‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’ বলে হিন্দুদের যতো রটনা সব মিথ্যা ও তাদের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র


সত্য কখনো চাপা থাকে না। মুসলমানদের চির শত্রু হিন্দুরা এদেশে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য নানা ধরনের চক্রান্ত করে নাটক সাজিয়ে বিভিন্ন ঘটনা ঘটায়। এমনই একটি বহুল প্রচারিত ঘটনা আজ ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় গ্রামে হিন্দু ঠাকুর শ্যামল ইন্দ্র চ্যাটার্জীর বাড়ীতে চুরির উদ্যেশ্যে শিং খুচা নিয়ে ঘটনা। শ্যমল ইন্দ্র চ্যাটার্জী অত্যান্ত দরিদ্র লোক দিন আনে দিন খায়,তার ঘরে থাকেনা অবশিষ্ট এক (১) সের চাউল কিংবা নগদ অর্থ ।

jhalakathi mapতিনি পার্শ্ববর্তী রাজাপুর ইউনিয়নের মনোহরপুর গ্রামের সন্তান, তার পিতার মামা বাড়ী এই শুক্তাগড় গ্রামের ঠাকুর বাড়ী । তিনি ওয়ারিশ সুত্রে এখানে বসবাস করে কেনাবেচা করে দিন চালায় । এই বাড়িটি বৃহত্তম বরিশাল বিভাগের নামকরা বনমালী ঠাকুরের বাড়ী ছিল । গত ১০-০৭-২০১৫ইং তারিখে রাত্রে টা সাজানো এই নাটকটি তার পার্শ্ববর্তী ঘর মিজানুর রহমান ও খলিল হাং এবং মোজাম্মেল হোসেন তারাও শুনেনি এরকম একটি ঘটনা । তার বাড়ী থেকে ৫০০গজ দূরে অবস্থতিত হিন্দু পরিবারগুলো শুনে ঐ রাত্রে তার বাড়ী এসে পাশের লোকজনকে ডেকে সাজানো নাটকটি দেখায় এবং পরের দিন রাজাপুর থানায় একখানা সাধারন ডায়েরী করেন । ২০১৪সালের ঐ গ্রামে বিশ্বাস বাড়ীতে জমি জমা নিয়ে জের ধরে হাতাহাতি ও মারামারি ঘটনা নিয়ে পুরো বাংলাদেশে কান কথা শুনা মিডিয়াগুলো ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’ বলে রীতিমতো ঝড় তুলেছিলো। অথচ (ঘটনার ১ বছরের মধ্যে ) সম্প্রতি এর নেপথ্যে শাক্ষির মাধ্যমে ঐ মামলার সত্য ঘটনাটি প্রকাশ হয়েছে।

সম্প্রতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি নীতিমালায় ভিপি সম্পত্তির তালিকার (খ)এর ৫৪ ধারা মিটিশন রেকর্ডের নামে চলছে নানা অবলম্বনের ব্যবসা বাণিজ্য । আর এরই সুযোগ ধরে হিন্দু সম্পাদয়গুলো মিথ্যা ষড়যন্ত্র মুলক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে মুসলমানের উপর । হিন্দুদের কাছ থেকে ক্রয়কৃত সম্পত্তি মুসলমানরা এখন বিতর্কে ও মানহানির কাঠগরায় দাঁড়িয়ে আছে । যেমন বাংলাদেশের হিন্দু সম্পাদয়গন এক (১)জমি সর্বনিন্ম ৫ থেকে ৭ জনের কাছে কবলা দলিলমুলে বিক্রি করে তার পরও আবার বলে বেড়ায় ওই সম্পত্তি আমার অমুক /সমুক মুলে আমি পাব । আমার বাবা বা দাদায় কিভাবে বিক্রি করেছে ওইজমি মুসমানদের ওই দলিল জাল । আবার কখনো হিন্দু সম্পাদয়গুলো এদেশ থেকে বেচা বিক্রি শেষ করে ভারতে চলা যায় আর সেখানে গিয়ে বলে বেড়ায় বাংলাদেশ থেকে মুসলমানরা তাড়িয়ে দিয়াছে । আজ মুসলমানরা এভাবে বাংলাদেশের হিন্দুদের কাছে নির্যাতিত ।

তবে পরিকল্পিতভাবে এমন একটি ঘটনা সৃষ্টি করার জন্য এ তথ্যটিও নিশ্চিত করেছে স্থানীয় জনগণ ।হিন্দুরা এখনো কথায় কথায় ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে আসে এবং বলে, দেখুন হিন্দুরা বাংলাদেশে কত নির্মম নির্যাতনের শিকার। মুসলমানরা হিন্দুদের উপর কত নির্যাতন করে!” শুধু তাই নয়, এ ঘটনা প্রচার করে হিন্দুরা ও কথিত মানবাধিকার সংস্থাগুলো সারা বিশ্বের সামনে বাংলাদেশকে সংখ্যালঘু নির্যাতনকারী দেশ হিসেবে প্রচার করেছে। যাই হোক,দেশে রাজনীতি ও নির্বাচন সময়ে এ ধরনের ঘটনা নিয়ে অনেকে রাজনৈতিক বলেও প্রচার করে; কিন্তু আমাদের কথা হচ্ছে- এটি রাজনৈতিক হলে হিন্দুরা কেন এটাকে ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’ বলে সারা বিশ্বে প্রচার করে ? কেন এখনো এটাকে পুঁজি করে মুসলমানদের উপর আঘাত করার চেষ্টা করে? কেন শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশকে বিশ্বব্যাপী ‘সংখ্যালঘু নির্যাতনের দেশ’ হিসেবে অপপ্রচারণা চালায় ? মূলত এসমস্ত ঘটনা ঘটিয়ে রটানো হিন্দুদের চক্রান্ত ছাড়া কিছুই নয়।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে