-এর কুখ্যাত ঘাতক এবিএম খালেক মজুমদার-১
আল ইহসান ডেস্ক:
*******************************************************
১৯৭১ ঈসায়ী সনে মওদুদীবাদী জামাতের ঢাকা মহানগরীর দফতর সম্পাদক ছিলো এবিএম খালেক মজুমদার। দলের আদর্শ অনুযায়ী সে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকী বাহিনীকে সাহায্য এবং নিজেও জামাতের হন্তারক বাহিনী আল-বাদরের কমান্ডারের দায়িত্ব গ্রহণ করে। তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণে মুক্তিযুদ্ধে ১৬ ডিসেম্বরের বিজয়ের আগ মুহূর্তে সুপরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবী হত্যাকা- সংঘটিত হয়।
স্বাধীনতার পর সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সারের ঘাতক হিসেবে তার সাজা হলেও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগে মুক্তি পায় খুনি-ঘাতক আ. খালেক মজুমদার। এর আগে প্রমাণিত অভিযোগ থাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময় ঘোষিত সাধারণ ক্ষমার আওতায়ও সে পড়েনি। যদিও আ. খালেক মজুমদার ‘শিকল পরা দিনগুলো’ নামে একটি বই লিখে স্বীকার করে যে, জামাতের আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য অন্য জামাত নেতার মতো তাকেও গণহত্যা, নারী সম্ভ্রমহরণ, লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদিতে অংশগ্রহণ করতে হয়েছে।
স্বাধীনতার ৪০ বছরেও আ. খালেক মজুমদার রয়ে গেছে আইনের ধরাছোঁয়ার বাইরে। ২০১০ সালের মার্চ মাসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হলেও বিচারের তালিকায় নেই আ. খালেক মজুমদারের নাম। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জামাতের সঙ্গেও তার প্রত্যক্ষ যোগাযোগ নেই। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর সে অনেকটাই নিষ্ক্রিয়।
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে