“রিযিকের পিছনে ছুটো না,রিযিকই তোমার পিছনে ছুটবে”


যার রিযিক যতটুকু বরাদ্দ করা হয়েছে ততটুকু না পাওয়া পর্যন্ত কেউ মৃত্যুবরণ করবে না। রিযিক তার কাছে পৌঁছবেই,সে যেই মুল্লুকেই থাকুক!
এজন্যই বলা হয় রিযিকের পিছনে ছুটো না,রিযিকই তোমার পিছনে ছুটবে।
যার মৃত্যু কপালে আছে সে যেখানেই থাকুক মৃত্যু যেমন তাকে খুঁজে নিবে। তেমনি রিযিকও খুঁজে নিবে।
অথচ দেখা যায়,মানুষ না বুঝেই উল্টো রিযিকের পিছনেই দৌড়ায়! আল্লাহ পাক উনাকে ভুলে যায়। হালাল হারাম তমিজ করে না।
আবার যা কামাই করে ভাবে নিজে কামাই করেছে,আল্লাহ পাক দেননি! নাঊযুবিল্লাহ!
অথচ মহান আল্লাহহ পাক উনিই জানিয়ে দিয়েছেন যে,যমীনের সমস্ত প্রাণীর রিযিকের জিম্মাদার স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনি। সুবহানাল্লাহ!
সুতরাং জিম্মাদার যখন স্বয়ং আল্লাহ পাক তখন বান্দার রিযিকের তো কোনো পেরেশানিই থাকা উচিত না। বান্দার শুধু উচিত, মহান আল্লাহ পাক যেহেতু হালাল রুজির জন্য ঘর হতে বের হতে বলেছেন,ব্যক্তি সে অনুযায়ীই হালাল রিযিক তালাশ করবে। ব্যস এ পর্যন্তই আল্লাহ পাক বরকত দিবেন। কেননা বরকতের মালিকও আল্লাহ পাক। যার বহু নযীর রয়েছে।
আর আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক উনার উপর ইস্তিক্বামত থাকতে হবে। তাহলেই বরকত আসবে।
এখানে আরেকটা বিষয় বলে রাখি,জেনে রাখা উচিত যে,কলেমা শরীফ,নামায,রোযা
,হজ্ব,যাকাত এর পর ছেলেদের জন্য প্রথম ফরয হালাল রুজি।আর মেয়েদের জন্য প্রথম ফরয পর্দা।
বিষয়টা খেয়াল রাখতে হবে। আর একটা মেয়ের জন্য যদি কামাই করতেই হয় তবে তাকে পর্দা মেইন্টেইন করেই করতে হবে। বেপর্দা হয়ে কামাই করলে তার সম্পূর্ণ টাকাই হারাম হবে। নাঊযুবিল্লাহ!
মহান আল্লাহ পাক সকলকেই সহীহ সমঝ দান করুন। আমীন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে