রাষ্ট্রধর্ম থেকে ইসলাম তুলে দিলে কি হতে পারে? তুরস্কের কামাল পাশা কি করেছিলো? ইতিহাস থেকে শিক্ষা


অনেকেই হয়ত এখন বুঝতে পারছেন না, সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম তুলে দেওয়া হলে কি পরিণতি ঘটতে পারে বাংলাদেশের। এ বিষয়টি বুঝতে হলে আপনাকে তুরষ্কের ইতিহাস সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। তুরষ্কে আগে ইসলামী খিলাফত ব্যবস্থা। তবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর সেটা তুলে দেওয়া হয়। সে সময় কামাল আতাতুর্ক তুর্কী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে, এবং ইসলামের বদলে একটি সেক্যুলার সিস্টেম চালু করে। কামাল আতাতুর্ক ১৯২৮ সালের ১০ এপ্রিল তুর্কী সংবিধান হতে ধর্ম সংক্রান্ত সব কথাই বাদ দিয়ে দেয়। ফলে ইসলাম আর তুরস্কের রাষ্ট্রধর্ম থাকে না। প্রতিষ্ঠা হয় ধর্ম নিরপেক্ষ তুরষ্কের।

পশ্চিমা বিশ্বে মোস্তফা কামাল পাশাকে তুরস্কের জাতীয় নেতা বলে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু প্রকৃত ইতিহাস কী বলে? তা বোঝার জন্য তিনি কিভাবে তিনি ইসলামবিদ্বেষী ও ইসলামবিরোধী কর্মকান্ডসমুহ বাস্তবায়ন করেছিলেন তার বিবরণ দেয়া হল-

১.১৯২৪ সালে কামাল পাশা ওয়াকফ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ইমাম, মুযাজ্জিন ও আলেমদের অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত করেন ।

২. ১৯২৫ সালে বিদ্যালয় হতে কুরআন ও ধর্মশিক্ষা দেওয়া বন্ধ করে দেন । ফলে ছেলেমেয়েদের ইসলাম শেখানোর ভার অভিভাবকদের উপর পড়ল। অভিভাবকরা কতটুকু আর ইসলামী জ্ঞান ছেলেমেয়েদের দিতে পারেন –বলাই বাহুল্য ।

৩. কামালের মতে, প্রত্যেক আলেম ও দরবেশই নতুন শাসনতন্ত্রের শত্রু। আলেম ও দরবেশদের কর্মক্ষেত্র ষড়যন্ত্র ও কুসংস্কারের বিকাশ ক্ষেত্র ।

এজন্য তিনি ১৯২৪ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর সব তেক্কা (মাজার ও কবর) ও তুর্বা (খানকা) বন্ধ এবং দরবেশ প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করেন ।

শায়েখ, দরবেশ প্রভৃতি উপাধি ও তাদের রীতিনীতি গ্রহণ, এমনকি তাদের বিশেষ পোশাক পরিধানও দন্ডনীয় বলে ঘোষনা করেন ।

এখনও তুরস্কের মসজিদে হুজুররা প্রচলিত সুন্নতি লেবাস পড়ে নামাজ পড়ান না । তারা কোর্ট প্যান্ট পড়ে নামাজ পড়ান ।

৪. হিজরী ক্যালেন্ডার তার কাছে অগ্রহণযোগ্য ছিল । এজন্য তিনি ১৯২৫ সালের ২৬শে ডিসেম্বর তারা হিজরী সনের পরিবর্তে ইংরেজদের তৈরী করা ক্যালেন্ডার (গেগ্রিয়ান ক্যালেন্ডার) চালু করেন । এর ফলে মুসলিম জগতের সাথে তুরস্কের দৃঢ়বন্ধন ছিন্ন হয়ে গেল।

৫. ইসলামে মূর্তি অগ্রহণযোগ্য । তারপরও ১৯২৬ সালের ৩রা অক্টোবর ইস্তাম্বুলে কামালের মর্মর পাথরের তৈরী মূর্তি স্হাপন করা হলো। তুরস্কে এ দৃশ্য সর্বপ্রথম।

১৯২৬সালের ৪ঠা নভেম্বর আঙ্কারার যাদুঘরের সম্মুখে আরও একটি মূর্তি স্থাপিত হলো। এভাবে তুরস্কের সর্বত্র তার মুর্তি স্হাপন করা হলো ।

এখন তুরস্কে প্রায় স্কুলে তার মুর্তি ও ছবি সাভাবিক ব্যাপার । ছাত্র-ছাত্রীদের তার ছবি আঁকা বা মুর্তি বানানো পাঠ্যসুচীর অংশ ।(বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মুর্তিকে ভাস্কর্য বলা হয় )

৬. পারিবারিক আইনই ছিল ইসলামী আইনের সর্বশেষ ধ্বংসাবশেষ। নতুন দেওয়ানী আইন প্রবর্তিত হওয়ায় তাও বাতিল হয়ে গেল।(বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নারী নীতিমালা)

৭. রার্ষ্ট্রকে সম্পূর্ণভাবে ধর্মহীন করার পথে আর দুটি বাধা ছিল। ১৯২৮ সাল পর্যন্ত ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম বলে স্বীকৃত ছিল এবং একটি আলাদা ধর্মীয় বিভাগের অস্তিত্ব ছিল। ( বাংলাদেশের ইসলামী ফাউন্ডেশনের মতো প্রতিষ্ঠান )

১৯২৮ সালের ১০ এপ্রিল সংবিধান হতে ধর্ম সংক্রান্ত সব কথাই বাদ দেয়া হলো। এর ফলে ইসলাম আর তুরস্কের রাষ্ট্রধর্ম রইল না। (যেমন : বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্হা ও বিশ্বাস, মুসলিম বিশ্বের সাথে সম্পর্ক জোড়দার করার অনুচ্ছে, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম এবং বিসমিল্লাহ )

পূর্বে সংসদ সদস্যরা আল্লাহর নামে শপথ নিতো । এখন হতে নিতে আরম্ভ করলেন আত্মসম্মানের নামে।

৮. প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নারী- পুরুষ ইচ্ছানুযায়ী ধর্ম পরিবর্তন করার অধিকার ও বিয়ে করার সুযোগ পেল। (যেমন : বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আন্তধর্ম বিয়ে)

৯. ১৯২৮ সালের ৩রা অক্টোবর আরবীর অক্ষরের বদলে ল্যাটিন বর্ণমালায় (ইংরেজী বর্ণমালা ল্যাটিন বর্ণমালায় লেখায় হয়) তুর্কি ভাষা লেখার চালু করা হলো । অনেক আগের থেকেই তুর্কি ভাষা আরবী অক্ষর ব্যবহার করে লেখা হতো ।

এই নিয়ম গৃহীত হওয়ায় মুসলিম বিশ্বের সাথে তুরস্কের আর একটি প্রধান বন্ধন মুছে গেল।

১০.১৯৩৪ সালের ২৬শে নভেম্বর একটি আইনের মাধ্যমে সব তুর্কি নাগরিককে আহমদ, মুস্তফা প্রভৃতি আরবী নাম রাখা নিষিদ্ধ হলো ও যাদের এধরনের নাম ছিল তা বাদ দিয়ে প্রাচীন তুর্ক নাম গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হলো এবং বে, আগা, পাশা, হানুম, এফেন্দি প্রভৃতি আরবী-ফারসী পদবি ও উপাধি বাতিল করা হলো।

এই আইন অনুযায়ী প্রত্যেক তুর্কি পুরুষের পদবি হলো এখন হতে রায় ও বিবাহিতা-অবিবাহিতা নির্বিশেষে প্রত্যেক মহিলার বায়ান ।

কামাল নিজেও মুস্তফা নাম ও গাজী উপাধি ত্যাগ করে আতাতুর্ক (তুর্কদের জনক) ও ইসমত ইনোন (ইনোনুর যুদ্ধ জয়ী) উপাধি গ্রহণ করলো। ২৪শে নভেম্বর মহাসভার এক অধিবেশনে কামাল এই নতুন উপাধিতে ভূষিত হলেন । ( বাংলাদেশে ১৯৯৮ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নামের আগে মোহাম্মদ এবং তাদের বাবার নামের আগে মোহাম্মদ লেখার প্রতি নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিলো এবং তা বাস্তবে রূপ লাভও করেছিল )

১১.১৯২৫ সালের ২৫শে নভেম্বর ফেজ ও পাগড়িকে জাতীয় পোশাক হিসেবে বাতিল করা হয় এবং হ্যাটসহ ইউরোপীয় পোশাক পরিধান বাধ্যতামূলক করে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে গ্রহণ করা হয়।

ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী সালাম দেওয়াও নিষিদ্ধ করা হয় । এর পরিবর্তে সুপ্রভাত (Good Morning) বিদায় (Good Bye) ও হ্যান্ডশেক রেওয়াজ প্রবর্তিত হলো।

