শিক্ষানীতি পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরী! গোপনে নয় প্রকাশ্যেই শিশু-কিশোরদের মনমানসিকতা বিধর্মীদের দিকে রুজু করা হচ্ছে পাঠ্যবইগুলোতে যে নানা কৌশলে অনেক বিতর্কিত


বিষয় প্রবেশ করানো হয়েছে- সেটা এখন আর গোপন নয়, বিষয়টা এখন প্রকাশ্য। প্রকাশ্যেই পহেলা বৈশাখের মতো সম্পূর্ণ একটি ইসলামবিরোধী অপসংস্কৃতিকে ‘বাঙালির উৎসব’ বলে প্রতিটি শ্রেণীর বইয়ে সিলেবাসভুক্ত করা হয়েছে। পূজা করা, কবরে বা মিনারে ফুল দেয়া, দেব-দেবীর প্রশংসা এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা নেই এমন কোনো শ্রেণী নেই। প্রতিটি ক্লাসের কোনো না কোনো বইয়ে এ ধরনের রচনা, কবিতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ লেখায় আলোচিত হবে আরো একটি বিষয়। পাঠ্যবইয়ে ভ্রমণ কাহিনী বা কোনো শহর, স্থাপনা এরকম কোনো নামকরা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের আলোচনা-পরিচিতি থাকবে- এটা স্বাভাবিক। কিন্তু ভ্রমণ কাহিনী যদি হয় কোনো অপসংস্কৃতি চর্চাকারী বা মুসলিমবিদ্বেষী কোনো দেশকে নিয়ে। অথবা কোনো শহর বা স্থাপনার পরিচিতি হিসেবে যদি দেয়া হয় বিধর্মীদের স্থাপনা বা শহরের পরিচিতি- তবে ব্যপারটিকে কিভাবে দেখা উচিত। আমাদের এটা মনে রাখা উচিত এ দেশের ৯৮ ভাগ জনগণ যেমন মুসলমান তেমনি এদেশের শিক্ষার্থী বা ছাত্রছাত্রীদেরও প্রায় শতভাগ মুসলিম। তাহলে এদেশের পাঠ্যবইয়ে মুসলিম ভাবধারার বিপরীত বিষয় কিভাবে থাকতে পারে?
কিন্তু ব্যাপারটি এমনই। যেমন- ৪র্থ শ্রেণীর ‘আমার বাংলা বই’-এর একটি রচনার নাম হলো ‘পাহাড়পুর’। এটি বৌদ্ধদের একটি স্থাপনা। বইটিতে এ স্থাপনার প্রশংসা করার একটি উদাহরণ হলো এরকম-‘এটি বাংলাদেশের এমনকি দুনিয়ার একটি বিখ্যাত জায়গা’। প্রশ্ন হলো- দেশের কোটি কোটি মুসলিম শিশুদেরকে মক্কা শরীফ, মদীনা শরীফ ইত্যাদির সাথে পরিচয় না করিয়ে ‘পাহাড়পুর’র বৌদ্ধ বিহারের সাথে পরিচিত করার উদ্দেশ্য কি? উদ্দেশ্য হলো- শিশুদের মনমগজে এটাই প্রবেশ করানো- মক্কা শরীফ, মদীনা শরীফ উনাদের চেয়ে বৌদ্ধ বিহারটাই বড়। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক!
পাঠক! এখানে তো শুধু একটি বইয়ের উদাহরণ দেয়া হলো- আসলে প্রত্যেকটি ক্লাসের বইগুলোকেই এভাবে সাজানো হয়েছে। বিধর্মীদের সবকিছুকে হাইলাইট করে উপস্থাপন করা হয়েছে আর মুসলিমদের ইতিহাস ঐতিহ্যকে আড়াল করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে