ষড়যন্ত্রকারিদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানো আমাদের ঈমানী দায়িত্ব।


এই মাত্র একটি নিউজ পেলাম যে,জামায়াতে  ইসলামীর  কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম  আলীর মানবতাবিরোধী  অপরাধে  মৃত্যুদণ্ডের  রায় আপিল বিভাগে বহাল রাখার প্রতিবাদে কাল বুধবার সকাল-সন্ধ্যা  হরতাল ডেকেছে।

অথচ  সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ‘হরতাল’ করা সম্পূর্ণই হারাম। হরতালের ফলে একদিক থেকে যমীনে ফিৎনা-ফাসাদ সৃষ্টি হয়; আরেক দিক থেকে মানুষকে কষ্ট দেয়া হয়, দেশের ক্ষতি করা হয়। অর্থাৎ হক্কুল্লাহ ও হক্কুল ইবাদ নষ্ট করা হয়।

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা যমীনে ফাসাদ সৃষ্টি করোনা।’
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,       ليس منا من تشبه بغير نا           

“যে ব্যক্তি আমাদের দ্বীন ইসলাম ছাড়া অন্য কিছুর অনুসরণ করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়”।

  সুতরাং  সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ‘হরতাল’ করা সম্পূর্ণই হারাম।
 এছাড়াও এই হরতাল  করা হচ্ছে বিধর্মীদের নিয়মনীতি অনুসরণ করা। যা কাট্টা হারাম ও কুফরী। তাহলে আমরা দেখতে পাই যে, এই জামায়াত  ইসলামী সর্বদা হারাম গণতন্ত্র, হরতাল, লংমার্চ  করছে এবং বিধর্মীদের অনুসরণ করছে। আর সে কারনেই কাফির-মুশরিকরা  আজ এত  সাহস পেয়েছে যে,  সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে বাতিলের দুঃসাহস দেখাচ্ছে। 

এরাই হচ্ছে  ঘাপটি মেরে থাকা ইসলাম বিরোধী বাতিল চক্র  ।  এরাই  আমাদের প্রিয় ভূমিকে অস্থিতিশীল করে ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ধ্বংস করতে চায়। ইতিহাস সাক্ষী, এদের মদদেই কাফেররা যখনই সুযোগ পেয়েছে তখনই ইসলাম, ঈমান ও মুসলমানদের উপর আঘাত হেনেছে। তাই আমরা  লক্ষ্য করছি যেখানে সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র  করছে সেখানে তারা এ বিষয় প্রতিবাদ না করে নিজেদের সার্থের জন্য হরতাল ডাকছে। এখন সকলে  চিন্তা করে দেখুন দ্বীন ইসলাম আগে না নিজের সার্থ আগে। এই  ষড়যন্ত্রকারিদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানো আমাদের ঈমানী  দায়িত্ব।

 

 

 

Views All Time
1
Views Today
1
শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে