“লজ্জা ঈমানের অংগ”-মানে কি?


gfdfdসামাজিক সমস্যার মূল কারণ কি???এক কথায় উত্তর হচ্ছে দ্বীনী ইলিমের চর্চার অভাব! এখনকার দিনের ম্যাক্সিমাম মানুষেরই ধারণা যে,ঘরে বসে একটু নামায,রোযা করলেই দায়িত্ব শেষ!দ্বীনী ইলিম শুধু মাদ্রাসার ছেলেপেলেরাই শিখুক! এই যে “মাদ্রাসার ছেলেমেয়ে” আলাদা করে দেয়া হলো,এটা মানুষ কিভাবে করলো?কোথায় আছে যে, একশ্রেণী দ্বীনী ইলিম চর্চা করলেই বাকি জাতি সবাই মাফ পেয়ে যাবে!?! মূল কথা হচ্ছে দ্বীনী ইলিম ফরয পরিমাণ অর্জন করা সকলের জন্যই ফরয,সে হোক পুরুষ অথবা হোক মহিলা।কতটুকু ফরজ? তার জীবনে চলতে যতটুকু প্রয়োজন।তাই চলাফেরা,উঠাবসা,পোশাক-আশাক,খাওয়া দাওয়া,সংসার,চাকরী,ব্যবসা,লেনদেন অর্থাৎ জীবনের প্রতিটি ক্বদমেই শরীয়ত উনার ফয়সালা অনুযায়ীই আমাদের চলতে হবে।কোনটা জায়েজ,কোনটা না-জায়েজ,হালাল,হারাম এসবই ভালোভাবে জানতে হবে এবং সে অনুসারেই চলতে হবে-যদি আয়াত শরীফে বিশ্বাস থাকে যে ইসলামই পুর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। কথাগুলো একটু শক্ত লাগতে পারে।আসলে সম্মানিত দ্বীন ইসলামে অস্পষ্ট কিছু নাই,সবই স্পষ্ট।তাই স্পষ্ট ভাষায়ই বলতে চাইলাম। আমরা সকলেই এ হাদীস শরীফ উনার সাথে পরিচিত যে,“লজ্জা ঈমানের অংগ”। জানিতো সবাইই,বুঝি কয়জন?আর কতটুকুই বা বুঝি!?! খেয়াল করুন লজ্জার সাথে ঈমান সংশ্লিষ্ট।যার লজ্জা আছে তার ঈমানও আছে,আর যার লজ্জা নাই!!!? বলা হয়,একটি উঠে গেলে অপরটিও উঠে যায়।যখন কারো লজ্জা চলে যায় তখন একপর্যায়ে তার ঈমানও চলে যায়। তাই লজ্জাহীন ব্যক্তি হালাল হারাম তোয়াক্কা করে না!আর হালাল হারাম না দেখলে ঈমান সামলানো কীভাবে সম্ভব??? একজন মহিলা মাহরাম পুরুষ ব্যতীত বাকি পুরুষদের সামনে পর্দা করবে,কিন্তু যারা মাহরাম রয়েছে তাদের সামনেও কিন্তু তাকে যথাযথ শালীনতা বজায় রাখতে হবে। যেই সেই পোশাক বা উগ্র পোশাক বা সংক্ষিপ্ত পোশাক ঘরের ভিতর হলেও পড়া জায়িজ হবে না।এসব পড়ে বাবা,ভাই,ছেলে বা আত্মীয়-স্বজনের সামনে যাওয়া যাবে না। ছেলেদের যেমন দৃষ্টির হেফাজত করতে হবে তেমনি মেয়েদেরও দৃষ্টির হেফাজতের সাথে সাথে এই বিষয়টায়ও সতর্ক থাকা উচিত- যেন নিজের দ্বারা শয়তান নিজেকে বা অন্য কাউকে পাপ কাজের দিকে প্ররোচিত করতে সুযোগ না পায়। প্রত্যেকেই যদি যার যার জায়গা থেকে সতর্ক থাকে তবে মহান আল্লাহ্‌ পাক উনার আদেশ মুবারক পালন করাও সহজ হয়,আবার সামাজিক সমস্যাগুলোও সহজে এড়ানো সম্ভব হয়। তাই মহিলাদের উচিত ঘরে অবস্থানকালীন সময়েও শালীন পোশাক পরিধান করা এবং যথাসম্ভব শালীনতা বজায় রাখা। আমাদের সকলেরই মনে রাখা উচিত, ইবলিশ প্রতি মুহুর্তেই ঈমান ধ্বংস করতে সাথে লেগে আছে।আমাদের অবশ্যই ইবলিশকে খুশি না করে মহান আল্লাহ্‌ পাক উনাকেই খুশি করার চেষ্টা করতে হবে। মহান আল্লাহ্‌ পাক যেন আমাদের সকলকেই ফরয পরিমাণ ইলিম অর্জন করে সে অনুযায়ী জীবনযাপন করার তৌফিক দান করেন।।আমীন।।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে