শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা রাস্তাঘাটে কেন পূজা করতে দেয়া হচ্ছে, পূজাতো মন্দিরের বিষয়


আমাদের দেশে বর্তমানে প্রকাশ্যে মাঠে-ঘাটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পূজা করাটা খুব স্বাভাবিক একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ অধিকাংশ মুসলমানই এরূপ ধারণা করে থাকে যে, মূর্তিপূজারীরা তাদের ধর্ম পালন করছে, তারা তো কারো কোনো ক্ষতি করছে না। কিন্তু মুসলমানদের এই ধারণা সম্পূর্ণই ভুল। কারণ মুশরিক তথা পূজারীরা তাদের পূজায় প্রকাশ্যে ধুমধাম করে এলাকায় তাদের প্রাধান্য বিস্তার করার লক্ষ্যে। পূজায় নর্তন-কুর্দন করাটা মূলত তাদের শক্তি প্রদর্শনের মহড়া, যা থেকে শুরু হয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার।
পূজারীদের স্বভাবই হলো এমন যে, তারা একবার পূজা-কীর্তন শুরু করতে পারলে মাইক লাগিয়ে, পটকা ফাটিয়ে পুরো এলাকার মুসলমানদের ঘুম হারাম করে। মুশরিক তথা পূজারীরা চায়, মুসলমানরা অতিষ্ট হয়ে এর প্রতিবাদ করুক এবং এর সুযোগে মূর্তিপূজারীরা তাদের হিংস্র দাঁত নখ বের করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় ঝাঁপিয়ে পড়–ক।
পাঁচশ বছর আগে নদীয়ার গোরা যেভাবে কীর্তন ও পূজার মাধ্যমে মুসলিম উচ্ছেদের সূত্রপাত করেছিল, ঠিক সেভাবেই ভারতীয় হিন্দুরা আজও বিভিন্ন এলাকায় মন্দির ম-প বসিয়ে মুসলমানদেরকে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করছে, মুসলমানদের মসজিদগুলোকে মন্দিরে পরিণত করছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, বাবরি মসজিদ ধ্বংসের কথা। বাবরি মসজিদে হিন্দুদের দখলদারিত্ব শুরু হয়েছিল মসজিদের পাশে একটি ছোট পরিসরে মন্দির নির্মাণ করে পূজা করার মাধ্যমে। পূজা করতে করতে একটি সময় হিন্দুরা মিথ্যা দাবি করে, মসজিদটি ছিল তাদের কথিত রামের জন্মভূমি।
সেই ধারাবাহিকতাতেই আজকে বাংলাদেশের বিভিন্ন মাঠে-ঘাটে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ম-প তৈরি করছে মূর্তিপূজারীরা। মুসলমানরাও সরলমনে তাদেরকে ম-প তৈরি করতে দিচ্ছে। মুসলমানরা বুঝছে না যে, অল্প কিছুদিন পরই এই মূর্তিপূজারীরাই তাদের শাসিয়ে বলবে, এই জায়গাগুলো মুসলমানদের নয়, এগুলো তাদের পূজার জায়গা। মুসলমানরা এসব জায়গা ছেড়ে চলে যাক।
সেই পরিণতি আসার আগেই মুসলমানদের সাবধান হতে হবে। মূর্তি পূজা মন্দিরে হবে, অর্চনা উপাসনা মন্দিরে হবে, সেটা কোনো অবস্থাতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা রাস্তাঘাটে হতে দেয়া যাবে না। প্রকাশ্যে পূজা করতে দেয়ার অর্থই হলো মুসলমানদের অস্তিত্ব ও মাল-সম্পদ-ইজ্জতের উপর হুমকি।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে