শিয়ারা মুসলমান দাবী করলেও ইসলামী দৃষ্টিকোন থেকে তারা মুসলমান নয়!


কারবালার ময়দানে যখন হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম তিনি ইয়াযীদ বাহিনীকে অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে বুঝাতে চাইলেন যে,
 
জুলুম অত্যাচার থেকে বিরত থাকো, আমার রক্ত দ্বারা তোমাদের হাত রন্জিত করো না।আমি তোমাদের কোন ক্ষতি করিনি।আমি তো কূফাবাসীর আহবানে এসেছি। তারা যখন বিশ্বাসঘাতকতা করলো তখন আমাকে চলে যেতে দাও।
কিন্তু উনার কথায় ইয়াযীদ বাহিনীর মনে কোন দাগ কাটলো করলো না। বরং তারা হৈ-চৈ শুরু করে দিল এবং বলতো লাগলো, আমরা আপনার বক্তৃতা শুনতে আসি নি।
(নাউযুবিল্লাহ)
এখন সেই ইয়াযিদের উত্তরসুরীরা প্রায়শ্চিত্ত স্বরুপ তাজিয়া মিছিল , শোকপালন, বিলাপ করে থাকে।এরা নিজেদের উনার একান্ত ভক্ত ও অনুসারী বলে প্রকাশ করে।কিন্তু যা প্রকাশ করে না তা হলো, তারাই হযরত হুসাইন রাদিয়াল্লাহু তা‘আলা ‘আনহু উনাকে অসম্মান করেছিল যখন তিনি কুফার ভূমিতে তাদের কাছে এসেছিলেন।
কারবালা দিবসে শোক প্রকাশ করতে গিয়ে গালে ছুরি চালানো, বুকে চাপড়ানো এবং নিজেকে ক্ষত-আহত করার যে রেওয়াজ শিয়ারা চালু করেছে, সেটা হারাম। এটি শরীয়ত কর্তৃক অনুমোদিত ভালোবাসার মধ্যে পড়ে না। গালে আঘাত করা, বুকের কাপড় ছিঁড়ে ফেলা কিংবা নিজে নিজেকে কষ্ট দেয়া অবৈধ, হারাম।
হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, ‘সে আমাদের উম্মতভুক্ত নয় যে গালে আঘাত করে, বুকের কাপড় ছেঁড়ে এবং জাহেলী কথাবার্তা বলে।
(বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে