রাশিয়ায় হিন্দুদের গীতা নিষিদ্ধ ঘোষণায় প্রতিবাদ মুখর হিন্দুদের খাছ দালাল ভারতীয় দেওবন্দীরা রাশিয়ায় পবিত্র কুরআন নিষিদ্ধ ঘোষণার পর কেন মুখে কুলুপ এটে বসে আছে?


২০১১ সালে রাশিয়ান সরকার নাপাক গীতা নিষিদ্ধ করলে হিন্দুদের খাছ দালাল দেওবন্দীরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছিল। তাদের এই ধরণের হিন্দুপ্রীতি আচরণ আরো অনেক বার প্রকাশ পেয়েছে। ভারতের দেওবন্দ মাদরাসার ১৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ৩০তম মাহফিলে যবন হিন্দুদের ইয়োগা গুরু রামদেব উপস্থিত হয়ে গীতা পাঠ করে শোনায়। আর রামদেবের সাথে সাথে দেওবন্দী মাওলানারা ও ছাত্ররা গীতা পাঠ করে এবং যোগ ব্যায়াম করে। (নাউযুবিল্লাহ) গত ২০০৯ সালে হিন্দুদের খাছ দালাল ভারতীয় দেওবন্দীরা ফতোয়া দেয় যে, “দেওবন্দী ও হিন্দুরা ভাই ভাই।” (নাউযুবিল্লাহ) তারা আরো ফতোয়া দিয়েছিল যে, “হিন্দুদের কাফির বলা যাবে না।” (নাউযুবিল্লাহ) ২০১১ সালে কাট্টা মুসলিম বিদ্বেষী, যবন, নরপিচাশ নরেন্দ্র মোদির পক্ষ অবলম্বন করে বলেছিল, “২০০২ সালে সংঘটিত গুজরাট দাঙ্গার কথা মুসলমানদের ভুলে যাওয়া উচিত এবং গুজরাটে মুসলমানরা কোনো ধরনের বৈষম্যের শিকার হচ্ছে না।” তারা ২০১১ সালে আরো ফতোয়া দিয়েছিল যে, “মুসলমানদের গরু কুরবানী দেয়া উচিত নয়; কারণ গরু হিন্দুদের দেবতা।” (নাউযুবিল্লাহ) তারা ২০১০ সালে যবন হিন্দু কর্তৃক বাবরী মসজিদ ভাঙা সংক্রান্ত মামলার রায় ঘোষণা হওয়ার আগেই ঘোষণা দেয় যে, “এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায় সকল মুসলমানদের শ্রদ্ধার সাথে মানা উচিত ।” সম্প্রতি ভারতে মধ্যপ্রদেশের মাদরাসাগুলোতে যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য হিন্দুদের নাপাক গ্রন্থ গীতা বাধ্যতামূলকভাবে পড়ানোর কুফরী আদেশ জারির কোনো প্রতিবাদ তারা করেনি। অন্যদিকে রাশিয়ায় পবিত্র কুরআন নিষিদ্ধের ঘোষণায় নিরবতা পালন করছে। সম্প্রতি রাশিয়ার একটি আদালত পবিত্র কুরআন শরীফ উনাকে ‘চরমপন্থী’ হিসেবে ঘোষণা করে রুশ ভাষায় অনুবাদকে নিষিদ্ধ করেছে । শুধু তাই নয়, অনুবাদকৃত কপিসমূহ ধ্বংস করারও আদেশ দিয়েছে (নাউযুবিল্লাহ)। অথচ পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অবমাননার ঘটনায় দেওবন্দীরা কোনো প্রতিবাদ-নিন্দা তো দূরে থাক, সামান্য কোনো প্রতিক্রিয়াও ব্যক্ত করেনি । তাহলে দেখা যাচ্ছে, পবিত্র কুরআন শরীফ অবমাননায় তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে না। কিন্তু হিন্দুদের নাপাক গীতার অবমাননায় তাদের অনুভূতিতে ঠিকই আঘাত লাগে এবং তীব্র প্রতিবাদ করে। দেওবন্দীরা হিন্দুপদলেহী আচরণ এবং কুফরী আক্বীদার কারণে কাদিয়ানী-বাহাইদের মত লেবাছী মুসলমান থাকলেও প্রকৃতপক্ষে কাফির হয়ে গেছে।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+