শহীদে বালাকোট হযরত সাইয়্যিদ আহমদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি – তিনি ভারতীয় উপমহাদেশে স্বাধীনতা আন্দোলনের জনক ! – পর্ব ১


প্রিয় বন্ধুগণ! আমরা নানা সময়ে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের নিয়ে আলোচনা করে থাকি কিন্তু মহান মুজাদ্দিদ শহীদে বালাকোট হযরত সাইয়্যিদ আহমদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে আলোচনা হয় খুবই কম। আলোচনা হওয়া তো দূরের কথা, ব্রিটিশরা ও তাদের অনুগতরা উনার উপরে নানা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে গেছে, তার জবাবও দেওয়া হবে কয়েকটি পর্বে ইনশাআল্লাহ্‌।

 

শুরুতেই জানিয়ে দেওয়া রইলো, “বেরেলভী” দেখে যদি ভাবেন যে বর্তমানে যারা বেরেলভী বলে পরিচিত তারা উনার অনুসারী, তাহলে বিরাট ভুল করবেন। বর্তমানে যারা বেরেলভী বলে পরিচিত তারা উনার অনুসারী নয়, তারা হল রেজা খানের অনুসারী এবং তারা শহীদে বালাকোট হযরত সাইয়্যিদ আহমদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার উপরে নানা মিথ্যা অপবাদ দেয়, উনাকে এবং উনার অনুসারীদেরকে কাফির ফতোয়া দেয়। তাদের সমস্ত জবাব দেওয়া হবে কয়েকটি পর্বে ইনশাআল্লাহ্‌।

আরও একটি কথা, মেহেরবানী করে উনাকে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ আহমদের সাথে গুলিয়ে ফেলবেন না।

 

তিনি ছিলেন ১৩তম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদঃ

 

তিনি হযরত শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রধান খলীফা এবং হযরত শাহ সূফী নূর মুহম্মদ নিযামপূরী রহমতুল্লাহি আলাইহি ও হযরত শাহ সূফী কারামত আলী জৌনপূরী রহমতুল্লাহি আলাইহি – উনাদের শাইখ বা মুরশিদ ছিলেন।

 

আবার হযরত শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিছ দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হলেন ১২তম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত ইমাম শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পুত্র ও প্রধান খলীফা।

 

তিনি ছিলেন হানাফী মাযহাবের অনুসারী এবং চার ত্বরীকার নিসবত প্রাপ্ত ও মুহম্মদীয়া ত্বরীকার ইমাম। তিনিই এখন পর্যন্ত একমাত্র মুজাদ্দিদ যিনি “জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ”-এর জন্য শহীদ হন, বালাকোট নামক স্থানে। সারাটি জীবন কাটিয়েছেন ব্রিটিশদের ও তাদের অনুগত শিখ বাহিনীদের সাথে লড়াই করে।

জন্ম মুবারক: ১২০১ হিজরী, শাহাদত মুবারক: ১২৪৬ হিজরী।

 

কিতাবে বর্নিত আছে, উনার ৩০ লক্ষ মুরীদ ছিলো। সুবহানাল্লাহ্!

 

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেনঃ

 

“নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি আমার উম্মতের জন্য প্রতি হিজরী শতকের শুরুতে একজন করে মুজাদ্দিদ (সংস্কারক) প্রেরণ করবেন। যিনি সম্মানিত দ্বীন উনার তাজদীদ (সংস্কার) করবেন।” (আবু দাউদ শরীফ)

মুজাদ্দিদগণ প্রত্যেকে তাঁদের নিজের যামানার ইমাম হন। ‘মুজাদ্দিদ’ একটি আরবী শব্দ যার অর্থ সংস্কারক। মানুষ যখন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম থেকে বিমুখ হয়ে স্বেচ্ছাচারিতা আরম্ভ করে, জীবনে আদর্শ ও নৈতিকতা যখন লোপ পেয়ে যায়, তখন তাদের হিদায়েত করার জন্য তথা গুমরাহী থেকে ফিরিয়ে সত্য ও আদর্শের পথে পরিচালিত করার জন্য কোনোও মহাপুরুষ এর আবির্ভাব হয়।

 

যিনি যামানার মুজাদ্দিদ তাঁর কাজই হচ্ছে তাজদীদ বা সংস্কার করা। বাতিল, বিদয়াত, বেশরা মূলোৎপাটনের পাশাপাশি সম্মানিত শরীয়ত ও সুন্নাহ শরীফ এর হুকুম ও আমল জারি করার মহান দায়িত্ব হচ্ছে একজন জামানার মুজাদ্দিদ এর।

 

তিনি ছিলেন ইসলামের নবম খলীফাঃ

 

“আর আমি তাদের মাঝে ১২ জন নক্বীব তথা খলীফা প্রেরণ করেছি।”

(সম্মানিত সূরা মায়িদা শরীফ: সম্মানিত আয়াত শরীফ- ১২)

 

এই সম্মানিত আয়াত শরীফের ব্যাখ্যায় বিশ্বখ্যাত মুফাসসির আল্লামা ইবনে কাসীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত ও সর্বজনমান্য তাফসীরগ্রন্থ “তাফসীরে ইবনে কাসীর” এর মধ্যে উল্লেখ করেন –

 

“বনী ইসরাইলের ১২ জন নাক্বীবদের ন্যায় এই উম্মতের মাঝে ১২ জন মহান খলীফা সম্মানিত খিলাফত আলা মিনাহাজিন নুবুওওয়াহ মুবারক পরিচালনা করবেন।”

 

পূর্ববর্তী খলিফাগণদের নাম মুবারকঃ

 

১. সিদ্দীক্বে আকবর সাইয়্যিদুনা হযরত আবূ বকর সিদ্দীক্ব রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ২. ফারূক্বে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত উমর ইবনুল খত্ত্বাব রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ৩. যুন নূরাঈন সাইয়্যিদুনা হযরত উছমান রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ৪. আসাদুল্লাহিল গালিব সাইয়্যিদুনা হযরত আলী র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহু রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ৫. সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ৬. সাইয়্যিদুনা হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ৭. সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং ৮. সাইয়্যিদুনা হযরত ওমর বিন আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি।

 

নবম খলিফা হলেন ত্রয়োদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদে বালাকোট বেরেলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি। তিনি ব্রিটিশ ও শিখ রাজা রঞ্জিত সিং এর সাথে লড়াই করে খিলাফত কায়িম করেন, এই কারণে তিনি “আমীরুল মুমীনীন” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।

 

এবার আসা যাক মূল প্রসঙ্গে !

 

দিল্লীর হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি হলেন ভারতীয় উপমহাদেশের ইলমী জনক ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলেম। তিনি কিতাব লিখে ও ওয়াজ নসীহতের মাধ্যমে ব্রিটিশ বিরোধী জিহাদের বীজ বপন করে রেখে যান।

 

উনার সুযোগ্য পুত্র ও প্রধান খলীফা হযরত শাহ আব্দুল আজীজ মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি ব্রিটিশ শাসিত ভারতকে দারুল হারব ঘোষণা করে জিহাদ ঘোষণা করেন যার দ্বায়িত্ব তিনি অর্পণ করেন উনার প্রধান খলীফা হযরত সাইয়্যিদ আহমদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার উপরে।

 

ঐতিহাসিক রতন লাহিড়ী উনার প্রসঙ্গে তার লেখা বই “ভারত পাকিস্থান ও বাংলাদেশের সত্যিকারের ইতিহাস”-এ ( পৃষ্ঠা ৭-৯) যা বলেছেন সেটা তুলে দিলাম –

 

“ যার জীবনস্মৃতি প্রেরণা যুগিয়েছিল যুগে যুগে এই দেশের মহাবিপ্লবীদের। যার জীবনাদর্শ, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের আওতার বাইরে থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদকে আক্রমণ করা, স্বাধীন সরকার গঠন করা, আবার সেই সঙ্গে দেশের মধ্যে থেকেও সাম্রাজ্যবাদকে আঘাতে আঘাতে জর্জরিত করা – পথ দেখিয়েছিল পরবর্তীকালের মহেন্দ্রপ্রতাপ, বরকতুল্লাহ, এম.এন রায়, রাসবিহারী এমনকি নেতাজীকেও। কে এই মহাবিপ্লবী, যার আদর্শে উদ্বোধিত হয়ে সহস্র সহস্র মানুষ প্রাণ দিয়েছিল সালের বিদ্রোহে – শর সহস্র মানুষ বরণ করেছিল দ্বীপান্তর, সশ্রম কারাদণ্ড, কঠোর যন্ত্রণাময় মৃত্যু। কে উনি ? ….. ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ আর তার দালালদের লেখা ইতিহাসে এঁর নামোল্লেখ থাকলেও এঁর সম্বন্ধে বিশেষ কিছু লেখা থাকা স্বাভাবিকও নয়। আর আজও স্কুল কলেজে যে ইতিহাস পড়ানো হয় সে সব ওই সাম্রাজ্যবাদীদের প্রাচীন গলিত বিকৃত ইতিহাসের আধুনিক সংস্করণ মাত্র। তাই কি করে জানবে এই মহাপুরুষের নাম এই মহান মহাবিপ্লবী মহাবিদ্রোহীর নাম হজরত মাওলানা সৈয়দ আহমদ ব্রেলভী।“

 

উইলিয়াম হান্টার তার লেখা “The Indian Musalmans” বইতে বিদ্বেষবশত হাজারো অপবাদ দিয়েছে এই মহান মানুষটির উপরে। এই প্রসঙ্গে জেনে রাখা ভালো উইলিয়াম হান্টার হল ব্রিটিশ কর্মচারী ‘হাডসন’-এর অন্তরঙ্গ বন্ধু, যে হাডসন মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের ২ জন পুত্রসহ রাজপরিবারের ২৯ জন শিশুকে গুলি করে হত্যা করেছিল।

 

উইলিয়াম হান্টার লিখছে –

 

“ অপেক্ষাকৃত গোঁড়া মুসলমানেরা যখন এভাবে প্রকাশ্যে রাজদ্রোহে জড়িয়ে পড়েছে, তখন সমস্ত মুসলমান সম্প্রদায়ই প্রকাশ্যে আলোচনা করছে – জেহাদে যোগ দেওয়া তাদের পক্ষে ফরজ কি না। … পাঞ্জাব সীমান্তে বিদ্রোহী বসতি স্থাপন করেন সৈয়দ আহমদ। “ ( দ্য ইণ্ডিয়ান মুসলমানস – পৃষ্ঠা ৩)

 

উইলিয়াম হান্টার আরও লিখছে –

 

“শিখরা লাহোরে ও অন্যান্য স্থানে বহুদিন ধরে হুকুমত করছে। … তারা মসজিদে আজান দিতে দেয় না এবং গোরু কুরবানী একেবারে বন্ধ করে দিয়েছে। যখন তাদের অপমান অত্যাচার সহ্যের সীমা অতিক্রম করলো, তখন একমাত্র হজরত সৈয়দ আহমদ দ্বীনের হিফাজত করতে উদ্বুদ্ধ হয়ে কয়েকজন মাত্র খাদিম সঙ্গে নিয়ে কাবুল ও পেশোয়ারের দিকে রওনা হলেন। … কয়েক হাজার ইমানদার মুসলমান তাঁর আহ্বানে আল্লাহ এর রাহে চলতে তৈরি হয়েছে এবং ১৮২৬ সালের ২১শ ডিসেম্বর তারিখে বিধর্মী শিখদের বিরুদ্ধে জিহাদ আরম্ভ করা হয়েছে। ১৮৩০ সালের জুন মাসে একবার পরাজিত হয়েও মুজাহিদ বাহিনী অকুতোভয়ে সমতলভূমি দখল করে ফেলে আর সেই বৎসর শেষ হওয়ার পূর্বেই পাঞ্জাবের রাজধানী পেশোয়ার তাদের হস্তগত হয়। … তাদের হামলার হাত শিখ গ্রামগুলির উপর পড়তে লাগলো বটে, কিন্তু বিধর্মী ইংরেজদের উপরে আঘাত হানতে পারলেই তারা তীব্র উল্লাস উপভোগ করত। … কিন্তু এটা বোঝা খুবই শক্ত যে, একটা সুসভ্য দেশের সেনাবাহিনীর সুকৌশল ও সমরনীতির বিরুদ্ধে কিভাবে তারা বহুকাল টিকে থাকতে পারে। … শেষ পর্যন্ত ১৮৩১ সালে তাঁর (হযরত সাইয়্যিদ আহমদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি) পতন ও মৃত্যু হল। “

 

পূর্ণ বিদ্বেষ নিয়েও উইলিয়াম হান্টার যেটুকু তথ্য দিয়েছে তাতেই পরিষ্কার যে হযরত সাইয়্যিদ আহমদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি কিভাবে বীরত্বের সাথে সংগ্রাম করেছেন ব্রিটিশদের সাথে।

 

বালাকোটে শহীদ হওয়ার ঘটনা সম্পর্কে ইতিহাসে বর্ণিত আছে –

 

“১৮৩১ খ্রিস্টাব্দের ৬ই মে এই যুদ্ধ হয়। এটাকে ঠিক যুদ্ধ বলা চলে না। এক পক্ষে বিশ হাজার সুশিক্ষিত ও সুসজ্জিত সৈন্য … (আর এক পক্ষে) ভগ্নোৎসাহ প্রায় ৯০০ মুজাহিদ। এ ছি মৃত্যু অভিসারীদের বহ্নিবন্যার মুক্তিস্নান। দুর্দম বেগে তাঁরা ঝাঁপিয়ে পড়লেন ‘জীবন মৃত্যু মিশেছে যেথায় মত্ত ফেনিল স্রোতে।‘ শাহাদত বরণ করলেন সঙ্গীসহ সৈয়দ আহমদ ও শাহ ইসমাইল।“ ( অহাবী আন্দোলন – পৃষ্ঠা ১৯৫)

 

এই প্রসঙ্গে অমলেন্দু দে “বাঙালী বুদ্ধিজীবী ও বিছিন্নতাবাদ” বইয়ের ১৩১ পৃষ্ঠাতে লেখেনঃ

 

“মনে রাখা প্রয়োজন, মুসলিম বিপ্লবীরাই সর্বপ্রথম বিস্তীর্ণ অঞ্চলে সংঘবদ্ধভাবে ভারতবর্ষ হতে ইংরেজ বিতাড়নের জন্য দীর্ঘকাল ব্যাপী এক সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত হয়। আর এই বিপ্লবকে মুসলিম কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবার অভিপ্রায়ে মুসলমানদের দ্বারা পরিচালিত ভারতবর্ষে প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলে উল্লেখ করা যায়।“

 

অমলেন্দু দে “বাঙালী বুদ্ধিজীবী ও বিছিন্নতাবাদ” বইয়ে ( পৃষ্ঠা ১১২-১১৩) আরও লেখেনঃ

 

“ বিপ্লবী খলিফাদের প্রচারের ফলে সুদূর ত্রিপুরা সিলেটসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা, পাটনা, বেনারস, কানপুর, দিল্লী, থানেশ্বর, আম্বালা, অমৃতসর, ঝিলম, রাওয়ালপিন্ডি, কটক, পেশোয়ার ইত্যাদি স্থানে কার্যালয় স্থাপিত হয়। তাছাড়া বম্বাই, মধ্যপ্রদেশ ও হায়দরাবাদেও বিপ্লবী মতবাদে আকৃষ্ট হয়ে অনেকে যোগদান করে।“

 

হযরত সাইয়্যিদ আহমদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি শহীদ হলেও মুসলিমদের ব্রিটিশ বিরোধী জিহাদ কিন্তু থেমে থাকে নি। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ , যা ছিল মূলত ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে মুসলিমদের লড়াই – তার অনুপ্রেরণা ছিলেন তিনি। তাঁর আদর্শে ব্রিটিশ বিরোধী লড়াই এর ঢেউ আছড়ে পড়ে আমাদের বাংলাতেও – সৈয়দ নিসার আলি ( তিতুমীর নামে পরিচিত) রহমাতুল্লাহি উনার মাধ্যমে , সেই ইতিহাস অন্য একটি পোস্টে লেখা যাবে ইনশাআল্লাহ্‌।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে