শসার কতই না গুণ……..


শসা খাওয়া খাছ সুন্নত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি শসা খাওয়া পছন্দ করতেন। তাইতো শসার এত গুণ।  আসুন শসার নানা রকম গুণাগুণ সম্পর্কে জানা যাক—

f6b7cb97195759697c604fd8ea4dc781_XL

* শসা হল কিউকারবিটা সি ফ্যামিলির অন্তর্গত। শসায় প্রায় ৯৫% পানি আছে। এছাড়াও আছে সিলিকা, ম্যাগনেশিয়াম, লিগনেন, পটাশিয়াম, লাইপোজ ইম ইত্যাদি উপাদান। তাই শুধু গরমেই নয়, বছরের যে কোনও সময়ই শসা খাওয়া উচিত।

* শসায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকার জন্য তা রিহাইড্রেট করার পাশাপাশি শরীরকে টক্সিনমুক্ত করে। গরমের সময় শরীর থেকে ঘাম হয়ে প্রচুর পানি বেরিয়ে যায়। এই রিহাইড্রেশন তাই খুবই জরুরি। শসায় থাকা প্রতিটি ভিটামিন ও মিনারেলস প্রতিদিন শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়।

* শসায় থাকে এরিপসিন নামে এনজাইম। এই এনজাইম প্রোটিন ব্রেক ডাউন করে। ইউরিক এসিড মেটাবলিজমে সাহায্য করে।

* সিলিকা নামে যে উপাদান শসায় থাকে তা আমাদের হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ফলে হাড়-সংক্রান্ত যে কোনও ধরনের সমস্যা যেমন— আর্থারাইটিস, গাউট প্রতিরোধ-নিয়ন্ত্রণ দুই-ই করা যায়।

* শসায় থাকে পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম। এই উপাদানগুলো রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। ক্লাডপ্রেশার নিয়ন্ত্রণ করতেও এই দুই উপাদানের বড় ভূমিকা আছে। কাজেই হাইপ্রেশার এবং লোপ্রেশার— দুই ধরনের রোগীই নিশ্চিন্তে শসা খেতে পারে।

* শসার ম্যাগনেশিয়াম এবং সিলিকা স্কিনের জন্যও ভালো। সিলিকা ও ম্যাগনেশিয়াম থাকার জন্যই শসা প্যাক হিসেবে নেওয়া হয়। এতে স্কিনের ইরিটেশন কমে, সানবার্নেও সাহায্য করে।

* শসার প্যাক নিলে ত্বক পানি ধরে রাখতে পারে। ত্বক সজীব রাখার জন্য শসায় থাকা ক্যাসেইক এসিডের ভূমিকাই প্রধান।

* অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল প্রপার্টি লাইপোজ ইম থাকার জন্য এক টুকরা শসা মুখে রেখে দিলে জীবাণু নষ্ট হয়, দূর হয় মুখের দুর্গন্ধ।

* শসার মধ্যে থাকে ৩ ধরনের লিগনেন। যেমন— ল্যারিসায়ারেসিনল, পাইনোরেসিনল এবং সেকয়সোলারিসায়ারসিনল ইত্যাদি। এই লিগনেনগুলো নানা ধরনের ক্যানসার যেমন— ব্রেস্ট প্রস্টেট, ইউটেরাইন এবং ওভারিয়ান ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

* ডায়বেটিক রোগীদের জন্য শসা খুবই উপকারী। শসার মধ্যে থাকা পলিপেপটাইড সি প্যাংক্রিয়াসের ইনসুলিন নিঃসরণে সাহায্য করে।

* শসার জল ও ফাইবার কনটেন্টের জন্য কিডনি-স্টোন প্রতিরোধ করে। সাহায্য করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও।

* ফাটা দাগ বা ভঙ্গুর নখের সমস্যা থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে শসার সিলিকা উপাদান।

* আর সালাদ হিসেবে তো সবারই প্রিয় । তরকারিতেও চমৎকার।

সবাই ভাল থাকবেন।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+