শানে লখতে জিগারে মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বায়িম-মাক্বামে যাহরা আলাইহাস সালাম, সাইয়্যিদাতুন নিসা, আওলাদে রসূল শাহযাদী ছানী হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম ১৮


সাইয়্যিদাতুন নিসা, লখতে জিগারে মুজাদ্দিদে আ’যম হযরত শাহযাদীয়ে ছানী আলাইহাস সালাম উনার সুমহান নিক্বাহ শরীফ :

মহিমান্বিত, সম্মানিত, নূরান্বিত, আলোকিত, উদ্ভাসিত, আনন্দিত, আন্দোলিত, সুশোভিত, অপরিমেয়, মনোলভা, মনোকাড়া, হাস্যোজ্জ্বল, আড়ন্বরপূর্ণ, বেমেছাল শান-শওকত-জৌলুস যুক্ত, রহমত-বরকত-সাক্বীনাপূর্ণ এক সুমহান ঈদাইন নহরধারার মুবারক নিক্বাহ শরীফ দিবস ২২শে শাওয়াল শরীফ। যা ১৪৩৪ হিজরীতে কুল কায়িনাত বহু প্রতিক্ষার প্রহর গুনার পর হাদিয়া পেয়েছে।
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ” চারটি বষিয় দখেে মানুষ বয়িতেে আগ্রহী হয়। তার ধন-সম্পদ, তার র্মযাদা ও আভজিাত্য, তার রূপ-সৌর্ন্দয, তার দ্বীনদারী বা পরহেজগারী। তবে তোমরা দ্বীনদারীকে প্রাধান্য দেিব। (বুখারী ও মুসলমি শরীফ )
এরকম মহিলাদের বিয়ের জন্য যত বেমেছাল খুছূছিয়ত-বৈশিষ্ট্য, ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যদা-মর্তবা কুরআন শরীফ , হাদীছ শরীফ সহ অন্যান্য কিতাবাদিতে উল্লেখ রয়েছে, তার থেকেও কোটি-কোটি গুন মহাপবিত্রতম এবং বেমেছাল খুছূছিয়ত-বৈশিষ্ট্য, ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যদা-মর্তবার অধিকারিনী হচ্ছেন হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ।
ঠিক তেমনি একজন মনোনিত ওলী-আল্লাহ উনার বেমেছাল খুছূছিয়ত-বৈশিষ্ট্য, ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যদা-মর্তবা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ সহ অন্যান্য কিতাবাদিতে যতটুকু উল্লেখ রয়েছে, তার থেকেও কোটি-কোটি গুন মহাপবিত্রতম এবং বেমেছাল খুছূছিয়ত-বৈশিষ্ট্য, ফাযায়িল-ফযীলত, মর্যদা-মর্তবার অধিকারী হচ্ছেন জামিউল আলক্বাব, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাতে ছানী ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি। সুবহানাল্লাহ। যিনি কুল-কায়িনাতে ’হাদিউল উমাম’ আলাইহিস সালাম মুবারক লক্ববে পরিচিত।
তাইতো আফযালুন নিসা, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, ক্বায়িম-মাক্বামে উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম  হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম এবং জামিউল আলক্বাব, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাতে ছানী ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাদের এ মুবারক নিক্বাহ শরীফ যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের দ্বারা মনোনিত  এবং আয়োজিত।
বলাবাহুল্য যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহ ওয়া সাল্লাম উনারা স্বয়ং নিজে এ মুবারক নিক্বাহ শরীফে উপস্থিত থেকে কুদরতীভাবে সম্পন্ন করেছেন। আল্লাহ পাক তিনি কুল কায়িনাতকে সেভাবেই হুবহুব সাজিয়ে ছিলেন, যেভাবে হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার মুবারক নিক্বাহ শরীফে কায়িনাতকে সজ্জিত করেছিলেন। এতটুকুর কমতি ছিল না কোথাও।
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালামগণ উনারা এবং হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি আফযালুন নিসা, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, ক্বায়িম-মাক্বামে উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম  হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনাকে নিয়ে বিভিন্ন আনজামে বেমেছাল খুশি প্রকাশ করছিলেন। অপরদিকে নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম এবং হযরত খলিফায়ে রাশেদ্বীন আলাইহিমুস সালামগন উনারা জামিউল আলক্বাব, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাতে ছানী ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনাকে নিয়ে মুবারক নিক্বাহ শরীফ উনার ঈদ পালন করছিলেন। সুবহানাল্লাহ। নিরাপত্তা দায়িত্বে ছড়িয়ে ছিলেন কায়িনাত ব্যাপি কোটি কোটি হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালামগন উনারা।
২২ শে শাওয়াল শরীফ, ১৪৩৪ হিজরী ইয়াওমুল আহাদি বা রবিবার দিবাগত রাতে তথা পবিত্র ইছনাইনীল আযিমী বা সোমবার শরীফ রাতে আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পছন্দনীয় সময়ে, পবিত্র ও সম্মানিত মাসে ’আরশী দুই নুর মুবারক’ উনাদের মিলনের জান্নাতি অনুষ্ঠান ’মুবারক নিক্বাহ শরীফ’ পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ সুমহান একমাত্র হক্ব দরবার শরীফ, রাজারবাগ শরীফ ঢাকা উনার সুন্নতী জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। যা আবাদুল আবাদ কায়িনাত মাঝে রহমত,বরকত হাছিলের স্মরনীয় একটি দিবস হয়ে চাঁদনী ছড়াবে।
(চলবে ১৯ ই রবিউছ ছানী শরীফ উনার সম্মানার্থে ১৯ পর্যন্ত)

একসাথে পেতে ক্লিক করুন

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে