শিক্ষানীতির নীতিই যখন প্রশ্নবিদ্ধ: পাঠ্যপুস্তক, নাকি অমুসলিম-বিধর্মীদের ‘প্রশংসা-পুস্তক’?


বেখবর বাংলার কোটি কোটি মুসলমান! মুশরিক ও নাস্তিক-মুরতাদদের প্লানগুলো একে একে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্তরে হিন্দুকরণ ও নাস্তিকদের পদায়নের পর এখন এ দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকগুলোকে সেই নীলনকশা বাস্তবায়নের আয়ত্তে আনা হয়েছে এবং হচ্ছে। ক্লাস ওয়ান থেকে শুরু করে সকল বইগুলোরই প্রতিটি পাতাকে ভরিয়ে দেয়া হয়েছে চরম ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষ।
বইগুলোকে ভরিয়ে দেয়া হয়েছে চিহ্নিত ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক-মুরতাদদের লেখা। মুশরিক ও নাস্তিক মুরতাদদের রচনা ছাড়াও অন্যান্য লেখকরাও কতটুকু ইসলামপ্রিয় খাঁটি মুসলমান সেটিও প্রশ্নবিদ্ধ। বইয়ের শুরুতেই কট্টর ইসলামবিদ্বেষী লেখকদের প্রশংসা অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। যেভাবে হিন্দু ইশ্বরচন্দ্রের প্রশংসা করা হয়েছে, তার কিয়দাংশও কোনো মুসলমানের প্রশংসা করা হয়নি বইগুলোতে। কট্টর মুশরিক ইশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ ‘দয়ার সাগর’ ‘মহাপ-িত’ ‘শিক্ষাবিদ’ ‘সমাজ সংস্কারক’ ‘খ্যাতনামা লেখক’ ‘বাংলা গদ্যের জনক’ এসব উপাধিতে আখ্যায়িত করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান। অথচ এই কোটি কোটি মুসলমান যদি এখনই এসব অপকর্মের স্রোতকে বন্ধ করতে না পারে তাহলে সেই ব্রিটিশ শাসনের মতো আরো একবার মুশরিক মালউন ও নাস্তিক মুরতাদদের অপশাসনকে স্বীকার করতে বাধ্য হবে। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে