শিয়া সম্প্রদায় ও তাদের কুফরি আকিদা


শিয়াদের পরিচিতি:  শিয়া একটি বাতিল বা ভ্রান্ত ফিরকা। যারা হযরত আলী আলাইহিস সালাম উনাকে অনুসরনের দোহাই দিয়ে সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের চরম বিরোধীতা করে তাদের শিয়া বলে। এদেরকে রাফেযী ও বলা হয়ে থাকে। ইসলামের বিরুদ্ধে ইহুদীদের এক সুদূরপ্রসারী চক্রান্তের ফসল হচ্ছে এ দলটির আত্মপ্রকাশ। আহলে বাইত আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত-এর আড়ালে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণের প্রতি জঘন্য ও ঈমান বিধ্বংসী শত্রুতা পোষণের মারাত্মক বিদয়াত ও কুফরীর প্রবর্তক হচ্ছে শিয়া ফেরকার লোকেরা। এদের মধ্যে ২২ টি দল আছে। যাদের মৌলিক আক্বিদা এক,যৎসামান্য প্রার্থক্য আছে। নিম্মে তাদের আক্বীদা সমূহ দেয়া হলো, যেন মুসলমানরা বিভ্রান্ত না হন। অনেকে মনেকরে মুসলমান দুই ধরনের সুন্নী ও শিয়া। মূলত: শিয়ারা মুসলিম নয়। তা তাদের অসংখ্য কুফরী আক্বীদা প্রমান করে। নিম্নে কয়েকটা উল্লেখ করা হলো:

 

ইসলামের রুকনঃ আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের ৫ রুকনের সাথে তাদের রুকনের পার্থক্য রয়েছে। তাদের রুকনগুলো হলোঃ ১. নামায ২. রোযা ৩. হজ্জ ৪. যাকাত ৫. বেলায়েত (উছুল কাফী)

 

কালিমা শরীফঃ শিয়াদের কালিমা শরীফ ভিন্ন। তাদের কালিম শরীফ হলো “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহম্মাদুর রাসুলুল্লাহ আলী ওয়ালী উল্লাহ” কালিমা শরীফ নিয়ে তাদের বক্তব্য হলো, “আলী ওয়ালী উল্লাহ ব্যতীত কালিমা তাইয়্যিবা মিথ্যা” (শিয়া মাযহাব হক্ব হ্যায়, ২ পৃষ্ঠা)

 

আযানঃ সুন্নীদের সাথে তাদের আযানেরও পার্থক্য আছে। শিয়ারা আযানে “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ” এর পরে “আশহাদু আন্না আলিউন ওয়ালী উল্লাহ” এবং “হাইয়া আলাল ফালাহ” এর পরে “হাইয়া আল খায়ির আল আমল” পড়ে।

 

নামাযঃ সুন্নীদের সাথে তাদের নামাযের পার্থক্য রয়েছে। যেমনঃ

 

১. সুন্নীদের ন্যায় ৫ ওয়াক্ত নামায থাকলেও আছর ও এশার নামাযে নির্দিষ্ট সময়সূচী না থাকায় যথাক্রমে যোহর ও মাগরিবের সাথে একত্রে পড়ে। রমাদ্বান মাসে তারাবীহ নামায পড়ে না।

 

. নামাযে বাম হাতের উপর ডান হাত বাধলে নামায ভঙ্গ হবে (তাফসীর আল ওয়াসীলা)

 

৩. নামাযে সূরা ফাতিহার পরে “আমিন” বললে নামায ভঙ্গ হবে কিন্তু তাকীয়া (অন্তরে যে বিশ্বাস তার বিপরীত কিছু বলা বা করা) করার সময় আমিন বলা জায়িয। (তাফসীর আল ওয়াসীলা)

 

 

রোযাঃ শিয়ারা পশ্চিম আকাশের লালিমা দূর না হওয়া পর্যন্ত ইফতার করে না। এ অবস্থাকে তারা গুরুবে ওয়াকিই বা তব অস্ত বলে।

 

যাকাতঃ শিয়াদের মতে, মোট ৯ প্রকার সম্পদের যাকাত ওয়াজিব; যথাঃ গম-যব, খুরমা-কিশমিশ, গরু, মহিষ, ভেড়া, বকরি, উট, স্বর্ণ ও রৌপ্য।

 

হজ্জঃ শিয়াদের হজ্জ নিয়ে কুফরী আক্বীদা রয়েছে। তাদের বক্তব্য হলো- “আরাফার দিনে আরাফার ময়দানে অবস্থানকারীগণ হচ্ছে জারয সন্তান” (বেহারুল আনওয়ার, আল মাজেলেসী) শিয়াদের হজ্জে মহিলা হাজীদের মাহারাম লাগে না।

 

মহান আল্লাহ পাক সম্পর্কে আক্বীদাঃ শিয়াদের মধ্যে হিশাম ইবনুল হাকাম সর্বপ্রথম মহান আল্লাহ পাক উনার শানে চরম কুফরী মুলক কথা বলে। পরবর্তীতে সে ও তার দল মহান আল্লাহ পাক উনার সিফত অস্বীকারকারী জাহমিয়াহ দলে রপান্তরিত হয়।

 

১. তারা মহান আল্লাহ পাক উনার নুযুল (দুনিয়ার আসমানে অবতরণ) অস্বীকার করে, কুরআন শরীফ-কে মাখলুক বলে এবং পরকালে মহান আল্লাহ পাক উনার দিদারকে অস্বীকার করে।

 

২. শিয়ারা মহান আল্লাহ পাক উনার ছিফত সম্পর্কে বলে, “বাদা’আ” মহান আল্লাহ পাক উনার একটি ছিফত অর্থাৎ তিনি ভুলে যান। তিনি ভূল করে থাকেন। তিনি পরিকল্পনা করলেও তা বাস্তবায়িত হয় না। পরবর্তী নবী কিংবা ইমাম কে হবেন এ সম্বদ্ধে উনার কোনো ধারণা নেই। (উসূলুল কাফী, মুহম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল কুলাইনী, ১ম খন্ড, ২৮৩ পৃষ্ঠা)

 

৩. তারা আরো বলে, “আমরা (শিয়া) এমন আল্লাহ পাক উনার ইবাদত করি না যিনি হযরত উছমান যূন নুরাইন আলাইহিস সালাম, হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং ইয়াযিদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কে খিলাফত প্রদান করেন। (কাশফুল আসরার, ১০৭ পৃষ্ঠা, খোমিনী)

 

৪. তারা বলে, “মহান আল্লাহ পাক তিনি যখন খুশি হন তখন ফার্সি ভাষায় কথা বলেন এবং যখন রাগান্বিত হন তখন আরবী ভাষায় কথা বলেন” (তারিখুল ইসলাম, ১৬৩ পৃষ্ঠা)

 

৫. তারা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনাকে মহান আল্লাহ পাক উনার সমকক্ষ মনে করে থাকে। তাই তারা বলে, “আমি প্রথম, আমি শেষ, আমিই ব্যক্ত, আমিই  উপরে আর আমিই নিকটে এবং আমিই যমিনের অধিকারী।” (রিজালু কাশী, পৃষ্ঠা ১৩৮, ভারতীয় ছাপা)

 

৬. তারা আরও বলে, মহান আল্লাহ পাক তিনি মিথ্যা বলেন (উসূল কাফী, মুহম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল কুলানী,১ম খন্ড, ১৪৮ পৃষ্ঠা )

 

৭. হযরত আলী আলাইহিস সালাম তিনিই আল্লাহ পাক (জিলা-উল-আইয়ুন, ২য় খন্ড, ৬৬ পৃষ্ঠা)

 

৮. ইমাম ব্যতীত মহান আল্লাহ পাক উনার অস্তিত্ব প্রমাণ অসম্ভব (উসূল কাফী, মুহম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল কুলানী,১ম খন্ড, ১৭৭ পৃষ্ঠা )

 

 


 

 

কুরআন শরীফ সম্পর্কে আক্বীদাঃ কুরআন শরীফ সম্পর্কে শিয়াদের আক্বীদা হলো বর্তমানে বিদ্যমান কুরআন শরীফ এবং হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাযিলকৃত কুরআন শরীফ ভিন্ন। এতে অনেক পরিবর্তন-পরিবর্ধন ও কম-বেশী করা হয়েছে। তাদের ধারণা কুরআন শরীফ দুইটি। একটি প্রকাশ্য এবং অন্যটি অপ্রকাশ্য। কুরআন শরীফ-এর অপ্রকাশ্য অংশ হযরত ইমাম মাহদী আলাইহিস সালাম উনার নিকট আছে। তারা কুরআন শরীফ এ“সূরা বেলায়াহ” আছে বলে দাবী করে। তারা বিশ্বাস করে যে, সূরা ইনশিরাহ এর ৪ নম্বর আয়াত শরীফ-এ “আপনার মর্যাদাকে সমুন্নত করেছি” এর সাথে সংযুক্ত “হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার দ্বারা” এই অংশটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। (ফাসলুল খিতাব ফী তাহরীফে কিতাবি রাব্বিল আরবাব, নুরী আত ত্বাবারাসী) 

 

কুরআন শরীফ সংশ্লিষ্ট কুফরী আক্বীদাগুলো হলোঃ

 

১. “বর্তমান কুরআন শরীফ অসম্পূর্ণ।” ( উসুল কাফী, মুহম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল কুলাইনী, ১ম খন্ড, ২২৮ পৃষ্ঠা)

 

২. “হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি কুরআন শরীফ সংরক্ষনে বাধা দিয়েছিলেন।” (কাশফুল আসরার, ১১১ পৃষ্ঠা)

 

৩. “প্রকৃত কুরআন শরীফ হযরত ইমাম মাহাদী আলাইহিস সালাম উনার নিকট আছে।” (উসুল কাফী, মুহম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল কুলাইনী, ২য় খন্ড, ৬৩২ পৃষ্ঠা)

 

৪. “শিয়াদের অধিকাংশ মুহাদ্দিছ বিশ্বাস করে যে, কুরআন শরীফ-এ অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে।” (উসূলুল কাফী, মুহম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল কুলাইনী, ১ম খন্ড, ২৮৪ পৃষ্ঠা)

 

৫. “যে ব্যক্তি দাবী করে যে মহান আল্লাহ পাক তিনি পূর্ণ কুরআন শরীফ যেভাবে নাযিল করেছেন, অনুরূপ সে তা একত্র করেছেন, তাহলে সে মিথ্যাবাদী। প্রকৃতপক্ষে মহান আল্লাহ পাক তিনি যেভাবে কুরআন শরীফ নাযিল করেছেন, হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম এবং উনার পরবর্তী ইমামগণ ছাড়া কেউই তা হুবহু একত্র ও সংরক্ষণ করতে সক্ষম হননি।” (উসূলুল কাফী, মুহম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল কুলাইনী, ১ম খন্ড, ২৮৫ পৃষ্ঠা)

 

৬. “আউসিয়া তথা ওসীয়তকৃত ব্যক্তি বর্গ ব্যতীত কেউ দাবী করতে পারবে না যে, প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সম্পূর্ণ কুরআন শরীফ তার নিকট রয়েছে।” (উসূলুল কাফী, মুহম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল কুলাইনী,২য় খন্ড, ৬৩৪ পৃষ্ঠা)

 

৭. “হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম যে কুরআন শরীফ নিয়ে আসেন তার আয়াত শরীফ সংখ্যা সতের হাজার।” (মিরআতুল উকুল, শায়খ আল মাজলেসী)

 

৮. ইমাম ব্যতীত অন্য কেউই কুরআন শরীফ-এর পুনাঙ্গ জ্ঞান অর্জন করে পারবে না (উসূল কাফী, মুহম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল কুলানী,১ম খন্ড, ২২৮ পৃষ্ঠা )

 

৯. প্রকৃত কুরআন শরীফ এ ১৭ হাজার আয়াত শরীফ আছে। (আল সাফী, ২য় খন্ড, ৬১৬ পৃষ্ঠা)

 

১০. কুরআন শরীফ-এ ফায়িশা দ্বারা হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম, মুনকির দ্বারা হযরত উমর ফারুক আলাইহিস সালাম এবং বগ্বী দ্বারা হযরত উছমান আলাইহিস সালাম উনাদেরকে বুঝানো হয়েছে ( কুরআন মজীদ-এর অনুবাদ, মকবুল হুসাইন দেহলভী, ৫৫১ পৃষ্ঠা)

 

 


 

 

হুযুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে কুফরি আকিদাঃ

 

১. সকল ইমামদের মর্যাদা সমান এবং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমমর্যাদার। (উসুল কাফী, মুহম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল কুলানী,১ম খন্ড, ২৭০ পৃষ্ঠা)

 

 

হযরত আহলে বাইত আলাইহিমুস সালাম ও সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহুতায়ালা আনহুম উনাদের সম্পর্কে কুফরী আক্বীদা সমূহঃ

 

 

হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আহলে বাইত আলাইহিমুস সালাম ও সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে গালমন্দ করা এবং কাফির বলাই শিয়াদের মূলনীতি।

 

১. হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছাল শরীফ-এর পর হযরত মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত আবু যর গিফারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত সালমান ফারেসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এই তিন ব্যক্তি ব্যতীত সমস্ত মানুষ (সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম) মুরতাদ ছিল। (উসূলুল কাফী, মুহম্মদ ইবনে ইয়াকুব আল কুলাইনী, ২খন্ড, ২৬৪পৃষ্ঠা)

 

২. হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম এবং হযরত উমর ফারুক আলাইহিস সালাম উনারা কাফির এবং যারা উনাদেরকে ভালবাসবে তারাও কাফির। (বেহারুল আনওয়ার, আল মাজলেসী)

 

৩. হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম এবং হযরত উমর ফারুক আলাইহিস সালাম উনারা কাফির এবং যারা উনাদেরকে ওলী হিসেবে গ্রহণ করবে তারাও কাফির। (বেহারুল আনওয়ার, আল মাজলেসী, ২৯ খন্ড, ১৩৭-১৩৮ পৃষ্ঠা)

 

৪. সূরা আন নাহাল এর ৯০ নম্বর আয়াত শরীফ এর “ফাহশা” অর্থ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম, “মুনকার” অর্থ হযরত উমর ফারুক আলাইহিস সালাম এবং “বাগী” অর্থ হযরত উছমান যিন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনাকে বুঝানো হয়েছে। (তাফসীরে কুম্মী)

 

৫. হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম, হযরত উমর ফারুক আলাইহিস সালাম, হযরত উছমান যিন নূরাইন আলাইহিস সালাম এবং হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা জাহান্নামের জ্বালানী কাষ্ঠ। (তাফসীরে কুম্মী)

 

৬. হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছাল শরীফ-এর পর হযরত মিকদাদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, হযরত আবু যর গিফারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং হযরত সালমান ফারসী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ব্যতীত সকল সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ইসলাম ত্যাগ করেছেন ( কুরআন মজীদ-এর অনুবাদ, মকবুল হুসাইন দেহলভী, ১৩৪ পৃষ্ঠা)

 

৭. হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি বিছাল শরীফ-এর সময় কালিমা শরীফ পাঠ করতে পারেন নি (ইছরার-এ-মুহম্মদ, ২১১ পৃষ্ঠা)

 

৮. হযরত ইমাম মাহাদী আলাইহিস সালাম তিনি আগমনের পর হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে স্বীয় অপরাধের জন্য রওজা শরীফ থেকে তুলে চাবুক মারবেন। ( আল সাফী, ২য় খন্ড, ১০৮ পৃষ্ঠা)

 

৯. শয়তান সর্বপ্রথম হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম উনার কাছ থেকে তার প্রতি আনুগত্যের শপথ নিয়েছিল (ইছরার-এ-মুহম্মদ, ৩০ পৃষ্ঠা)

 

১০. হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম এবং হযরত উমর ফারুক আলাইহিস সালাম উনারা শয়তানের চেয়ে বেশী অত্যাচারী ছিলেন (হক্ব-উল-ইয়াকিন, ৫০৯ পৃষ্ঠা)

 

১১. হযরত ইমাম মাহাদী আলাইহিস সালাম সকল সুন্নী আলিমদের হত্যা করবেন (হক্ব-উল-ইয়াকিন, ৫২৭ পৃষ্ঠা)

 

১২. হযরত আলী আলাইহিস সালাম তিনি ব্যতীত কালিমায়ে তইয়্যিবা মিথ্যা (শিয়া মাযহাব হক্ব হ্যায়, ২ পৃষ্ঠা)

 

১৩. হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহি সালাম এবং হযরত উমর ফারুক আলাইহিস সালাম উনারা শয়তানের অনুসারী ছিলেন ( কুরআন মজীদ-এর অনুবাদ, মকবুল হুসাইন দেহলভী, ৬৭৪ পৃষ্ঠ)

Views All Time
1
Views Today
3
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে