:::::::লাইলাতুল ক্বদর:::::::


১০০০বছর ইবাদত না করলে আবেদ হিসেবে স্বীকৃত হতো না বনী ইসরাইলীগণ। সে সময়ে ১০০০বছর রোযা রেখে জিহাদ করার ঘটনাও বর্ণিত আছে। তাদের হায়াত বেশি ছিলো তাই চাইলে বন্দেগীও বেশি করতে পেরেছে। কিন্তু উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের তথা আমাদের গড় হায়াত কম। আবার আমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত। কিন্তু পূর্ববর্তী যামানায় বেশি হায়াতের কারণে যেহেতু ইবাদতও যেভাবে বেশি করতে পারতো এ উম্মতের পক্ষে সেটা তো সম্ভব না,তবে শ্রেষ্ঠত্ব কীভাবে বজায় থাকবে আখিরাতে!?!
হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যখন এমনি জানার ইচ্ছা মুবারক পোষণ করলেন,তখনই খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক আয়াত শরীফ উনার মাধ্যমে জানিয়ে দিলেন যে, “লাইলাতুল ক্বদরি খইরুম মিন আলফি শাহর” সুবহানাল্লাহ। অর্থাৎ এই উম্মতকে মহান নিয়ামত মুবারক দেয়া হয়েছে। আর সে নিয়ামত মুবারক হচ্ছে পবিত্র ক্বদরের রাত্রি। এ রাত্রিতে ইবাদত করে ১০০০বছর নয় বরং তার চাইতেও বেশি দিনের ইবাদতের সওয়াব এ উম্মত হাছিল করতে পারবে। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ পূর্ববর্তী উম্মত ১০০০বছর কোশেশ করে যেই মর্যাদা হাছিল করতো এ উম্মত এক রাতেই তার চাইতেও বেশি মর্যাদা,ফযীলত হাছিল করতে পারে। সুবহানাল্লাহ!
কাজেই মহান আল্লাহ পাক যেহেতু নিয়ামত মুবারক দিতে চান
সেহেতু আমাদের দায়িত্ব হবে নিয়ামত মুবারক হাছিলের সর্বাত্মক কোশেশ করা তথা লাইলাতুল ক্বদর উনার রাত্রি তালাশ করত: মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের বাসনায় ইবাদত বন্দেগীতে রত থাকা।
মহান আল্লাহ পাক যেন আমাদের সকলকে পবিত্র ক্বদর উনার রাত্রির সমস্ত নিয়ামত,বারাকাত,রহমত আমাদেরকে হাছিল করার তৌফিক দান করেন। আমীন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে