রূহানী চিকিৎসায় অনীহা কেন?


ক্ষণস্থায়ী এই দুনিয়াতে ৫০, ৬০, ১০০ বছর বেঁচে থাকার জন্য মানুষের অনেক আয়োজন। সে বিলাসিতার সাথে বসবাস করার নিমিত্তে সদা ব্যস্ত। কিন্তু অনন্তকালের পারলৌকিক জীবনে সুখশান্তির জন্য তার কোনো আয়োজন নেই। দুনিয়ার জীবনে একটু অসুস্থ হলেই ডাক্তারের কাছে যেতে, ভালোভাবে চিকিৎসা নিতে এবং আরো অনেকদিন সুস্থভাবে দুনিয়ায় বেঁচে থাকতে মানুষের অনীহা প্রকাশ পায় না।
কিন্তু অন্তরে যে রোগব্যাধি থাকার কারণে পরকালীন জীবনে কঠিন অশান্তিতে থাকতে হবে এবং এই অশান্তি দূর করার জন্য যে রূহানী চিকিৎসা তথা খালিছ ঈমানদার হওয়ার জন্য সময় ব্যয় করতে হবে, সে সম্পর্কে দুনিয়ার অধিকাংশ মানুষই গাফিল।
অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন, ‘তোমরা খালিছ ঈমানদার না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।’
তাই অন্তরকে পরিশুদ্ধ করতে, হাক্বীক্বী মুসলমান হওয়ার নিমিত্তে তথা খালিছ ঈমানদার হওয়ার জন্য রূহানী চিকিৎসার প্রয়োজন। আর এর জন্য প্রয়োজন একজন হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে ছবক নিয়ে যিকির-ফিকির করে দিল বা অন্তরকে পরিশুদ্ধ বা ইছলাহ করা।
এ প্রসঙ্গে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি যামানার ইমাম তথা আল্লাহ পাক উনার খাছ লক্ষ্যস্থল ওলী উনাকে চিনলো না, সে যেন জাহিলিয়াতের যুগের ন্যায় মৃত্যুবরণ করলো।’
অতএব, প্রত্যেক নর-নারীকে অন্তরের রোগব্যাধী তথা শয়তানের প্ররোচনা হতে মুক্তি পেতে যামানার যিনি মুজাদ্দিদ তথা খাছ লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ রয়েছেন উনার কাছে বাইয়াত হয়ে রূহানী চিকিৎসা করে খালিছ মু’মিন-মু’মিনা হতে হবে। কারণ, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা সত্যবাদী (ওলীআল্লাহ) উনার সাথী হয়ে যাও।’
মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে পঞ্চদশ হিজরী শতকের মহান মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার নিকট বাইয়াত মুবারক গ্রহণ করে খালিছ ঈমানদার হওয়ার তাওফীক দান করেন। (আমীন)

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে