রাজারবাগ দরবার শরীফ থেকে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার স্বার্থে পরিচালিত কার্যক্রমের কিছু নমুনা


সাম্রাজ্যবাদীরা গণতন্ত্রের মত এক অর্থহীন- অচল- অকার্যকর পদ্ধতি বিশ্বে চাপিয়ে দিয়ে এবং তার মাধ্যমে নিজেদের সুবিধা আদায়ে সহায়ক শাসক শ্রেণী বসিয়ে বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। এইসব শাসক শ্রেণী কেবল ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য সাম্রাজ্যবাদীদের সুবিধাটুকুই দেখে প্রকারান্তরে বঞ্চিত থাকে আপামর জনগোষ্ঠী। এতদিন যাবত এই তথাকথিত গণতন্ত্র মানুষকে শিখিয়েছে “বিচার ব্যবস্থা” হচ্ছে স্বাধীন এবং সেখানে সুবিধা বঞ্চিত মানুষ তার ন্যায্য হক আদায় করতে সক্ষম হবে। যদিও এটা ছিল গণতন্ত্রীদের ফাঁকা বুলী বরং বাস্তবে দেখা যাচ্ছে এই বিচার ব্যবস্থাও মূলত শাসক শ্রেণী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আর বর্তমানে সাম্রাজ্যবাদীরা দখল নিয়েছে এই বিচার ব্যবস্থার উপর। যে দেশে তাদের অনুগত শাসক না থাকে সেখানে তাদের মতাদর্শের বিচারক বসিয়ে নিয়ন্ত্রণ করে নিচ্ছে আর্থসামাজিক, দ্বীনি ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড- এবং অনেকটা জোর করেই মানুষকে ইসলাম থেকে, ধর্মীয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্রাজ্যবাদীদের অনুগত বিচারক শ্রেণীদ্বারা বাংলাদেশের শিক্ষালয় থেকে পর্দা উঠিয়ে দেয়া, সংবিধান থেকে রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম তুলে দেয়া, হাইকোর্ট প্রাঙ্গনে মূর্তি বসানোর মত সাহস দেখিয়েছিল কিন্তু সেখানে তারা সফল হতে পারেনি। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দেবার লক্ষ্যে এই সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সাম্রাজ্যবাদীরা আদালতকে ব্যবহার করছে যার প্রমাণ এখন অনেক দেশে রয়েছে।
বর্তমান সময়ের যিনি সম্মানিত মুজাদ্দিদ, হযরত মুজাদ্দিদে আযম আলাইহিস সালাম তিনি কাফির-মুশরিক এবং সাম্রাজ্যবাদীদের এইসব অপকৌশল সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে অবগত। তিনি এই বাংলাদেশের আদালতে চাপিয়ে দেয়া বৃটিশ বেনিয়াদের রচিত মনগড়া আইনের ফাঁকফোকর জেনে তাদের তৈরি অস্ত্র প্রয়োগ করেই এদের প্রতিহত করার জন্য শুরু করেন “আইনী প্রক্রিয়া কার্যক্রম”। এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মুসলমানদের আকিদা বিশুদ্ধ করে ঈমান হিফাজত করা। আইনী কার্যক্রম ও বিচার প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত মানুষদের সম্মানিত শরীয়ত সম্পর্কে নেই স্পষ্ট ধারণা আবার যাদের ছিটেফোঁটা যাও আছে সাম্রাজ্যবাদীদের প্রভাব বলয় থেকে বেরিয়ে এসে তারা সঠিক ইসলাম উনাকে উপস্থাপন করতে ভয় পায় ফলে এরই ফাঁক দিয়ে তারা সাধারণ মুসলমানদের ঈমান হরণ করে নিয়ে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ। সে কারণেই হযরত মুজাদ্দিদে আযম আলাইহিস সালাম তিনি এই “আইনী প্রক্রিয়া কার্যক্রম” চালু করেন। সুবহানাল্লাহ! এই প্রক্রিয়াটি যেমনি ব্যয়বহুল তেমনি কষ্টসাধ্য। কেননা সম্পূর্ণ বিপরীত স্রোতে হেঁটে এখানে কার্যক্রম চালানোর জন্য যেমনি প্রয়োজন ছিল দক্ষ এবং ইসলাম উনার অনুশাসন উপলব্ধিকারী আইনজীবী তেমনি প্রয়োজন ছিল কার্যক্রম সঞ্চালনের জন্য লোকবল। কিন্তু যেহেতু হযরত মুজাদিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি পরিপূর্ণভাবে আল্লাহপাক এবং উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ফলে মহান আল্লাহপাক উনার কুদরত মুবারকের দ্বারা সকল অসাধ্য কাজও সম্পূর্ণ করিয়ে নিচ্ছেন। আপনাদের উপলব্ধির স্বার্থে এখানে বিশেষ কিছু আইনী কার্যক্রমের তালিকা প্রকাশ করা হল। এখান থেকে অনেক বিষয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে সফলতা অর্জিত হয়েছে এবং অন্য অনেক বিষয়ে কার্যক্রম বর্তমানে চলছে।
১) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান মুবারক উনার খিলাফ অনলাইনে ব্যঙ্গ চিত্রসহ কটুক্তি করা বিষয়গুলো বন্ধ করা। এ বিষয়ে উচ্চ আদালত থেকে রুল জারী করানো হয়।
২) পোপের আগমনের কারণে ১২ই শরীফ পালন করতে ডিএমপি’ ঢাকা শহরে সর্ব প্রকার অনুষ্ঠান নিষেধ করলে তাদের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট থেকে অর্ডার নিয়ে যথাযথ ভাবমর্যাদার সাথে কোটি কোটি কণ্ঠে পবিত্র মীলাদ শরীফ উদযাপন করা ও সারা ঢাকা শহর প্রদক্ষিন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ১২ই শরীফ উৎযাপন করা হয়।
৩) সংবিধান থেকে রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র বন্ধ করা অর্থাৎ উচ্চ আদালতে (হাইকোর্ট ও আপীল বিভাগ) উভয় স্থানেই এই বিষয়ে দুইটি রিট করে তা বহাল রাখা হয়।
৪) হাইকোর্টের সামনে মূর্তি স্থাপনের বিরুদ্ধে রিট করা হয়, যারফলে পরবর্তিতে প্রধান ভবন থেকে থেমিসের সেই মূর্তি সংযুক্ত ভবনে স্থানান্তর করা হয়।
৫) স্কুল কলেজে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অমঙ্গল শোভাযাত্রা বন্ধ করার জন্য হাইকোর্টে রিট ফাইল দাখিল করে শুনানী করলে পরবর্তী বৎসরে সরকার স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের অমঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা থেকে বিরত থাকে।
৬) হিন্দুদের গণশ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হলে উচ্চ পর্যায়ের প্রসাশনের হস্তক্ষেপে তাদের ষড়যন্ত্রমূলক অনুষ্ঠানটি বন্ধ করতে বাধ্য হয়।
৭) ভারতীয় টিভি চ্যানেল স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করতে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট করা হয়, যা বর্তমানে আপিল বিভাগে শুনানীর অপেক্ষায় রয়েছে।
৮) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান মুবারক উনার খিলাফ বলার কারনে নাস্তিক শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
৯) হিন্দুদের পূজার সময় নদীতে মূর্তি ডুবানোর বিরুদ্ধে রিট আবেদন করা হয়।
১০) যারা রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম বাতিল করতে চেয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
১১) ঘরে টেলিভিশন না থাকলে এবং মহিলারা ঘর থেকে বাহিরে কম আসলে বুঝতে হবে তাদের মধ্যে সন্ত্রাসী প্রবণতা থাকতে পারে, নাউযুবিল্লাহ! পুলিশের আইজিপির এ বক্তব্যের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হলে পরে সে এজন্য ক্ষমা চেয়ে দুঃখ প্রকাশ করে এবং পরবর্তীতে বলে, মাদরাসায় নয় বরং স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সন্ত্রাসী হওয়ার প্রবণতা বেশি লক্ষ্যনীয়।
১২) নাস্তিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে সিলেবাস করার বিষয়ে যে রিট হয়েছিল সেখানে সেই রিটে অন্তর্ভূক্ত হয়ে ফাইল করা হয়, পরবর্তীতে এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে তারা আর কোন শুনানী করেনি।
১৩) উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান মুবারকের খিলাফ অবমাননাকর বিষয় বস-২ নামক চলচিত্রে উপস্থাপন করায় জাজ মাল্টিমিডিয়াকে নোটিশ পাঠানো হয়।
১৪) ২০১৭ সালে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে পবিত্র কুরবানী করা বাধ্যতামূলক করা হলে, এ বিষয়ে নোটিশ পাঠানো হয়। ফলে পরবর্তী বৎসর থেকে সরকার এ সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকে।
১৫) পবিত্র মীলাদ শরীফ-পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ নিয়ে চু-চেরা করার কারণে আহমক শফীকে নোটিশ পাঠানো হয়।
১৬) পবিত্র রমাদ্বান শরীফে যেসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরীক্ষা ও ক্লাস চালু রাখা হয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে নোটিশ পাঠানো হয়।
১৭) বিবস্ত্রকে উৎসাহিত করে নাস্তিক তসলিমা নাসরিনের লেখা ছাপানোয় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে নোটিশ পাঠানো হলে তার জন্য তারা ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং ভবিষ্যতে এ জাতীয় কাজ করা থেকে বিরত থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয়।
১৮) পবিত্র কুরবানী উনার পশুকে নিয়ে ব্যঙ্গ করায় প্রথম আলোকে নোটিশ পাঠানো হলে তারা ভবিষ্যতে এ জাতিয় কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মামলা হওয়া থেকে পার পায়।
২০) পবিত্র কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ উনাদের অশ্লীল উল্লেখ করে লেখা ছাপানোয় দৈনিক ভোরের কাগজকে প্রথমে নোটিশ পরে মামলা করা হয়। যা বর্তমানে জজকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।
২১) মূর্তির বিপক্ষ অবলম্বনকারীদের গালি দেয়ায় নাস্তিক এম.পি. বাদলকে নোটিশ পাঠানো হয়।
২২) ‘বাংলাদেশে হিন্দি ভাষার ভবিষ্যৎ উজ্জল’ বলায় ভারতের হাই কমিশনারকে নোটিশ পাঠানো হলে তার অফিসিয়াল ওয়েব সাইটে দুঃখ প্রকাশ করে এবং বক্তব্যের ভিডিও মুছে দিয়ে তা প্রত্যাহার করে নেয়।
২৩) ‘বিবস্ত্র নারীর চিত্র রুপ সমাজের লিঙ্গ বৈষম্য দূর হওয়ার প্রেরণা হতে পারে’ এমন অশ্লিল বক্তব্য গণমাধ্যমে দেয়ার কারনে তথ্য মন্ত্রী ইনুকে তিনবার নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
২৪) উচ্চ স্বরে গান-বাজনা বন্ধে সারা বাংলাদেশের মহানগর পুলিশকে নোটিশ পাঠানো হলে তারা সারা দেশে উচ্চ স্বরে গান-বাজনা নিষিদ্ধ করে। এ বিষয়ে প্রেস কনফারেন্স করে মিডিয়া বিশেষভাবে জানানো হয়।
২৫) কথিত বিশ্ব ভালবাসা দিবস উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চরম বেপর্দা বেহায়াপনা বিস্তারে ‘কাছে আসার রিক্সা’ ক্যাম্পেইন বন্ধে ইউনিলিভারকে নোটিশ পাঠানো হলে তারা ক্যাম্পেইনটি বন্ধ করতে বাধ্য হয়।
২৬) “দেখিয়ে দাও অদেখা তোমায়” নামক সুন্দরী প্রতিযোগীতা বন্ধে লাক্স-চ্যানেল আইকে সারা দেশ থেকে প্রায় ২০টি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
২৭) মাদরাসায় অমঙ্গল যাত্রা করার অভিযোগে ২৮টি মাদরাসার প্রশাসনকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
২৮) “পাকিস্তান পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশ থেকে পূর্ব ভারতের রাজ্য আসামে অনুপ্রবেশ ঘটাচ্ছে” ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াতের এমন মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়ে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনে স্বারকলিপি পাঠানো হয়।
২৯) “আগামী ২০ বছরের মধ্যে দুই বাংলা এক হয়ে যাবে” ভারতের খাদ্য মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের দেয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানিয়ে ভারতের হাইকমিশনে স্বারকলিপি পাঠানো হয়।
৩০) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করায় ভারতে প্রোক্টর এন্ড গেম্বল কোম্পানীর পেমপার্সে বিরুদ্ধে শক্ত ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের হাইকমিশনে স্বারকলিপি পাঠানো হয়েছে।
৩১) মাদরাসায় বাধ্যতামূলক জাতীয় সংগীত পাঠ করা বন্ধ করতে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।
৩২) সরকার ভূমি অধিগ্রহণ আইনের মাধ্যমে মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা এবং পবিত্র মসজিদ উনার জমি অধিগ্রহণ করে নেয়া বন্ধ করতে হাইকোর্টে রিট করা হলে উচ্চ আদালত এ বিষয়ে রুল দিয়েছে।
৩৩) ১৯৭২ সালের পতাকা আইন লঙ্ঘন করে যত্রতত্র বিদেশি পতাকা উত্তোলন প্রশ্নে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করানো হয়েছে হাইকোর্ট থেকে এছাড়া পতাকা আইন ও রুলস অনুযায়ী জাতীয় পতাকা ও বিদেশি পতাকা উত্তোলনের নিয়মাবলি জনস্বার্থে প্রচার করার জন্য কেন নির্দেশনা দেয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।
৩৪) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকের খিলাফ লেখা ছাপানোর জন্য নাস্তিক তসলিমা নাসরিনসহ ওমেন চ্যাপ্টারের তিন জন সংবাদিকের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

Views All Time
12
Views Today
34
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+