১৯৩৫ সালে মসজিদের বাইরে ইমাম-মুফতীদের পাগড়ি ও জুব্বা পরা নিষিদ্ধ হয়ে গেল। শুধু ইমামতি করার সময়ই ধর্মীয় পোশাক পরার অনুমতি মিলল। কামাল বলল, “পায়ে জুতা, উপরে প্যান্ট, ওয়েস্ট কোট, শার্ট, টাই, কোট এবং সর্বোপরি এদের সাথে মিলিয়ে রৌদ্র প্রতিরোধক হ্যাট তা হবে আমাদের জাতীয় পোশাক।

আরবীর পরিবর্তে তুর্কী ভাষায় নামায পড়তে বাধ্য করা হলো এবং তুর্কি ভাষায় আযান দিতে মুয়াজ্জিনদের বাধ্য করা হলো । তুর্কি ভাষায় আযান দেওয়ার সময় প্রথমে বলা হতো : তানরি উলমুদ তানরি উলমুদ (এর বাংলা হলো সৃষ্টিকর্তা মহান সৃষ্টিকর্তা মহান । মূলত তা আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার এর বদলে তা বলা হতো)।

১২.১৯৩৫ সালে লুকিয়ে থাকা মক্তব-মাদ্রাসা সরকারের আদেশে বন্ধ করে দেওয়া হয় ও ধর্ম শিক্ষা দান বন্ধ হওয়ায় কাঙ্খিত ধর্মনিরোপেক্ষ শিক্ষা বিপ্লব সম্পূর্ণ হলো। ইস্তাম্বুল শহরেই ৬০০ মসজিদ ভিত্তিক বিদ্যালয় তথা মক্তব ছিল; আজ তার একটিরও অস্তিত্ব নেই।
একনজরে তার কর্মকান্ডগুলো হলো :

কামাল ও তার কর্মী বাহিনী তুরস্ক হতে মেয়েদের ইসলামী নীতিমালা নির্ভর পোষাক নিষিদ্ধ করে মেয়েদের সংক্ষিপ্ত পোষাক পড়তে বাধ্য করে, মাযার-খানকা ভেঙ্গে দেয়, আলেম ও দরবেশদেরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা, হিজরী সন উঠিয়ে দেয়া, এমনকি মুস্তফা, আহমদ প্রভৃতি আরবী শব্দ উঠিয়ে দেয়া, আরবী বর্ণমালা উঠিয়ে দিয়ে ল্যাটিন বর্ণমালা চালু করা, আরবীর পরিবর্তে তুর্কী ভাষায় নামায পড়তে বাধ্য করা, ইসলামকে তুরস্কের রাষ্ট্রধর্ম হতে বাদ দেয়া, মসজিদের বাইরে ইমাম-মুফতীদের পাগড়ি, জুব্বা পরিধান নিষিদ্ধ হওয়া, পক্ষান্তরে ইউরোপীয় পোশাক যথা স্যুট, কোট, টাই পরিধানের আইন প্রণয়ন করা এবং আইন ভঙ্গকারীদের জন্য তথাকথিত বিপ্লবী আদালতের মাধ্যমে কারাগারে নিক্ষেপ, ফাঁসি কাষ্ঠে ঝুলানো, সালাম উঠিয়ে তার পরিবর্তে গুডমর্নিং ও হাই এবং হ্যান্ডশেক ইত্যাদি ইউরোপীয় কালচার প্রচলন করা সব কামালের কীর্তি।

তুরস্কে সর্বশেষ খলীফা ছিলেন সুলতান ষষ্ঠ মুহাম্মদ ।তিন ছিলেন ইসলামবিদ্বেষী ।১৯২২ সালে ল্যুসেনে অনুষ্ঠিত সভায় ষষ্ঠ মুহাম্মদের উপস্থিতিতে খিলাফত উচ্ছেদের একটি সুযোগ আসে । জাতীয় পরিষদে বিনা অনুমতিতে তিনি উপস্থিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় এবং ১৯২২ ঈসায়ীর ১লা নভেম্বর খিলাফত উচ্ছেদ বিল জাতীয় পরিষদ প্রণয়ন করে। এর ফলে খিলাফত রহিত হয় এবং সুলতান লন্ডনে আশ্রয় গ্রহণ করে।

খিলাফত রহিতের সিদ্ধান্তে বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিবাদ করে খিলাফত আন্দোলন গড়ে তুলে । ভারতবর্ষেও আগা খান, সৈয়দ আমীর আলী, মোহাম্মদ আলী ও শওকত আলী খিলাফত বজায় রাখার পক্ষপাতি ছিলেন । এমনকি অনেকে শেষ উপায় খিলাফত উচ্ছেদ না করে কামালকেই খলীফা হওয়ার আহবান জানায়।

কিন্তু ইসলামবিদ্বেষী কামাল খিলাফত ধারণাটাই রাখতে ইচ্ছুক ছিল না। কারণ তাতে যে ইসলামী চেতনা প্রতিফলিত হয়। তাই সমগ্র মুসলিম বিশ্বের একান্ত অনুরোধ তথা চাপ থাকা সত্ত্বেও জাতীয় পরিষদ ১৯২৩ সালের ২৯ শে অক্টোবর খিলাফত রহিত বিলের বিরোধিতার জন্য রার্ষ্ট্রদ্রোহিতার বিল পাস করে এবং প্রচার করে যে, তুরস্ক একটি প্রজাতন্ত্র এবং জনগণই সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। রাষ্ট্রের প্রধান খলীফা নন। তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের প্রধান প্রেসিডেন্ট।

আব্দুল মজিদ সাময়িকভাবে মুসলমানগণের খলীফারূপে পরিচিত হলেও ১৯২৪ সালের ২রা মার্চ নবগঠিত রিপাবলিকান পিপলস পার্টির সভায় কামাল পাশা খিলাফত সম্পূর্ণরূপে রহিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ৩রা মার্চ জাতীয় সভা এই বিষয়ে বিল পাস করে।

এরপরে খুলাফায়ে রাশিদীনের সময় হতে অর্থাৎ ৬৩২সাল হতে খিলাফত শুরু হয়ে দীর্ঘ তের শতাব্দীর পর ১৯২৪ সালে সম্পূর্ণরূপে বাতিল ঘোষিত হল। আব্দুল মজিদ পরিবার পরিজনসহ বহিষ্কৃত হন।

সর্বপরি-

শুধুমাত্র এ যুগেই নয়, সে সময়েও এই ইসলামবিদ্বেষী, ইসলামবিরোধী ও ইসলামের চরম শত্রু কামালের মর্যাদা প্রচার মাধ্যমের কারণে কিরূপ ছিল তা আমরা বিভিন্ন সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের মাধ্যমে আমরা জানলাম ।

জগতে কেউ অমর নয়। কামাল ছিলেন মদখোর ও মাতাল । মদ খেয়ে বেহুশ হয়ে ১৯৩৮ সালের ৮ই নভেম্বর অজ্ঞান হয়ে যান এবং ১০ নভেম্বর ১৯৩৮ তারিখ তার অনুসারীদের শোক সাগরে ভাসিয়ে তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে যান ।

তারপর তার সমর্থকরা মোটামোটি ১৯৫০ সাল পর্যন্ত তার অসমাপ্ত কাজ চালিয়ে যান ।

পরবর্তিতে আমি তার মৃত্যুর উপর তুরস্ক কীভাবে চলছিলো তা বেশ কয়েকটা নিবন্ধের মাধ্যমে তুলে ধরবো । আশা করি আমার সাথেই থাকবেন ।

এযুগেও বাংলাদেশে কামাল সম্পর্কে কিরূপ চেতনা দেয়া হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের যাবতীয় বই পড়লেই বোঝা যায়। এ ধরনের একটি বইয়ে নিম্নরূপ মন্তব্য করা হয়-

মোস্তফা কামাল পাশা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে বিধ্বস্ত ও ইউরোপের রুগ্ন দেশ তুরস্ককে বৈদেশিক আক্রমণ হতে রক্ষাই করেনি, নবজীবন দানও করে। সেদিক থেকে তাকে ত্রানকর্তা বলা যেতে পারে।

বাংলাদেশে কামালকে রাষ্ট্রীয় আদর্শের জন্য অনুকরনীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে অনেকেই মনে করেন ।বাংলাদেশে তার বাংলাদেশি অনুসারীরা তার নামে একটি রাস্তার নাম দিয়েছে কামাল আতার্তুক এভিনিউ । অনেকের বাড়িতে তার মুর্তি পড়ার টেবিলে পেপার ওয়েট হিসেবে রাখা হয় ।

রেফারেন্স-

১. আধুনিক তুরস্কের ইতিহাস, লেখক : ড. আব্দুল কাদের

২.উইকিপেডিয়া http://en.wikipedia.org/wiki/Mustafa_Kemal_Atat%C3%BCrk

কৃতজ্ঞতা- প্রিয় বই

Views All Time
6
Views Today
13
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

২টি মন্তব্য

  1. Emon Akanda says:

    সকল মুসলমানদের এই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিৎ ৷

  2. Apa yang bisa dilakukan jika Islam diangkat dari agama negara?
    Sungguh sangat berbahaya bagi umat Islam….saya azad dari pekanbaru Indonesia

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে