“শহীদ” মুসলমানদের জন্য একটি খাছ শব্দ যা কোনো যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য হিন্দু কিংবা কোনো বিধর্মী ব্যবহার করতে পারে না


মহান আল্লাহ পাক তিনি শহীদ উনাদের সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি নিয়ামত দান করেছেন- নবী, সিদ্দিক, শহীদ, সলেহ উনাদেরকে। অর্থাৎ উনাদের পথ তলব করতে হবে।” (পবিত্র সুরা নিসা: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৯) মহান আল্লাহ পাক আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “আমাদেরকে সরল পথ দান করুন, সে সমস্ত ব্যক্তিত্ব উনাদের পথ দান করুন; যাঁদেরকে নিয়ামত দান করেছেন। তাদের পথ নয়, যারা গযবপ্রাপ্ত, বিভ্রান্ত ও পথভ্রষ্ট।” ” (পবিত্র সুরা ফাতিহা: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬ ও ৭) গযব প্রাপ্ত ও বিভ্রান্ত বলতে খাছ করে ইহুদী-নাছারাদেরকে বুঝানো হয়েছে। আর সাধারণভাবে সমস্ত বিধর্মীদেরকে বুঝানো হয়েছে। অপরদিকে মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলমান উনাদের শত্রু সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন, “আপনি অবশ্যই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদী ও মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সুরা মায়িদাহ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২) উপরের আয়াত শরীফগুলো দ্বারা বুঝা যাচ্ছে যে, শহীদ উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে নিয়ামতপ্রাপ্ত এবং মুসলমান উনাদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদী-নাছারা-মুশরিকসহ সকল বিধর্মীরা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে গযবপ্রাপ্ত ও বিভ্রান্ত। তাহলে একজন গযবপ্রাপ্ত ব্যাক্তি কি করে আবার নিয়ামতপ্রাপ্ত হতে পারে? সুতরাং যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য হিন্দু কিংবা কোনো বিধর্মীর ক্ষেত্রে “শহীদ” শব্দটি কস্মিনকালেও ব্যবহার করা যাবে না। তাই সরকারী,বেসরকারী সহ সকল পর্যায়ে বিধর্মীদের ক্ষেত্রে “শহীদ” শব্দটি ব্যবহার আইন করে নিষিদ্ধ করতে হবে।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+