‘শিক্ষানীতি’তে দেশের কোটি কোটি মুসলমানদের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন নেই কেন !!


এটা সবারই জানা আছে, পড়ালেখা করুক আর না করুক- সবাই এই কথাটিকে আওড়িয়ে থাকে। ‘শিক্ষা জাতির মেরুদ-’। কিন্তু শিক্ষা নামক এই মেরুদন্ড নিয়ে এ দেশের মুসলমানদের কখনো কোনো চিন্তা-ভাবনা করে থাকে বলে মনে হয় না। কারণ আজ অনেক বছর থেকেই দেশের প্রচলিত সিলেবাসে, পাঠ্যবইগুলোতে ইসলামী শিক্ষাকে একপাশে সরিয়ে যেভাবে হিন্দুত্ববাদ, নাস্তিক্যবাদ শিক্ষা দেয়া হচ্ছে তা কারোই নজর এড়ানোর কথা নয়। কারণ নিজের সন্তান, ভাই-বোনরাইতো ওইসব বই পড়ে থাকে। বাসায়ও এনে রাখে। ওইসব ছাত্রছাত্রীদের পিতামাতা অভিভাবকরা কি কখনো এইসব বই একবারের জন্যও খুলে দেখেনি? তাছাড়া তাদের ছেলেমেয়েরা, ভাইবোনরা কি শিখছে, কি পড়ছে তা কি দেখার প্রয়োজন মনে করে না তারা?
দীর্ঘদিন থেকেই দৈনিক আল ইহসান পত্রিকায় এই শিক্ষানীতি, এই সিলেবাস, এই পাঠ্যবইগুলো যে কতবেশি মুসলমানদের ঈমান-আমল, চেতনার বিপরীত ও এগুলোতে যে কতবেশি ইসলামবিদ্বেষী গল্প, কবিতা, সাহিত্য প্রবেশ করানো হয়েছে তা পত্রস্থ হয়ে আসছে। অথচ দেশের প্রশাসনতো পরে দেশের সাধারণ মুসলমানদের মাঝেও কোনোরকম চেতনা বা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না।
কতটুকু অজ্ঞ, অসচেতন ও অথর্ব হলে- একটি জাতি দেশের শিক্ষানীতির এমন একটি নগ্ন ভয়ঙ্কর রূপ দেখেও প্যারালাইজড হয়ে থাকতে পারে!! এখন নাকি আবার সরকার এই শিক্ষানীতিকে শিক্ষা আইন করতে যাচ্ছে। তাহলে তো দেখা যাবে এ নিয়ে লেখালেখি ও প্রতিবাদ যতটুকু করা হচ্ছে, এতটুকুও বন্ধ হয়ে যাবে। তাই জনগণকে অন্তত নিজের মুসলমানিত্বের চিহ্নগুলো রক্ষার স্বার্থে হলেও শিক্ষানীতিকে ইসলামবিদ্বেষীদের কালো থাবা থেকে রক্ষা করতে প্রতিবাদী হতেই হবে। শিক্ষানীতি থেকে নাস্তিকতা ও হিন্দুত্ববাদকে তুলে দেয়ার আওয়াজ তুলতে হবে। চুপ থেকে নিজের সন্তানকে নাস্তিক্যবাদ ও বিধর্মীদের মতবাদ শিক্ষা দেয়ার গুনাহ কাঁধে তুলে নিবেন না।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে