সউদী ইহুদী সরকার অনেক বছর ধরে চাঁদের তারিখ পরিবর্তন এবং ছবির মাধ্যমে মুসলমানদের হজ্জ নষ্ট করছে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ উনার ২১৭নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “মসজিদে হারাম শরীফে প্রবেশে বাধা দেয়া, মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে অনেক বড় অন্যায়।”
পবিত্র হজ্জ মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম ভিত্তি। মুসলমানদেরকে পবিত্র হজ্জে বাধা দেয়ার অধিকার দুনিয়ার কারো নেই। সউদী ইহুদী সরকার অনেক বছর ধরে চাঁদের তারিখ পরিবর্তন এবং ছবির মাধ্যমে মুসলমানদের হজ্জ নষ্ট করছে। এবার করোনার অজুহাতে বর্হিবিশ্বের মুসলমানদের হজ্জে তারা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাদের এ সিদ্ধান্ত হারাম, কুফরী, শিরকী এবং কঠিন লা’নতগ্রস্থ হওয়ার কারণ। সউদী ইহুদী সরকারের জন্য ফরজ হলো- পবিত্র হজ্জ কেন্দ্রীক সর্বপ্রকার বিধি-নিষেধ বাতিল করে ছবি ও বেপর্দামুক্ত এবং সম্মানিত শরীয়ত উনার নির্দেশিত তর্জ-তরীকা মুতাবিক পবিত্র হজ্জ করার সার্বিক ইন্তিজাম করা।
বিশ্বের সমস্ত মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে- পবিত্র হজ্জ বিরোধী সউদী ইহুদী সরকারের সব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ করা।
– ক্বওল শরীফ: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম
যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহ্ইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মসজিদে হারাম শরীফে প্রবেশে বাধা দেয়া, মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে অনেক বড় অন্যায়।” পবিত্র হজ্জে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বাধা দেয়া এবং যে কোন উপায়ে নিরুৎসাহিত করা সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী সুস্পষ্ট হারাম, কুফরী, শিরকী এবং শক্ত কবীরা গুণাহ। যা কঠিনভাবে লা’নতগ্রস্থ হওয়ারও কারণ।
করোনার অজুহাতে বর্হিবিশ্বের মুসলমানদের হজ্জে সউদী ইহুদী সরকারের নিষেধাজ্ঞা আরোপ বিষয়ে নসীহত মুবারককালে তিনি এ ক্বওল শরীফ ব্যক্ত করেন।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হজ্জ মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম ভিত্তি। মুসলমানদেরকে পবিত্র হজ্জে বাধা দেয়ার অধিকার দুনিয়ার কারো নেই। সউদী ইহুদী সরকার অনেক বছর ধরে চাঁদের তারিখ পরিবর্তন এবং ছবির মাধ্যমে মুসলমানদের হজ্জ নষ্ট করছে। এবার করোনার অজুহাতে বর্হিবিশ্বের মুসলমানদের হজ্জে তারা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাদের এ সিদ্ধান্ত হারাম, কুফরী, শিরকী এবং লা’নতগ্রস্থ হওয়ার কারণ।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত আছে, “ছোঁয়াচে বলতে কোনো কিছু নেই।” তাই, সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সংক্রামক বা ছোঁয়াচে বিশ্বাস করা কুফরী ও শিরকের অন্তর্ভুক্ত।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সংক্রামক বা ছোঁয়াচের মত একটি কুফরী বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে পবিত্র হজ্জে আসতে তারা বাধা দিচ্ছে। মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফায়সালা অনুযায়ী তারা কাট্টা কুফরী করছে। তাদের পরিণতি হবে খুবই কঠিন ও ভয়াবহ। নাউযুবিল্লাহ! কারণ ছোঁয়াচের অজুহাতে মুসলমানদেরকে পবিত্র হজ্জে আসতে বাধা দেয়া, নিরুৎসাহিত করা, শর্ত আরোপ করা, লোক সংখ্যা নির্ধারণ করে দেয়ার অর্থ হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের বিরোধীতা করা এবং উনাদের আদেশ-নির্দেশ মুবারক অস্বীকার ও অমান্য করা।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র হজ্জে বাধা দেয়ার উদ্দেশ্যে পবিত্র কা’বা শরীফ ধ্বংসের অপচেষ্ট করার কারণে আবরাহা ধ্বংস হয়েছে। যুগে যুগে যারাই পবিত্র হজ্জ উনার বিরোধী ষড়যন্ত্র করেছে, তারা সবাই ধ্বংস হয়েছে। সউদী ইহুদী সরকার যদি পবিত্র হজ্জ বিরোধী যাবতীয় ষড়যন্ত্র হতে বিরত না হয়, তাহলে তাদেরও ধ্বংস অনিবার্য।

মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারকে বারবার সতর্ক করার পরও তারা ছবি ও সিসি ক্যামেরা বন্ধ করছে না। এবার করোনার অজুহাতে বর্হিবিশ্বের মুসলমানদের হজ্জে তারা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাদেরকে আবারো সতর্ক করা হচ্ছে, তারা যেন অতিসত্বর পবিত্র হজ্জ, পবিত্র উমরাহ ও পবিত্র যিয়ারত উনার ক্ষেত্রে ছবি নিষিদ্ধ করে এবং সিসি ক্যামেরাগুলো সরিয়ে নেয় এবং মহাসম্মানিত ও পবিত্র শরীয়তবিরোধী সর্বপ্রকার বিধি-নিষেধ বাতিল করে সম্মানিত শরীয়ত উনার নির্দেশিত তর্জ-তরীকা মুতাবেক পবিত্র হজ্জ করার সার্বিক ইন্তিজাম করে। নচেৎ তাদেরকে কঠিন কাফফারা আদায় করতে হবে। অর্থাৎ গুমরাহীর কারণে গযবে পড়ে ক্ষমতাহীন হয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া ব্যতীত কোনো ব্যবস্থা থাকবে না। তাই, বিশ্বের সমস্ত মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে- পবিত্র হজ্জ বিরোধী সউদী ইহুদী সরকারের সব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ করা।

শেয়ার করুন
TwitterFacebookGoogle+

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করতে আপনাকে অবশ্যই লগইন করতে হবে