শানে লখতে জিগারে মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বায়িম-মাক্বামে যাহরা আলাইহাস সালাম, সাইয়্যিদাতুন নিসা, আওলাদে রসূল শাহযাদী ছানী হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ১২


উম্মুল ওয়ারা, নাজিয়াহ, আফদ্বালুন নিসা বাদাল উম্মাহাতিল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদা হযরত শাহযাদীয়ে ছানী আলাইহাস সালাম উনার মুহতাজ পুরো কায়িনাতবাসী :

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “উনার পদাঙ্ক অনুসরণ কর, যিনি আমার দিকে রুজু হয়েছেনঅর্থা হে কায়িনাতবাসী! তোমরা উম্মুল ওয়ারা, নাজিয়াহ, আফদ্বালুন নিসা বাদাল উম্মাহাতিল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মুবারক ছোহবতের মোহতাজ হয়ে যাও, উনাকে পদেপদে অনুসরণ-অনুকরণ কর, কেননা তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার দিকে আখাছ্ছুল খাছভাবে রুজু হয়েছেন তথা বেমেছাল আল্লাহওয়ালী তিনিআর উনার কাছেই রয়েছে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুহব্বত-মারিফাত, সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক
মৌমাছি ফুলের খোঁজে হন্য হয়ে ঘুরে মধু আহরণ করার জন্যশিশু মাকে খোঁজে একান্ত কাছে রেখে স্নেহের পরশ পাওয়ার জন্যপশু-পাখি সকালে দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়ে খাবারের জন্যমানুষ কাজ শেষে ঘরে ফিরে ছেলে-মেয়ে-আহলিয়া বা মা-বাবার জন্যছাত্ররা স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদরাসা বা শিক্ষক-উস্তাদের কাছে ছোটে পড়ালেখার জন্য বা ইলম অর্জনের জন্যঅর্থা কায়িনাতের সবাই কোনোও না কোনো নির্দিষ্ট দিকে মোহতাজ হয়ে আছেকিন্তু যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুহব্বত-মারিফাত, সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক হিস্যা লাভ করে নেককার-আল্লাহওয়ালা বান্দা-বান্দী হওয়ার জন্য উনার মোহতাজ পুরো কায়িনাতবাসীসৃষ্টিজগতের সমস্ত চাহিদা পুরণ করার অপরিসীম জাহিরী-বাতিনী, জিসমানী, রূহানী, দুনিয়াবী নিয়ামত সম্ভার রয়েছে উনার মুবারক ক্বদম তলেউনার সাথে রূহানী নিছবত বা সম্পর্ক তৈরি হলে সেই জান্নাতী নিয়ামত মুবারক-এর হিস্যা পাওয়া যায়এছাড়া সম্ভব নয়তাই ইচ্ছা হোক আর অনিচ্ছা হোক উনাদের কাছে যেতে বাধ্য সমস্ত মাখলুকাত
 উম্মুল ওয়ারা, নাজিয়াহ, আফদ্বালুন নিসা বাদাল উম্মাহাতিল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদা হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা এতো বেমেছাল খুছূছিয়ত-বৈশিষ্ট্য, ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যদা-মর্তবা দান করেছেন, যা কুল-কায়িনাত কল্পনা করে শেষ করতে পারবে নাউনার নিয়ামত সম্ভারের শুরু আছে কিন্তু শেষ কোথায় তা কেউ জানে নাসবাই নিয়ামত মুবারক-এর হিস্যা পেতে উনার প্রতি মুহতাজ রয়েছেএজন্য এরূপ প্রসঙ্গেই পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যিনি খালিক্ব মালিক রব আল্লাহ পাক উনার হয়ে যান, কায়িনাতবাসীও উনার হয়ে যায়অর্থা কুল-কায়িনাতের সবাই হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার গোলাম, আর তিনি মালিকাউনার মুহতাজ সারা কায়িনাতবাসী
আর উনার প্রতি খালিছভাবে মুহতাজ থেকে যে যা আরজু করবে সে ওই নিয়ামত পাবেই পাবে (ইনশাআল্লাহ!)এখানে দুটি বাস্তব ঘটনা উল্লেখ করা হলো:
ক). আমাদের এক পীরবোন সন্তানসম্ভাবা ছিলেনকি সন্তান জন্মগ্রহণ করবে- তা সাধারণভাবে কারো পক্ষেই বলা সম্ভব নয়তা মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের ব্যতীত এবং উনারা দয়া-ইহসান করে যাঁদেরকে অবহিত করেন অর্থা ওলীআল্লাহগণ উনারা ব্যতীত কারো পক্ষে জানা সম্ভব নয়কিন্তু সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, ত্বহিরা, ত্বইয়িবা, নিবরাসাতুল উমাম হযরত শাহযাদী ছানী আলাইহাস সালাম তিনি তো ছহিবায়ে ইলমে গাইবছিদ্দীক্বাতিনি যা বলবেন তা-ই ঘটতে বাধ্যআর তিনি ওই পীরবোনকে পূর্বেই বলেছিলেন যে, তার একটি কন্যা সন্তান জন্ম নিবেসত্যি! যথাসময়ে দেখা গেল পীরবোন একটি কন্যা সন্তানই প্রসব করেছেনসুবহানাল্লাহ!
খ). এক পীরবোন সন্তানসম্ভাবা ছিলেনবাচ্চা হওয়ার পূর্বে তিনি খুব চিন্তিত ছিলেনমনে মনে খুব চাচ্ছিলেন- যেন দ্বিতীয় বাচ্চাটি অপেক্ষাকৃত অধিক সুন্দর হয়অবস্থা দর্শনে সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, ত্বহিরা, ত্বইয়িবা, নিবরাসাতুল উমাম হযরত শাহযাদী ছানী আলাইহাস সালাম তিনি উক্ত পীরবোনের দিকে খুব দয়া-ইহসানের দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলেছিলেন, “চিন্তা করো নাএবারের বাচ্চাটি আরো অধিক সুন্দর হবেপরবর্তীতে তাই হয়েছিলসুবহানাল্লাহ!
কাজেই আমরা যে যা নিয়ামত চাই, মারিফত-মুহব্বত চাই- তা যেন খালিছভাবে উনার পাক ক্বদম মুবারক-এ মুহতাজ থেকে আরজু করি
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে