রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল চাই


তরুণ সমাজকে এমনি এম্নিই জাতির কর্ণধার বলা হয় না । এই সময়ে যে জোর ,শক্তি থাকে তা বৃদ্ধ হলে থাকে না । এজন্যই জাতির উন্নতি অগ্রগতির একাংশ নির্ভর করে এদের উপর । এটা কে না জানে! শত্রুও জানে ।
আর তাই চেষ্টা থাকে এ শক্তিটাই ধ্বংস করে দেশ দখল করার ,স্বাধীনতা হরণ করার ।
এক শ্রেণীর মধ্যে অরিজিনাল মাদকদ্রব্য ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে ।এরা এনিহাউ মাদকদ্রব্যের টাকা জোগাড়ে ব্যস্ত ।তারা দেশ তো দূ্রে থাক ফ্যামিলিরই খোজঁ খবর রাখে না । আর আরেক শ্রেণীর তরুণ যারা চাইলেই পারে উন্নয়নমূ্লক কাজে অংশ নিতে , যারা সহজেই যাবতীয় চক্রান্ত নির্মূ্ল করতে পারে তাদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে খেলা নামক মাদক দ্রব্য । আর প্রেম,বিরহ, গান-বাজনা,আড্ডার মত ব্যস্ততা তো আছেই! সময় কই খেয়াল রাখার সংবিধানে কি থাকলো আর কি উঠলো দেখার! আল্লাহ পাক উনার উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস উঠেছে না ? উঠেছে তো ,তাহলে ধর্মও যাক ।আধা কাফির তো হয়েই আছি ,পু্রো কাফির হলে তো আরো ভালো…তাই না?
ইতিহাস জানলেও অনেক কিছু বুঝা যায় । সবাই না বুঝলেও মেধাবী তো অনেক আছে,তারা তো বুঝে ! কিন্তু ইতিহাস জানতে চায় কয়জন!?! ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হওয়া মুসলিমদের জন্য কতটা বিপজ্জনক তা তু্রস্কর অবস্থা থেকেই জানা যায় । কাফিরদের মমতা দেখিয়ে একটু আশ্রয় দিলে এরা যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে তার নজির তো ফিলিস্তিন । এরপরো কি শিক্ষা নিবো না ? ,এটাই তো বাস্তবতা ।চোখের সামনেই ঘটছে । নিজের চোখকেও এখন অবিশ্বাস করবেন?
কাফিররা শত্রু আল্লাহ পাক জানালেন তাও বিশ্বাস হয় না। তো পরে যখন মার খায় তখন আল্লাহ পাক উনাকে দোষারোপ করা হয় কেন? কেন মুসলিমদের উপর নির্যাতন দেখে চোখে পানি আসে? এর জন্য আমরা নিজেরাই কি দায়ী না ???
চোখের সামনে দেশকে ধর্ম নিরপেক্ষ ঘোষণা হতে দেখা যাচ্ছে , কিন্তু প্রতিবাদ করার মানুষ নাই ।
পরে যখন শোচনীয় অবস্থা হবে তখন সেটা সবাই মেনে নিতে পারবেন তো ? ?? তখন কিন্তু নিজেদের করুণ অবস্থার জন্য অনেকের সাথে আপনিও দায়ী থাকবেন । মনে রাখবেন।
আমি আমার জায়গা থেকে বলছি ‪#‎রাষ্ট্রধর্ম_ইসলাম_বহাল_চাই‬ ,আপনিও বলুন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে