রূপ প্রদর্শনের প্রবৃত্তিকে যিকির-ফিকিরের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে পর্দার অভ্যাস করতে হবে


বেপর্দা নারীকে কি দিল? রাস্তাঘাটে পরপুরুষের ধাক্কা, রাস্তার নোংরা মানুষদের কুদৃষ্টি ইত্যাদি। একই নারী যদি পর্দার নির্দেশ মেনে নিজ গৃহে পরপুরুষের লোলুপ দৃষ্টির বাইরে থাকে, অতিপ্রয়োজনে সমস্ত শরীর বোরকা দ্বারা আবৃত্ত করে ঘরের বাইরে বের হয়, তাহলে পার্থক্যই হয় আসমান ও যমীনের।
একজন পর্দানশীন মহিলাকে রাস্তার দুষ্টলোকেরা পর্যন্ত রাস্তা করে দেয়। কে চায় নিজেকে সস্তা বানাতে? পর্দা নারীকে করে সম্ভ্রমের পাত্র আর বেপর্দা নারীকে দেয় অপমানজনক কুদৃষ্টি। সত্যি কোনো বেপর্দা নারী কী গভীরভাবে চিন্তা করে দেখেছে পর্দা তাকে কতোটা সম্মানিত করতে পারে? বুঝতে হবে নারীর জন্য পুরুষের আছে বল্গাহীন আকর্ষণ। কেন পুরুষের সেই কুরুচিপূর্ণ চাহিদাকে মেটাবার সুযোগ করে দেয় নারী? পুরুষের যেমন রয়েছে তার রূপ দর্শনের দারুণ আকাঙ্খা। তদ্রুপ নারীদেরও রয়েছে রূপ প্রদর্শনের আকাঙ্খা। যা নারীর সহজাত প্রবৃত্তি। এই প্রবৃত্তিকে দমন করতে দরকার কঠিন সংকল্প, নামায, রোযা ও ধর্মীয় আচার মেনে চলা এবং যিকির-ফিকির করা। এভাবেই নারী তার রূপ প্রদর্শনের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। নইলে শয়তান নারীকে পথভ্রষ্ট করার জন্য সদা প্রস্তুত।

-লে. কর্নেল মুহম্মদ আনোয়ার হুসাইন খান, পিএসসি (অব.) ঢাকা।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+