শাসকগোষ্ঠীরা কি মুসলমানদের ঈমানী চেতনাশূণ্য করতে চায়?


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আর তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার দিবসমূহ স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই উক্ত দিবসসমূহের মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্যশীল, শোকর-গোজার বান্দাদের জন্য নিদর্শনাবলী তথা নিয়ামত রয়েছে।” (পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫)
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান সম্মানার্থে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা সকলেই সম্মানিত। তাই উনাদের সাথে সংশ্লি¬ষ্ট দিবসগুলোও সম্মানিত। যার কারণে উক্ত দিবসগুলো মহান আল্লাহ পাক উনার দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। সুবহানাল্লাহ! আর সেই সম্মানিত দিবসমূহকে যথাযথ মুহব্বত করা সম্মান করাই হচ্ছে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা এবং অশেষ নিয়ামত হাছিল করার অন্যতম মাধ্যম। সুবহানাল্লাহ!
তাহলে রাষ্ট্রদ্বীন ইসলামের দেশে, যেখানে ৯৮ ভাগ মুসলমান বসবাস করে সেখানে মুসলমানদের দ্বীনি তাৎপর্যপূর্ণ, নিয়ামতপূর্ণ দিবসসমূহ যথাযথ ভাবমর্যাদার সাথে কেন পালিত হচ্ছে না? সরকারের পক্ষ থেকে কেন বিশেষ দিবসসমূহ স্বরণ করিয়ে দেয়া হয় না? কেন এ সকল দিবস নিয়ে শাসক মহলের মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া নেই? কেন মুসলমানদের পাঠ্যপুস্তকে এ দিবসের কোনো প্রসঙ্গ নেই? গণতান্ত্রিক শাসকগোষ্ঠীরা কি সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের ঈমানী চেতনাশূন্য জাতিতে রূপান্তরিত করতে চায়?

নাস্তিক্যবাদী ‘শিক্ষাব্যবস্থা’ই ইসলামবিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে মুসলমানদেরকে প্রতিবাদে ‘বোবা’ করে রেখেছে

দেশজুড়ে ইসলাবিদ্বেষীরা দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের নিয়ে কটূক্তি করেই যাচ্ছে। অথচ এসবের প্রতিবাদে এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের অনুভূতি কি এতটুকু নড়ে উঠেছে? যতটুকু আশা করার ততটুকু হচ্ছে না। তাদের মাঝে কোনো প্রতিবাদের আওয়াজ উঠেনা।
কেন এই মুসলমান আজ চেতনাহীন? কারণ এদেশে তখন থেকেই অনুভূতি সম্পন্ন, বোধ বুদ্ধি-সম্পন্ন, সচেতন প্রতিবাদী মানুষ কমতে শুরু করেছে যখন থেকে এদেশের পাঠ্যপুস্তকে মানবধর্মের নামে নাস্তিকতার চর্চা শুরু হয়েছে। তখন থেকেই অনুভূতিহীন, নির্বোধ, অথর্ব একেকটি প্রজন্ম তৈরি হয়ে চলছে। এ প্রজন্ম এখন খেলার মাঠে বাঘের গর্জন তোলে, কিন্তু মায়ানমারের মতো একটি হতদরিদ্র দেশের বাহিনী যখন এদেশের সীমান্ত প্রহরীদের অপহরণ করে টয়লেটে বেঁধে পিটায় তখনও তাদের গর্জন খেলার মাঠের সীমানা পেরোয় না।
এ দেশের, এ জাতির মেরুদন্ডে (শিক্ষা) আজ যে ভাঙ্গন ধরেছে, শিক্ষানীতি থেকে নাস্তিকতার চর্চা অপসারণ করতে না পারলে অতিশীঘ্রই এ জাতি ধসে পড়বে। তবে এবার আর সেই সুদূরের ব্রিটিশ বা আমেরিকা নয়, নিকটস্থ দেশ ভারতই প্রস্তুত হয়ে আছে ভাঙ্গন ধরা এ জাতিকে শিকলে আবদ্ধ করার জন্য।

Views All Time
2
Views Today
2
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে