‘শ্রমিক দিবস’-এর মাধ্যমে তারা প্রকারান্তরে শ্রমিকদের হেয় প্রতিপন্নই করছে।


আসছে ১ লা মে অর্থাৎ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস । শুধু এই একটি দিনই শ্রমিকের অধিকার নিয়ে সমাজে খুব আলোচনা সভা করা হয়। শ্রমিক ও পেশাজীবী সংগঠনগুলো সমাবেশ মাধ্যমে খুব ঘটা করে এ দিবস উদযাপন করে। আর বাকী দিনগুলিতে কি অধিকার আদায় করা হবে না ? ‘পহেলা মে’ বা ‘শ্রমিক দিবস’-এর মাধ্যমে তারা প্রকারান্তরে শ্রমিকদের হেয় প্রতিপন্নই করছে। এ দ্বারা কি প্রমাণ হয়না যে শ্রমিকরা আলাদা বা নিম্নশ্রেণীর লোক । পরিশ্রম বা কাজ করলেই আলাদা কোনোও নিচু জাত হয়ে যায় না। কাজ অনুযায়ী কাফির-মুশরিকদের কাছে নিম্নশ্রেনীর বা নিচু জাত হতে পারে; কিন্তু একমাত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে মালিক-শ্রমিক, উঁচু-নিচু্‌, ধনী-গরিব বলে কোন ভেদা-ভেদ নেই। সকলের সমান অধিকার রয়েছে।
শ্রমজীবী মানুষের মেহনত সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয় আমি (আল্লাহ পাক) মানুষকে সৃষ্টি করেছি পরিশ্রমী বা শ্রমজীবী করে।” (পবিত্র সূরা বালাদ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ-৪)
অনেক প্রতিষ্ঠানেই দেখা যায় শ্রমিকের শ্রমের মূল্য ঠিকমত দেয়না। অথচ পবিত্র হাদীস শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে – ‘তোমরা শ্রমিককে তার শরীরের ঘাম শুকানোর পূর্বেই পারিশ্রমিক দিয়ে দাও’।
পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে শ্রমিককে মালিকের ভাই বলে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। সব মুসলমান ভাই ভাই বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। শ্রমিকের অধিকার সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ তথা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার আদর্শই যথেষ্ট।

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে